মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই সদরে দিন দুপুরে একটি ভাড়াটে বাাস-বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে মিরসরাই সরকারি পাইলট স্কুলের নতুন ভবনরে পাশবর্তি একটি বাসায় এই চুরির ঘটনা ঘটে।
সূত্রে জানা যায়, বাসার বাসিন্দা প্রবাসী দিলিপ চন্দ্রনাথের স্ত্রী সোমা নাথ পাশে অবস্থি ন্যাশনাল ব্যাংকে যান। এসময় চোরদের একজন পাশবর্তি ঘরে বাসা ভাড়া দেয়া হবে কিনা গৃহিনীর কাছে জানতে চায়। বাসা খালি নেই জানিয়ে তিনি ভেতর থকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে চোরেরা ওই গৃহিনীর ঘরে দরজা বাইর থেকে বন্ধকরে দিয়ে সোমার বাসায় চুরির কান্ড ঘটিয়ে মুহুর্তে সটকে পড়ে। এসময় চোরের দল ঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে বাসার ভেতর ঢুকে আলমিরা থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জনিসিপত্র নিয়ে যায় বলে গৃহিনীর অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেনে মিরসরাই থানার উপ-পরদিশক জাকির হোসেন।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।
মিরসরাই সদরে দিন দুপুরে বাসা-বাড়ীতে চুরি
মিরসরাইয়ে শ্বাসরোধে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, পলাতক স্বামীসহ অন্যরা
মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলায় শ্বাসরোধে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর গৃহবধূর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন সবাই পালিয়ে গেছেন।
সোমবার (১৯ নভেম্বর) রাতে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। গৃহবধূ রুমানা আক্তার কচি (১৯) ওই গ্রামের মো. টিপুর স্ত্রী।
তবে যৌতুকের জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রুমানার মা।
ঘটনাস্থলে যাওয়া জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আলাউদ্দিন জানান, মিরসরাই উপজেলার মাস্তাননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোমানার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শ্বশুরবাড়ির লোকজন রোমানাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তার গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এতে চিকিৎসক শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করে পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করলেও রোমানার স্বামীসহ স্বজনদের কাউকে হাসপাতালে পাননি। পরে তাদের বাড়িতে গিয়েও ঘরে কাউকে পাওয়া যায়নি বলে জানান উপ পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে এটা আমরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি। তবে রুমানাকে হত্যা করা হয়েছে নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন সেটি ময়নাতদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
ভোটের দিন পর্যবেক্ষকদেরকে মূর্তির মতো থাকতে হবে : নির্বাচন কমিশন সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্বাচনে ভোটের দিন কোনো পর্যবেক্ষক কোনো কথা বা মন্তব্য করতে পারবে না। তাদেরকে মুর্তির মতো থাকতে হবে। যত গন্ডগোলই হোক না কেন মিডিয়ার কাছে কোনো মতামত দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
আজ মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁস্থ নির্বাচন ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১৮টি পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের ব্রিফিং এ এই মন্তব্য করেন ইসি সচিব।
ইসি অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, যুগ্ম সচিব খন্দকার মিজানুর রহমান ও এএসএম আসাদুজ্জামান।
সচিব হুঁশিয়ারি উচ্চারন করে বলেন, আপনারা এমন কোনো কাজ করবেন না যাতে নিবন্ধন বাতিল হয়। কারণ আপনাদের নিবন্ধন এনজিও ব্যুরোর কাছে। আমাদের প্রতিবেদন আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ছাত্রলীগ নেতার ঘর থেকে নিহতের রক্তমাখা জিনিসপত্রসহ ছুরি, চাপাতি উদ্ধার
নিউজ ডেস্ক..
বগুড়ার সারিয়াকান্দি পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনন্ত শ্রাবণ বিশুর ভাড়া করা বাড়িতেই ছাত্র নাঈম ইসলামকে (২০) গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।
বিশুর ভাড়া বাড়িতে রবিবার রাতে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শোবার ঘর ও পাশের একটি ঘরের তালা ভেঙে সেখান থেকে নিহত নাঈম ইসলামের জুতা, মানিব্যাগ, শিক্ষা আইডি, রক্তমাখা ছুরি, দুটি রামদা, দুটি চাকু, রক্তাক্ত বালিশ, কম্বল, চাদর ও রক্ত মোছার কাপড় উদ্ধার করেছে। সেই ঘরের মেঝে খোঁড়া ও প্রচুর রক্তের দাগ পেয়েছে পুলিশ সদস্যরা।
এসব ঘটনায় থানা পুলিশ নিহত নাঈম ইসলামের মা’র দায়ের করা মামলায় ৫জনকে গ্রেফতার করার পর আদালতের কাছে ৫দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে। পুলিশ বলছে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যার বিষয়ে জানা যাবে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানায়, নিহত নাঈম বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মড়িয়া গোলাবাড়ি গ্রামের সোনা ব্যবসায়ী ইন্তেজার রহমানের ছেলে। সে বগুড়া শহরের বেসরকারি পলিটেকনিক বিআইআইটি’রা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ বর্ষের ছাত্র ছিল। ১৫ নভেম্বর সকালে ফোন পেয়ে সে বাড়ি থেকে বের হয়। ১৬ নভেম্বর সকালে সারিয়াকান্দি বাজারের পূর্বপাশে তার গলাকাটা ও আগুনে ঝলসানো বিকৃত লাশ পাওয়া যায়। এরপর রাতেই নাঈমের মা নাজমা বেগম ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই দিনে ওই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে। তবে একজন এখনও পলাতক রয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি আল-আমিন জানান, উপজেলার বাড়ইপাড়ার কান্টু মোল্লার ছেলে পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনন্ত শ্রাবণ বিশু বাজার এলাকায় সন্তোষ খলিফার বাড়িতে ভাড়া থাকত। ধারণা করা হচ্ছে বিশুর ঘরেই নাঈমকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করতে ঘরের পাকা মেঝে খোঁড়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে কোনো কারণে লাশ বাইরে নিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
শনিবার গ্রামের একটি মাঠ থেকে নাঈমের অ্যাপাচি মোটরসাইকেল ও রক্তমাথা শার্ট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নাঈমের মোবাইল ফোনটি এখনও পাওয়া যায়নি। গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা অনন্ত শ্রাবণ বিশু, তার বন্ধু আতিকুর রহমান, সিহাব বাবু, মনিরুজ্জামান মনির ও অন্তর মিয়াকে রবিবার আদালতে হাজির করে পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
সাপের বিষ শরীরে নিয়ে ভয়ঙ্কর গবেষণা, অতঃপর…
১৯৫৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনা। শিকাগোর লিঙ্কন পার্ক চিড়িয়াখানার পরিচালক শহরের ফিল্ড মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রি’তে একটি সাপ পাঠিয়েছিলেন গবেষণার জন্য।
৭৬ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের সরীসৃপটি পরীক্ষা করার কথা কার্ল প্যাটারসন স্মিথ নামে একজন সাপ গবেষকের। ওই মিউজিয়ামে তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর কাজ করেছেন।
‘কোরাল স্নেক’ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ স্মিথ ১৯৫৫ সালে মিউজিয়ামের মুখ্য তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে অবসরে যান এবং ততদিনে তিনি সরীসৃপ বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগ্রহশালাগুলোর একটি গড়ে তোলেন।
সাপটির মাথা উজ্জ্বল রঙের নকশায় ঢাকা ছিল এবং এর মাথার আকৃতি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার গেছো সাপের মতো, যেগুলো বুমস্ল্যাং নামেও পরিচিত, এমনটাই লিখেছেন স্মিথ ।
এরপর তিনি যেটি করলেন তার জন্য জীবনের ব্যাপক মূল্য দিতে হয়। তিনি সাপটিকে আরো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করবার জন্য নিজের কাছাকাছি তুলে ধরলেন।
সাথে সাথে সাপটি তাকে আক্রমণ করে এবং তার বাঁ হাতের বুড়ো আঙ্গুলে কামড়ে দেয়, ফলে সেখানে দুটো ছোট রক্ত-চিহ্ন দেখা যায়।
কিন্তু কোনো ধরনের চিকিৎসা সহায়তা না নিয়ে তার বদলে স্মিথ নিজের আঙ্গুল থেকে রক্ত চুষে নিতে শুরু করলেন। তার নিজের ওপর বিষের প্রভাব কী হচ্ছে তা লেখার জন্য তিনি নোটখাতার দিকে ফিরে গেলেন।
২৪ ঘণ্টার কম সময় পর তিনি মারা যান।
সাপের বিষ খুব একটা মারাত্মক হবে না ধারণা করেছিলেন স্মিথ, শিকাগো ডেইলি ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়
স্মিথ এর শেষ দিনটি
স্মিথ সম্ভবত তার সম-সাময়িক অন্য আরো অনেক সাপ বিশেষজ্ঞের মতই মনে করতেন, এই ধরনের বুমস্ল্যাং মানব মৃত্যুর কারণ হওয়ার মত যথেষ্ট বিষ উৎপাদন করতে পারেনা।
ফলে তার মৃত্যুর আগের কয়েক ঘণ্টা সময়ে তিনি বাড়িতে ছুটে যান এবং তার শরীরের বিষের কি প্রভাব হচ্ছে সেটি রেকর্ড করেন।
মার্কিন রেডিও পিআরআই-এর সায়েন্স ফ্রাইডে নামে একটি অনুষ্ঠানে একটি ভিডিও প্রকাশ করে যার শিরোনাম “ডায়েরি অফ এ স্নেকবাইট ডেথ” অর্থাৎ সাপের দংশনে মৃত্যুর ডায়েরি। যেখানে ডক্টর কার্ল পি স্মিথ -এর জীবনের শেষ কয়েক ঘণ্টার বিস্তারিত বিবরণ তুলেরা হয়েছে তার নিজেরই বর্ণনায়।
“বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা : প্রচণ্ড গা গুলাচ্ছে কিন্তু বমি হয়নি। শহরতলীর একটি ট্রেনে চেপে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলাম।
বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা : প্রচণ্ড ঠাণ্ডা এবং কাঁপুনি দিয়ে ১০১.৭ ডিগ্রি জ্বর। মুখ দিয়ে কফের সাথে রক্ত বেরোতে শুরু করেছে ৫:৩০ মিনিটের দিক থেকে, বেশিরভাগই মাড়ি থেকে।
রাত সাড়ে ৮টা। দুই টুকরো মিল্ক টোস্ট খেলাম।
রাত ৯টা থেকে ১২:২০ মিনিট। ভালই ঘুমালাম। ১২:২০ মিনিটের দিকে প্রস্রাব করলাম, মূলত রক্তই গেল, তবে পরিমাণ অল্প। ৪:৩০ মিনিটের দিকে এক গ্লাস পানি পান করলাম, প্রচণ্ড গা গুলানো এবং বমি বমি ভাব, হজম না হওয়া খাবার পাকস্থলী থেকে বেরিয়ে এলো। এরপর কিছুটা ভালো লাগছিল এবং ভোর সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ঘুমালাম।
স্মিথকে তার মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে চিকিৎসা সহায়তা করার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি যেসমস্ত উপসর্গ তিনি অনুভব করছিলেন সেগুলো যদি না বুঝতে না পারেন সে আশঙ্কায় মেডিক্যাল হেল্প নেননি তিনি।
পরিবর্তে, নিজের বৈজ্ঞানিক কৌতূহলের বশবর্তী হয়ে সকালের নাশতার পর চমৎকার নোট লিখেছিলেন।
“২৬শে সেপ্টেম্বর। ভোর ৬:৩০ মিনিট। তাপমাত্রা ৯৮.২. সিরিয়াল এবং টোস্টের সাথে ডিম পোচ, আপেল সস এবং কফি দিয়ে সকালের নাশতা খেলাম। প্রতি তিন ঘণ্টায় প্রস্রাব নয় এক আউন্স করে রক্ত বের হচ্ছে । মুখ এবং নাক দিয়ে রক্ত ঝরেই যাচ্ছে, তবে খুব বেশি নয়।
আর এটিই ছিল স্মিথ -এর লেখা সর্বশেষ কথা। বলছে সায়েন্স ফ্রাইডে।
দুপুর দেড়াটার দিকে মধ্যাহ্নভোজের পর তিনি বমি করেন এবং স্ত্রীকে ডাকেন। যখন তাকে সহায়তা দেয়া শুরু হল ততক্ষণে তিনি অচেতন হয়ে হয়ে গেছেন এবং তার শরীরের প্রচণ্ড ঘামে ভিজে গেছে।
ডাক্তার ডাকার পর তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। বিকেল ৩টার মধ্যে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়; মৃত্যুর কারণ দেখানো হয় “রেসপিরেশন প্যারালাইসিস”।
ফুসফুসে রক্তক্ষরণের কারণে তার শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছিল।
চোখ, ফুসফুস কিডনি হৃৎপিণ্ড এবং মস্তিস্কে অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়।
স্মিথ-এর মৃত্যুর পর দুই দশক ধরে চলা নানা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, বুমস্ল্যাং গোছের সাপ আফ্রিকান অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সাপের অন্যতম যার অত্যন্ত টক্সিক বিষ রয়েছে। এর কামড়ে রক্ত জমাট হওয়ার ক্ষমতা থাকে না ফলে রক্তপাতের শিকার হয়ে মানুষ মারা যায়। এই গেছো সাপ মধ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকা এলাকায় দেখা যায় এবং পূর্ণবয়স্ক একেকটি সাপ ১০০থেকে ১৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। কোন কোনটি ১৮৩ সেন্টিমিটারও হয়।
স্মিথ এবং তার সহকর্মীরা কেউই এই সাপটির দংশনকে খুব একটা গুরুতর বলে আমলে নেননি। কারণ বুমস্ল্যাংটি ছোট ছিল এবং দংশিত ব্যক্তি ছিলেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। কিন্তু অন্যরা লিখেছেন স্মিথের জানবার কথা যে সেসময় বুমস্ল্যাং এর এন্টিভেনম ওষুধ সহজলভ্য ছিল না।
স্মিথ-এর জীবনের জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ শেষ মুহূর্তগুলোতে তার মনের ভেতর যা-ই চলুক না কেন, নিজের মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ে পৌঁছেও পিছু হটেননি তিনি। সায়েন্স ফ্রাইডে অনুষ্ঠানের প্রযোজক টম ম্যাকনামারা সেটা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। বরং তিনি “অজানা জগতে ঝাঁপ দিয়েছেন।”
প্রধানমন্ত্রী রেফারির ভূমিকা পালন করলে তো ফেয়ার ইলেকশন হয় না : ড.কামাল
ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে তার বেইলি রোডের বাসায় সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে কামাল হোসেনের বাসায় যান অ্যালিসন ব্লেইক। সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যান।
হাইকমিশনারের সাথে সাক্ষাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন বর্তমান দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।
ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘তারা মাঝে মধ্যে দেখা করতে আসেন। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে আগামী নির্বাচনকে আমরা কিভাবে দেখছি এবং কী ধরনের নির্বাচন হতে যাচ্ছে, হাইকমিশনার তা জানতে চেয়েছেন।
জবাবে আমরা বলেছি, ‘আমরা অবাধ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইছি। এখনও আমাদের একই দাবি, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইছি। সেই লক্ষ্যে সাত দফা দাবিও দিয়েছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগে আমাদের নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছিল। তারপর একটি জাজমেন্ট দিয়ে তা সরিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকেই সমস্যা হচ্ছে।’
হাইকমিশনারের কাছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৪ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে জানিয়ে ড. কামাল বলেন, ‘৫ জানুয়ারির পর নির্বাচিত সরকার না থাকার কারণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তারাই (বর্তমান সরকার) বলেছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নির্বাচন দেয়া হবে। সেই দ্রুততম সময় পাঁচ বছরে শেষ হয়েছে।’
কামাল হোসেন আরো বলেন, ‘নিরপেক্ষ সরকার মানেই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী যদি রেফারির ভূমিকা পালন করেন, পুলিশ প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে তো ফেয়ার ইলেকশন হয় না।’
নির্বাচনের মাঠে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা বিএনপির
নিজস্ব প্রতিবেদক
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নির্বাচনের মাঠে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড। বরিশাল ও খুলনা বিভাগের সংসদীয় আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার গ্রহণকালে শীর্ষ নেতারা এ নির্দেশনা দেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে স্কাইপিতে যুক্ত হয়ে প্রার্থীদের দিনভর দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
সাক্ষারকালে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্য মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জে. (অব.) মাহাবুুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সকাল সাড়ে নয়টা থেকে ২টা পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ২১টি সংসদীয় আসনে ১৭৮ জন এবং দুপুরের পর খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬ টি সংসদীয় আসনে ৩শ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী সাক্ষাতকার দেন।
জানা গেছে, মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা প্রার্থীদের নানা ধরনের প্রশ্ন করেছেন। একই আসন থেকে একাধিক প্রার্থী থাকার বিষয়ে দল যাকে মনোনয়ন দেয় তার পক্ষে কাজ করা, মনোনয়ন দিলে এলাকায় নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মাঠে টিকে থাকতে পারবেন কিনা ইত্যাদি প্রশ্ন করেছেন। এমনকি নেতাকর্মী-সর্মথকদের নিয়ে ভোট কেন্দ্র পাহাড়া দেয়ার মতো বিষয়েও প্রার্থীদের অবস্থান জানতে চেয়েছেন।
বরিশাল-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আকন কুদ্দুসুর রহমান সাক্ষাকার শেষে বলেন, শীর্ষ নেতারা নির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। যদি তৃণমূলের সাথে সম্পৃক্ত কর্মীবান্ধব প্রার্থী বেছে নেয়া হয়, তাহলে আমি মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছি।
খুলনা-৩ (খালিশপুর-খানজাহান ও দৌলতখান) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা রকিবুল ইসলাম বকুল জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাক্ষাতকার গ্রহণের সময় আমরা আমাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা মনোযোগ সহকারে তা শুনেছেন। তারেক রহমান বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
আমাদেরকে তিনি বলেছেন যে, ‘এবারের নির্বাচন বিগত নির্বাচনের মতো নয়। আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনের অংশ হিসেবেই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোনো ব্যক্তির হয়ে নয় ধানের শীষ মার্কার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। অনেকেই যোগ্য লোক আছেন কিন্তু মনোনয়ন দেয়া হবে একজনকে। সবাইকে তারই পক্ষে কাজ করতে হবে।’
কিভাবে নেয়া হলো সাক্ষাতকার এ প্রশ্নের উত্তরে বরিশাল-২ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী দুলাল হোসেন বলেন, বরিশাল ১, ২ ও ৩ আসনের প্রার্থীদের একসাথে ডাকা হয়েছে। আমরা কার্যালয়ের দোতলায় গিয়ে বসার পর প্রার্থীদের নাম পড়ে শুনান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এরপর তিনি জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্কাইপিতে যুক্ত রয়েছেন। তিনি আপনাদের সাথে কথা বলবেন। এরপর তারেক রহমান ১৫/২০ মিনিট সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকাসহ নানা দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। পরে অন্য নেতাদের বক্তব্য শেষে তারা চলে আসেন।
বরিশাল-৫ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু নাসের মো: রহমাতুল্লাহ বলেন, কারো প্রার্থীতাই চূড়ান্ত করা হয়নি। দলের দুর্দিনে সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে হাইকমান্ড।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাক্ষাতকার দিতে এসে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত বিএনপির সাবেক এমপি শহিদুল হক জামাল এবং ইলেন ভুট্টো নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে পরেন।
এদিকে মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সাক্ষাতকার গ্রহণ করাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিএনপির চেয়ারপারনের গুলশান কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশিদের সঙ্গে তাদের অনুসারি নেতাকর্মী ও সর্মথকরা ভীড় করেন। তবে নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের স্লোগান দেননি। কার্যালয় এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগ এবং বেলা আড়াইটা থেকে কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হবে।
স্কাইপি বন্ধ করা সরকারের নিম্নরুচির পরিচয় : বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক
দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার রুখতেই গুলশান কার্যালয়ের স্কাইপি ও ইন্টারনেট যোগাযোগ সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সচিব বললেন, বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই। তার এই বক্তব্যের পরপরই আমরা জানতে পারলাম বিটিআরসি স্কাইপি বন্ধ করে দিয়েছে। গুলশান অফিস থেকে আমাকে জানিয়েছে যে, সেখানে সকল ইন্টারনেট লাইন বন্ধ হয়ে গেছে, স্কাইপি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।এর উদ্দেশ্য একটাই– বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যাতে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে না পারেন। আমি সরকারের এহেন ন্যাক্কারজনক সংকীর্ণ মানসিকতার নিন্দা ও ধিক্কার জানাই এবং অবিলম্বে স্কাইপি খুলে দেবার আহবান জানাচ্ছি।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, সরকার আগামী নির্বাচনকে নিজেদের অনুকূলে নেয়ার জন্য ক্লান্তিহীনভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে। বিএনপির নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তৎপরতাকে বাধা প্রদান করার জন্য সরকার সব ধরনের শক্তি প্রয়োগ করে যাচ্ছে। স্কাইপি বন্ধ করার ঘটনা সরকারের নিম্নরুচির পরিচায়ক। স্কাইপি বন্ধ করার মাধ্যমে আবারো প্রমাণিত হলো নির্বাচনী মাঠ আওয়ামী জোটের একচেটিয়া দখলে থাকবে।
তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আওয়াজ ভেসে উঠলেই সরকার যে মূর্ছা যায় আর সেজন্য দুর থেকে ভেসে আসা শব্দকেও আটকানোর জন্য তারা উঠেপড়ে লাগে। সরকার কর্তৃক তারেক রহমানের আওয়াজকে বাধা দেয়ার অর্থই হচ্ছে গণতন্ত্রের গলাটিপে ধরা।
রাজধানীতে যশোরের মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু বকর, ছাত্র দলের আব্বাস, মো. হোসেন, আশরাফুল ইসলাম রবিন, জাকির হোসেন, মাহবুবুল আলম, খুলনার শাহিনুর আলমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে আটকের পর অস্বীকার করায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তাদেরকে জনসমক্ষে হাজির করার দাবি জানিয়েছেন রিজভী। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধানমন্ডি থানার সভাপতি শেখ রবিউল আলম রবিকে সাদা পোষাকে পুলিশ রাতে গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানান তিনি।
বারইয়ারহাটে ঝরণা ফার্মেসীর শুভ উদ্বোধন

বারইয়ারহাটে ঝরণা ফার্মেসীর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৯ নভেম্বর) সকালে এই উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।বারইয়ারহাট পুরাতন সড়কে আবুল খায়ের শপিং সেন্টারের নিচতলায় স্থাপতি প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. জয়নাল আবেদীন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শেফা ইনসান হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এস এ ফারুক,বারইয়ারহাট পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন ভিপি, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন হারুন, বারইয়ারহাট পৌরসভা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খোকন, বৃহত্তর ফেনী নদী বালু ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সোনা মিয়া মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শেখ সেলিম, বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালের এমডি মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এসএম আবুল হোসেন, বারইয়ারহাট মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক মোঃ ফরিদ, করেরহাট উদয়ন ক্লাবের সহ-সভাপতি আমিনুল হক আমিন সহ রাজনৈতিক,ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ইউপি সদস্যবৃন্দ, সামাজিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী হাজ্বী মহসিন আলী আগত অতিথিদের সাথে কুশল বিরনময় করেন।
প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মিরসরাইয়ের মামুনুলের গান
নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রয়াত কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান গেয়েছেন মিরসরাইয়ের তরুণ কণ্ঠ শিল্পী মামুনুল ইসলাম মামুন।সম্প্রতি গানটির রেকর্ডিং হয়েছে। সজীব দাসের সুর ও সংগীতে গানটির মিক্সিং ও মাস্টারিং এর কাজ চলছে।
‘তুমি আছে, তুমি থাকবে, থাকবে এলআরবি, সেই রুপালী গিটার ফেলে, অসময়ে কাদায় ছবি’- এমন কথামালায় গানটি লিখেছেন আশিক বন্ধু।
সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিডি প্লাসের ব্যানারে গানটির অডিও-ভিডিও আগামী সপ্তাহে অবমুক্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার আশিক বন্ধু বলেন, আইয়ুব বাচ্চু শুধু শিল্পী নন, একজন অভিভাবকও। আমাদের মিউজিকের পথচলায় তাঁর কাছ থেকে উৎসাহ, অনুপ্ররণা ও ভালোবাসা পেয়েছি। খুব কাছ থেকে তাঁকে দেখেছি। তিনি একজন মহান শিল্পী।
তিনি আরো বলেন, এ জন্য তার অগণিত ভক্তদের জন্য আমার ভালোবাসার জায়গা থেকে গানটি লিখেছি। মামুনুল খুব আবেগ দিয়ে গানটি গেয়েছেন।
গানটি প্রসঙ্গে সুরকার সজীব দাস বলেন, আইয়ুব বাচ্চু সব সময় আমাদের গানে গানে থাকবেন, আমাদের শ্রদ্ধায়, আমাদের প্রাণের মাঝে থাকবেন। তাঁর গান, কথা ও সুর আমরা সারাজীবন স্মরণ করে যাব। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা ‘সবার প্রিয় এবি’ শিরোনামের গানটি প্রকাশ করতে যাচ্ছি।
শিল্পী মামুনুলের বাড়ি মিরসরাই উপজেলার ৭ নং কাটাছরা ইউনিয়নে।এরপর পূর্বে তার কয়েকটি গান রেকর্ড হয়েছিলো এবং সে বাংলাদেশ টেলিভিশনে নিয়মিত গান করে থাকেন।

