মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 648

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অধিনায়ক সাকিব

 

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ইনজুরি কাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান। ফলে অধিনায়কের দায়িত্ব মাহমুদুল্লাহর কাছ থেকে এখন তার কাঁধে। আজ শনিবার দুপুরে ১৩ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন বিসিবি।

দলে জায়গা হয়েছে ১৭ বছর বয়সী নাঈম হাসানের। সাকিব ফিরলে তার দলে থাকাটা অনিশ্চিত ধরা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে রেখেই দল ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া দলে ফিরেছেন বাঁহাতি টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার।

সবশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, আবু জায়েদ রাহী এবং নাজমুল ইসলাম অপু।

বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড : সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ মিঠুন, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও নাঈম হাসান।

মিরসরাই শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত


মিরসরাই প্রতিনিধি
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি মিরসরাই উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ নভেম্বর) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। এর আগে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি রনজিত কুমার নাথ।
উপজেলা শিক্ষক সমিরি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর উপস্থাপনায় এবং সভাপতি জাফর ছাদেকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াছমিন আক্তার কাকলী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন আরিফ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, প্রধা আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সভাপতি সৈয়দ লকিতুল্লাহ, বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক অঞ্চল চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ জানে আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ সরকার, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মীর হোসেন, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহŸায়ক আবু ছালেক প্রমুখ।
ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সরকারহাট এনআর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল মোস্তফাকে সভাপতি ও জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ (জেবি) উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সুভাষ সরকারকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

জনগণ খালেদা জিয়াকেই প্রধানমন্ত্রী দেখতে চায়

নিউজ ডেস্ক..

দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আবারো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় বলে মন্তব্যে করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার বিকেলে নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী খন্দকার বাড়ি এলাকায় বিএনপির ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে এক আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ মন্তব্যে করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। তা না হলে দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমি বিআরটিসির চেয়ারম্যান থাকাকালীন রূপগঞ্জের নিরীহ ও দরিদ্র ঘরের সন্তানদের চাকরি দিয়ে জেল খেটেছি। বর্তমানে ভূমিদস্যুরা কৃষকের জমি, বালু ভরাট করে জবর দখলে নিয়েছে। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে, কোনো ভূমিদস্যুকে রূপগঞ্জের মাটিতে ঠাঁই দেয়া হবে না। তাই আবারো ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা যুবদল নেতা মোশারফ হোসেন খন্দকারের সভাপতিত্বে আলোচনায় বক্তব্যে দেন, রূপগঞ্জ থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, যুবদল নেতা আবদুল কাইয়ুম প্রধান, জেলা ওলামাদলের সভাপতি সামসুর রহমান খান বেনু, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট আবদুল সামাদ মোল্লা, জেলা কৃষক দল নেতা শাহিন মিয়া, হাফিজুর রহমান পিন্টু, শ্রমিকদল নেদা ইদ্রিস আলী, আলমগীর হোসেন, মহিলাদলের শাহিনা আক্তার রেহেনা, শ্রমিকদল নেতা ইব্রাহীম, সজীব মোল্লা, ছাত্রদল নেতা শিমুল, সানি, কবির হোসেন, মামুন, মফিজ, মুকুল ও ইব্রাহীম।

উপেক্ষিত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, নির্বিকার ইসি

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও উপেক্ষিত থাকছে লেভেল প্লেøয়িং ফিল্ডের বিষয়টি। রাজনৈতিক দলগুলোর জোর দাবি থাকলেও এ প্রশ্নে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষেত্রে সবার জন্য সমান সুযোগ দেয়ার ঘোষণা দেয় ইসি; কিন্তু ভোটের তারিখ পরিবর্তন, দলীয় মনোনয়ন উত্তোলন ও জমা দেয়ার সময় কর্মীদের মিছিল-সমাবেশসহ নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে সরকার সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো। অন্য দিকে নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশি তল্লাশি ও গ্রেফতারসহ নানা প্রতিবন্ধকতার শিকার হচ্ছে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।

যদিও তফসিলের দিন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়ে সিইসি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রার্থী, প্রার্থীর সমর্থক ও এজেন্ট যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা-মোকদ্দমার সম্মুখীন না হন তার নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দলমত নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন। নির্বাচনী প্রচারণায় সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে। সবার জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযোগ সৃষ্টির অনুকূলে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পরও অব্যাহত রয়েছে পুলিশের গ্রেফতার অভিযান। বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বাদ যাচ্ছে না বিরোধী দলের সমর্থকেরাও। মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে দিনমজুর সমর্থকদেরও গ্রেফতার করা হচ্ছে। এতে সারা দেশে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মী এবং ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আর ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
গতকাল শুক্রবার সকালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিএনপির ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে দলটি।

তালিকা ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেয়া ‘বানোয়াট মামলা’ প্রত্যাহারসহ গ্রেফতার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, গত রোববার ভোট গ্রহণের তারিখ এক সপ্তাহ পেছানোর অনুরোধ জানিয়ে সিইসিকে চিঠি দেন যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ডা: এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। এ সময় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল ও জোটের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইসি ভোটের তারিখ পিছিয়ে দিলে আপত্তি করবে না দলটি। রোববার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলাকালে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। এর পরের দিন সিইসি ভোট সাত দিন পিছিয়ে দিয়ে ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেন।

তবে গত ৮ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেয়া টেলিভিশন ভাষণে সিইসি ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছিলেন। এর পর থেকেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবি জানিয়ে আসছিল; কিন্তু ইসি এ বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করেনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে দলীয় প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে (৩/এ) এই কার্যক্রম চলে। মনোনয়নপত্র ক্রয়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। সকাল থেকেই শোডাউন করতে করতে আসেন মনোনয়ন কিনতে আসা নেতাকর্মীরা।

দলে দলে মিছিল নিয়ে আসেন ধানমন্ডিমুখী মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। ব্যানার-ফেস্টুনসহ নানা বাদ্যযন্ত্র রয়েছে তাদের বহরে। ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বেগ পেতে হয়।
ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের সমাগমে পুরো ধানমন্ডিতে দেখা দেয় যানজট। এর মধ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনাও ঘটে। অনেকেই মিছিল সহযোগে এসে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় দলটির কার্যালয়ে। দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার সময় দুইজন পথচারী নিহত হন। এর পরও পুলিশ অথবা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশের ব্যাপারে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে দেখার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, এবার মনোনয়ন ফরম কেনায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আমরা লক্ষ করছি। আমরা ডিসিপ্লিন রক্ষা করার চেষ্টা করি, কিন্তু আজকে ডিসিপ্লিন রাখার মতো অবস্থা নেই।
অন্য দিকে গত সোমবার থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছে মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করে বিএনপি। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ উপলক্ষে নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগমে সারা দিন জনসমুদ্রে ভাসতে থাকে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকা।

সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুনসহ মিছিল নিয়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসতে থাকেন। অনেকে ব্যান্ড পার্টি, হাতি ও ঘোড়াও সাথে আনেন।
গত বুধবার সকাল থেকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল। পুলিশ রাস্তায় তাদের দাঁড়াতে দিচ্ছিল না।

বেলা পৌনে ১টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বড় একটি মিছিল নিয়ে ঢাকা-৮ আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কিনতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসেন। ওই সময় কার্যালয়ের সামনে থেকে তার মিছিল সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। তবে কর্মী-সমর্থকেরা সরে না যাওয়ায় একপর্যায়ে পুলিশের গাড়ি মিছিলের ওপর উঠে যায়। ওই সময় কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। এ নিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের বাগি¦তণ্ডার ঘটনা ঘটে। মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ নেতাকর্মীদের ওপর লাঠি চার্জ করে। এ সময় পুলিশের সাথে নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পুলিশ প্যালেট বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় তিনটি মামলায় বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মিরসরাই প্রেস ক্লাব আহবায়ক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠান আয়োজনে গঠিত আহবায়ক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে শুরু হওয়া সভা শেষ হয় ওইদিন সন্ধ্যা নাগাদ।
ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাচনকালীন আহবায়ক কমিটির প্রধান মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় বক্তব্য রাখেন আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. ওয়াজি উল্ল্যাহ, মাষ্টার হেদায়েত উল্ল্যাহ চৌধুরী, কামাল উদ্দিন বিটু ও অধ্যাপক সাইফুল হক সিরাজী।
তারা আগামী দুই বছর মেয়াদের কার্যকরী কমিটি গঠন নিয়ে বিষদ আলোচনা করেন। এছাড়া ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগামী ২০১৯-২০ সালের কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
মিরসরাই প্রেস ক্লাবের নির্বাচনকালীন আহবায়ক কমিটির প্রধান মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, গত ৯ নভেম্বর ২০১৭-১৮ মেয়াদের কমিটি বিলুপ্ত করেন প্রাক্তন সভাপতি শারফুদ্দীন কাশ্মীর। পরে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাধারণ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। আমরা আশা করছি আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন করতে পারবো।

 

দুই-তিন দিনের মধ্যে আ’লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হবে

 

নিউজ ডেস্ক

আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুই-তিন দিনের মধ্যে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে অ্যালায়েন্সের (জোট) সঙ্গে আসন ভাগাভাগীর কাজ শেষ হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জেতার সম্ভাবনা আছে এমন প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। হারের রিস্ক আমরা নেব না।

কাদের বলেন, আমাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রায় শেষ। দেশি-বিদেশি সব সমীক্ষা ও জরিপে দেখা গেছে শেখ হাসিনা জনপ্রিয়তার তুঙ্গে অবস্থান করছেন।

তিনি বলেন, সব জরিপে আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। আমি পাঁচ-ছয়টি জরিপ রিপোর্ট স্টাডি করেছি। আমাদের যারা প্রতিপক্ষ তাদের অবস্থান নিয়েও জরিপ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় আমরা পিছিয়ে আছি, সেসব নির্বাচনী এলাকাতেও আমরা গেছি।

শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না: কবিতা খানম


নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, পৃথিবীর কোনো দেশে শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না, বাংলাদেশেও হবে না। নির্বাচন কমিশন একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবে। যেটা সব প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকবে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন উপলক্ষে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে কবিতা খানম এ কথা বলেন।

কবিতা খানম বলেন, ‘আমরা চাই না এমন কোনো নির্বাচন করতে যার জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। কিন্তু হান্ড্রেড পারসেন্ট (শতভাগ) নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, এটা পৃথিবীর কোনো দেশেই হয় না। আমাদের দেশেও হবে না। সুতরাং আমরা বলতে চাই, একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হবে। যেটা প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকবে।’

নির্বাচন কমিশনার বলেন, দেশে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। এই হাওয়া যেন কোনোভাবেই বৈরী না হয়, এই নির্দেশনা কমিশন থেকে থাকবে। দায়িত্ববোধ নিয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সেটা প্রতিপালন করতে হবে।

কবিতা খানম বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে তুলে আনা অনেক কঠিন কাজ। সবার সঙ্গে সদাচরণ করে, সৎ ব্যবহার করে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু করার দায়িত্ব শুধু নির্বাচন কমিশনের নয়, এটা সবার দায়িত্ব। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কমিশন নির্বাচন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চায়।

অনুষ্ঠানে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘সবার জীবনে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করার এই সুযোগ না–ও আসতে পারে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হবে, এটা ফিক্সড। এই নির্বাচন হবে সব দলের অংশগ্রহণে। তাই নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। আপনারাও আপনাদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করবেন।’ তিনি বলেন, দেশের অনেক জায়গায় এখনো ব্যানার, পোস্টার নামানো হয়নি। ১৮ নভেম্বরের মধ্যে যাতে এগুলো নামিয়ে ফেলা হয় এবং মনোনয়নপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যাতে ব্যানার-পোস্টার লাগানোর সুযোগ পান, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

এত আপত্তি সত্ত্বেও ৩০ ডিসেম্বরই ভোট!

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ২০ দলীয় জোট, বাম দল, চরমোনাই পীর সাহেবের ইসলামী আন্দোলনসহ অধিকাংশ জোট ও দলই নির্বাচন পেছানোর পক্ষে। তারপরও নির্বাচন কমিশন তাদের নিজস্ব যুক্তি দেখাচ্ছেন যে ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন না হলে সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হবে। ড. কামাল হোসেন, শাহদিন মালিক, আসিফ নজরুলসহ বিশেষজ্ঞরা পর্যন্ত বলেছেন যে নির্বাচন ৩০ থেকে পেছানো হলে কোন সমস্যা হবে না।

বৃহস্পতিবার ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানিয়েছেন যে, আগামী ৩০ ডিসেম্বরের পর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচন পেছালে সেটা আইনি জটিলতায় পড়বে। তাই ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বরই ভোটগ্রহণ হবে বলে কমিশন সভায় বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গতকাল নির্বাচন কমিশন ভবনে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি কথা বলেন। গতকাল সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলের সাথে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের তারিখ পেছানোর কথা বলেছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, জানুয়ারিতে অনেক বিষয় আছে। রিইলেকশন করতে গেজেটের ব্যাপার আছে, বিশ্ব ইজতেমার ব্যাপার আছে, সব কিছু মিলিয়ে জানুয়ারিতে করা হলে নির্বাচন আমাদের জন্য অনেক কষ্টদায়ক হয়ে যাবে। বিষয়টি নিয়ে কমিশন বসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানাবে।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ৩ সপ্তাহ নির্বাচন পেছানোর দাবি চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ৩০ ডিসেম্বরের পর নির্বাচন পেছানো ইসির কাছে যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত এবং বাস্তবসম্মত মনে হয়নি। তাই নির্বাচন পেছানের আর কোনো সুযোগ নেই বলে ইসি সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

সচিব বলেন, গতকাল ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ কমিশনের কাছে এসে বেশ কিছু দাবি উপস্থাপন করেছে। সে জন্য আজকে নির্বাচন কমিশন তাদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করেছে এবং নিজেদের ভেতরে বৈঠক করেছেন। বৈঠক করে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, জানুয়ারি মাসে বেশ কয়েকটি আইনি ও সাংবিধানিক বিষয় আছে। যা হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে কাজগুলো করতে হবে। যেমন যদি পুননির্বাচন করতে হয়, উপনির্বাচন করতে হয়, নির্বাচনে অনিয়ম হলে তদন্ত করা, গেজেট প্রকাশ করা, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ইত্যাদি।

তিনি বলেন, এ ছাড়াও বিশ্ব ইজতেমা জানুয়ারির দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। সে সময় লাখ লাখ লোকের নিরাপত্তার জন্য আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্যকে মোতায়েন করা হয়। সব দিক বিবেচনা করে এবং চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ৩০ ডিসেম্বরের পরে নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই বলে ইসি সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদেশী পর্যবেক নয়, আমরা এ দেশের নাগরিক যে ১০ কোটি ৪১ লাখ ভোটার রয়েছেন তাদের বিষয়গুলো আগে বিবেচনা করব। তবে বিদেশী পর্যবেকদের সবসময় আমরা স্বাগত জানাই।

সেনাবাহিনী মোতায়েন সম্পর্কে তিনি বলেন, সকালে আমি বলেছিলাম ২ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেনাবাহিনী নামবে। আসলে আমি যে বিষয়টি বুঝাতে চেয়েছিলাম তা হচ্ছে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেনাবাহিনীর জন্য ১০ দিন আগে থেকে তাদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করবেন। তবে নির্বাচনে কবে কখন কিভাবে সেনা মোতায়েন করা হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার রোববার থেকে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আগামী রোববার থেকে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়া শুরু করবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, মনোনয়নপ্রত্যাশী যারা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হবে ১৮ নভেম্বর। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎকার হবে।

প্রথম দিন রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেবে বিএনপি। সাক্ষাৎকার শুরু হবে রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় জেলা দিয়ে। বিভাগওয়ারি পরবর্তী সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরে জানানো হবে।

রিজভী বলেন, যারা মনোনয়নপ্রত্যাশী কেবল তাদেরই সাক্ষাৎকারে আসতে বলা হয়েছে। জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অথবা মহানগরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন।

এই সাক্ষাৎকার হবে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডে। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরাই পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্য।

একাদশ নির্বাচনে দলের প্রার্থী ঠিক করতে গত ১২ নভেম্বর নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে বিএনপি।

শুক্রবার ফরম কেনা ও জমার শেষ দিনও নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ভিড় করছেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শ্লোগানও দিচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে মোট ৪ হাজার ১১২টি ফরম বিক্রি হয়েছে। আর জমা পড়েছে ১ হাজার ১০৭টি ফরম।

সম্পাদকদের সাথে বৈঠকে বসেছে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা

নিউজ ডেস্ক..
সম্পাদকদের সাথে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বৈঠকে বসেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। শুক্রবার বিকেলে এই বৈঠক শুরু হয়েছে। এতে দেশের প্রথম সারির সব জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদকরা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখ্যপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই বৈঠক প্রসঙ্গে বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা সাংবাদিকদের সাথে কথা বলাটা জরুরী ছিল। এ জন্য জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এক বৈঠক থেকে সম্পাদকদের সাথে বসার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।