মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 653

৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিনিধি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা/জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মোট ৬৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তার মধ্যে ৬৪ জেলায় রিটার্নিং অফিসার হিসেবে থাকবেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার জন্য থাকবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর।

এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ নভেম্বর এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর।

আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন নিয়াজ মোর্শেদ এলিট

মিরসরাই প্রতিনিধি
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম –২৭৮ মিরসরাই –১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভের আবেদনপত্র সংগ্রহ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও সফল সংগঠক জনাব নিয়াজ মোরশেদ এলিট। শুক্রবার সকাল দশ টার দিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির নেতা নিয়াজ মোরশেদ এলিট এর পক্ষে প্রতিনিধিরা এসে এ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাইয়ের উদ্দেশ্যে আজ শুক্রবার (৯ই নভেম্বর )সকাল থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে ১১ই নভেম্বর পর্যন্ত।
এদিন সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন নিয়াজ মোরশেদ এলিট এর পক্ষে তার প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাঁর নির্বাচনী সমন্বয়ক আছিফ রহমান শাহীন সদস্য সবুজ,মোস্তফা,কামাল হোসেন, আবু মুসা ও প্রমুখ সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ কর্মী সমর্থকবৃন্দ।

একাদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন ২ হাজার ৪৫ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের -১ আসনে তিন ক্যাটাগরিতে ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন ২ হাজার ৪৫ জন। এ লক্ষে মিরসরাইয়ের সরকারী, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান থেকে তালিকা পাওয়ার পর ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল তৈরি করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার মিরসরাইয়ের চট্টগ্রামে-১ আসনে ১০৪টি ভোটকেন্দ্রে ৬৪৭টি বুথে (কক্ষ) তিন ক্যাটাগরিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভোট গ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন। এরমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকবেন ১০৪ জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার থাকবেন ৬৪৭ জন এবং পোলিং অফিসার থাকবেন ১২৯৪ জন। এর আগে ১৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য চট্টগ্রামের সকল সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সকল প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থার প্রধানদের কাছে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠানো হয়। চিঠি পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠান প্রধানরা উপজেলা নির্বাচন অফিসে সম্মতি জানিয়ে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য নিজ নিজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা প্রেরণ করেন। এরপর থেকেই উপজেলা নির্বাচন অফিস যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত প্যানেল তৈরির তালিকা চূড়ান্তকরণের কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুজ্জামান বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিরসরাই চট্টগ্রাম-১ সংসদীয় আসনের ১০৪টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য প্যানেল তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। শিগগরিই ভোট গ্রহণের জন্য এ প্যানেল তৈরির কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার এই তিন ক্যাটাগরিতে ২হাজার ৪৫ জন কর্মকর্তাদের তালিকা করা হয়েছে।’উপজেলার বিভিন্ন সরকারি, আধা সরকারি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানান তিনি। এদিকে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে প্রায় ৪১ হাজার ৯২৬ জন বেড়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৯৮২ জন। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১লক্ষ ৫৯ হাজার ৫১৭জন ও মহিলা ভোটার ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৪৬৫ জন। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিরসরাইয়ের চট্টগ্রামের -১ সংসদীয় আসনে ৯৫টি ভোটকেন্দ্র ছিল।সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২লক্ষ ৭৩ হাজার ০৫৬ জন।পুরুষ ভোটার ছিল ১লক্ষ ৩৪ হাজার ৮০৯ জন ও মহিলা ভোটার ছিল ১লক্ষ ৩৮ হাজার ২৪৭ জন।

২০ দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত,যোগ হলো আরো ৩ দল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ২০ দলের বৈঠক হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্তক্রমে ২০ দলীয় জোটের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় দল, পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশ ও মাইনোরিটি জনতা পার্টি জোটের সাথে যুক্ত হয়েছে। বৈঠকের পর এক সংবাদ ব্রিফিঙে বিএনপি মহাচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আজকে ২০ দলে সৈয়দ এহসানুল হুদার নেতৃত্বাধীন জাতীয় দল, জননেতা মশিয়ুর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে রিটা রহমানের নেতৃত্বাধীন পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশ এবং সুপ্রীতি কুমার মন্ডলের নেতৃত্বাধীন মাইনোরিটি জনতা পার্টি আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০ দলের সাথে যুক্ত হলেন।

সংবাদ ব্রিফিঙে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমেদ বীর বিক্রম বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বোর্ডের চিকিৎসকদের অনুমোদন ব্যতিরেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানান। তিনি বলেন, ‘‘ আমরা মনে করি, বেগম খালেদা জিয়াকে তার চিকিৎসা সম্পূর্ণ না করে একটি নির্জন ও পরিত্যক্ত কারাগারে নিয়ে যাওয়া এটা হত্যার ষড়যন্ত্র।আমরা অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।”

অলি নতুন যোগ দেয়া তিন দলকে ২০ দলে যোগ দেয়ায় তাদের অভিনন্দন জানান।

জোটের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমেদ বীর বিক্রম। বৈঠকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জাতীয় পার্টি(কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, জামায়াতের আবদুল হালিম, বিজেপি আন্দালিব রহমান পার্থ, খেলাফত মজলিশের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, আহমেদ আবদুল কাদের, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার তাসমিয়া প্রধান, এনডিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, ইসলামিক পাটির আবু তাহের চৌধুরী, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম , ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা নুর হোসেইন কাসেমী, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম প্রমূখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়ার কারা বন্দিত্বের ৯ মাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে বন্দী জীবনের ৯ মাস পেরোলো আজ। পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্দী রয়েছেন তিনি। তবে বন্দিদশার দীর্ঘ এ সময়ে শারীরিক অবস্থার ক্রমাবনতি হওয়ায় গত ৭ অক্টোবর তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। তার বিরুদ্ধে মোট ৩৬টি মামলা। এসব মামলার বেশির ভাগই তিনি জামিন পান। বেগম জিয়ার বন্দিদশা ঘোচাতে বিএনপির আইনজীবীরা আদালতের বারান্দায় হন্যে হয়ে দৌড়াচ্ছেন। কিন্তু কোনো কিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না। তবে আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি আন্দোলনের মাধ্যমেই তার মুক্তির পথ দেখছে বিএনপি। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিশাল জনসভায় বক্তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন; অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খালেদা জিয়া কবে মুক্তি পেতে পারেন তা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারছেন না আইনজীবীরা। তবে আইনজীবী ও বিএনপির নেতাদের মতে, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি সরকারের ওপরই নির্ভর করছে। সরকারের শীর্ষ মহলের ইশারাতেই তিনি জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন না। জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, সম্পূর্ণ সরকারের ইচ্ছাতেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজকে কারাবন্দী। আসলে দেশের জনপ্রিয় নেত্রীকে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতেই সরকার বন্দী করেছে। ভেবেছে জাতীয়তাবাদী শক্তি তথা বিএনপিকে দুর্বল করা যাবে। কিন্তু তা কোনো দিন সম্ভব নয়। দীর্ঘ দিন বেগম জিয়াকে সুচিকিৎসা দেয়া হয়নি, যা অমানবিক ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। আমরা বারবার বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছি, তাও সরকার গ্রাহ্য করেনি। আমরা বিশ্বাস করি সব বাধা অতিক্রম করে দেশনেত্রী আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।

খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে দীর্ঘ এ সময়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিই পালন করে আসছে বিএনপি। অহিংস কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ রয়েছে দলটি। কারাবন্দী খালেদা জিয়ার সাথে একাধিকবার দেখা করেছেন তার পরিবারের সদস্য ও বিএনপির নেতারা। নির্জন কারাগারে ৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া একাধিবার অসুস্থ হন বলে তার পরিবার ও দলের অভিযোগ। বেগম জিয়া গত ৫ জুন কারাগারে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন বলে জানায় বিএনপি। দলের চেয়ারপারসনের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে বা ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করাতে সরকারের কাছে দাবিও জানায় দলটি। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে একাধিকবার দেখাও করেন দলের সিনিয়র নেতারা। কিন্তু বিএনপির দাবিকে সরকার গুরুত্ব দেয়নি। তবে ৭ এপ্রিল বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সর্বশেষ গত ৭ অক্টোবর তাকে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছিল। তবে গতকাল তাকে ফের কারাগারে নেয়া হয়।

মঙ্গলবারের জনসভায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ। এ সরকার তাকে জেলে মারতে চায়। কিন্তু আমরা নিজেরা জীবন দিয়ে হলেও খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব। আমরা তাকে জেলে মরতে দেবো না। তাকে মুক্ত করে আনব। খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কোনো নির্বাচনও হবে না।

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো: আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেন। ওই দিনই তাকে নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রাখা হয়। দলের চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন ধরনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। এসব কর্মসূচির মধ্যে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ও অনশন, গণস্বাক্ষর, স্মারকলিপি প্রদান, কালো পতাকা প্রদর্শন, লিফলেট বিতরণ, জনসভা, আলোচনাসভা এবং প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। গত মঙ্গলবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে তার মুক্তির জন্য জনসভা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ প্রায় ১০ মাসেও দলের চেয়ারপারসন মুক্তি না পাওয়ায় আইনিপ্রক্রিয়ায় মুক্তির আশা অনেকটা ছেড়ে দিয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। দলের সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতারাও এখন বলছেন, এ সরকার যত দিন মতায় আছে, তত দিন আইনিপ্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পারবেন না। তাকে মুক্ত করতে রাজপথে নামতে হবে। তাদের ভাষায়, যেহেতু রাজনৈতিক কারণে তিনি জেলে আছেন, তাই তাকে রাজনৈতিকভাবেই মুক্ত করতে হবে। কঠোর আন্দোলন করতে হবে। তা না হলে সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না।

আ.লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু


নিজস্ব প্রতিবেদক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আজ শুক্রবার দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে আগ্রহী প্রার্থীরা আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ের নতুন ভবন থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করছেন। মনোনয়ন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। এর আগে মনোনয়ন ফরমের মূল্য ২৫ হাজার টাকা থাকলেও এবার তা ৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষণায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৩ ডিসেম্বর।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর, বাছাইয়ের তারিখ ২২ নভেম্বর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৩ দফা (৩) উপদফা (ক)-এর বরাতে এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি।

দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে উদ্যোমী মিরসরাইয়ের মারকাজুল উলুম মাদ্রাসা

রাহাত আব্দুল্লাহ

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু মারকাজুল উলুম মাদরাসা।যেটি শুদ্ধ আরবি ও ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসা হিসেবে ইতিমধ্য বেশ পরিচিত লাভ করেছেন।বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা প্রায় ৫৫ জন।হাফেজ,কিতাব ও নূরানী বিভাগের জন্য মোট ৫ জন শিক্ষক নিয়মিত পাঠ দান কার্যক্রম পরিচালনা করেন।প্রধান পরিচালকের দায়িত্বে আছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা জমির উদ্দিন।নুরানী বিভাগে রয়েছে ৩০ জন শিক্ষাথী,কিতাব বিভাগে রয়েছেন ৮ জন এবং হাফেজ বিভাগে রয়েছে মোট ১৭ জন।ধীরে ধীরে বাড়ছে শিক্ষার্থী সংখ্যা।

উপজেলার জোরারগঞ্জ বাজারের উত্তর প্রান্তে ঐতিহাসকি ছুটি খাঁ জামে মসজিদের পাশ ঘেঁষে অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে মাদরাসাটির অবস্থান।মাঝখানে একটি খোলা মাঠ দুই পাশে দুইটি টিনের তৈরী বিশাল ঘর।চমৎকার ভাবে সাজানো রয়েছে কক্ষ গুলো।নুরানী বিভাগে প্লে গ্রুপ থেকে ১ম শ্রেণী পর্যন্ত নিয়মিত চলছে পাঠদান কার্যক্রম।দ্বীনের আলোয় আলোকিত করতে ছোট ছোট মাসুম শিশুদের শিখানো হচ্ছে শুদ্ধ ভাবে পবিত্র আল কুরআনের উচ্চারণ।দেওয়া হচ্ছে হাদিস শিক্ষা।
প্লে গ্রুপে প্রবেশ করতেই সুরালো ভাবে সালাম দিলো বাচ্চা গুলো।তারপর কেমন আছ জিঙ্গাসা করতেই সবাই একসাথে গলা মিলিয়ে বললো আলহামদুলিল্লাহ।

মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক মাওলানা জমির উদ্দিন জানান,আমাদের প্রতিষ্ঠানে সহীহ ভাবে কুরআন ও হাদিস শিক্ষা দেওয়া হয়,তিনি আরো বলেন সমাজের নৈতিক অবক্ষয় দূরীকরণে আমাদের দ্বীনি শিক্ষা খুব প্রয়োজন।
বর্তমানে আমাদের সমাজকে মাদক আর অন্যায়,অপরাধ গ্রাস করেছে।এই নৈতিক বিরোধী কর্মকান্ড থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকসুদ আহমদ চৌধুরী বলেন,নৈতিক শিক্ষায় শিশুরা যদি বিকশিত হলে তাহলে তারা দেশ ও সমাজের প্রতিটি নাগরিক উপকৃত হবে।সেই মান উন্নয়নে মাদ্রাসাটি কাজ করছে বলে তিনি জানান।

এই বিষয়ে মাদ্রাসার পরিচালনা বিভাগর সদস্য হাফেজ মাওলানা আরিফুল ইসলাম বলেন,প্রতিটি ঘরে ঘরে কুরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য।তিনি আরো বলেন,মানুষ রাসূল (সা) এর আর্দশে অনুসরণ করলে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না।

অত্র বাজারে,অন্য কোনো কওমী মাদরাসা না থাকায়,মাদরাসাটিতে মুসলমান অভিভাবকদের আকৃষ্ট করছে দ্বীনি শিক্ষায়।নুরুল আবছার নামে এক অভিভাবক জানান,অত্যন্ত মনোরম সুন্দর পরিবেশে এখানে শিশুরা পড়াশুনা করতে পারছে।ইসলাম শিক্ষার বিস্তার যদি আরো ব্যাপক ভাবে ঘটে তাহলে সমাজ থেকে মাদক এবং অপরাধের পাশাপাশি কুসংস্কার আর অন্ধকারচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত হবে এমনটাই মত বিশিষ্টজনদের।

চট্টগ্রামে ‘কুপ্রস্তাবে’ সাড়া না দেয়ায় ৯ ছাত্রীকে ‘ফেল’ করানোর অভিযোগ

 


শিক্ষকের ‘কুপ্রস্তাবে’ সাড়া না দেয়ায় চট্টগ্রাম সিটি (চসিক) করপোরেশন পরিচালিত কৃষ্ণকুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের টেস্ট পরীক্ষায় ৯ ছাত্রীর খাতা আটকিয়ে রেখে ‘ফেল’ কারানোর অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার এর প্রতিকার এবং ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ চেয়ে চসিক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীনের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

বুধবার বিষয়টি তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ওই শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দিয়েছেন।

ওই নয় শিক্ষার্থীর অভিযোগে জানা যায়, নগরের কোতোয়ালী থানাধীন রহমতগঞ্জে অবস্থিত কৃষ্ণকুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়া দশম শ্রেণির ছাত্রীদের বিভিন্ন সময় ‘অনৈতিক প্রস্তাব’ দিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানোর পর দশম শ্রেণিতে পাঠদান থেকে প্রশান্ত বড়ুয়াকে বিরত রাখা হয়।

শিক্ষার্থীদের এসএসসির টেস্ট (নির্বাচনী) পরীক্ষার গণিত বিষয়ে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ২০৪ নম্বর কক্ষে পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়া।

সেদিন তিনি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ নয় ছাত্রীর পরীক্ষার খাতা দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় আটকিয়ে রেখে মানসিক টর্চার করেন। পরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ১০ মিনিট আগে খাতা ফিরিয়ে দেন।

পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়েই সেই ৯ ছাত্রী বিষয়টি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আহমেদ হোসেনকে জানান।

এ প্রসঙ্গে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা বলেন, মেয়র স্কুলের প্রধান শিক্ষককে মোবাইল করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন। আর শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে কীভাবে তাদেরকে পরীক্ষায় সুযোগ দেয়া যায়।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহেদা ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সিটি করপোরেশনকেই দায়িত্ব নিয়ে বিষয়টি সমাধান করতে হবে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করালে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে হবে।

কৃষ্ণকুমারী স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আহমদ হোসেন বলেন, ওই শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। এরপরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে শিক্ষক প্রশান্ত বড়ুয়ার মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

সূত্র পাঠক নিউজ

ফ্ল্যাটে অবৈধ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ: চট্টগ্রামে শ্রমিক লীগ নেতা আটক

নিউজ ডেস্ক..

চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট এলাকায় ফ্ল্যাটে অবৈধ কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে রেলওয়ের কর্মচারী শ্রমিক লীগ নেতা অলিউল্লাহ সুমনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) ভোরে সদরঘাটের পূর্ব মাদারবাড়ি এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন।

রুহুল আমিন জানান, ফ্ল্যাটে অবৈধ কার্যকলাপ চালানোর সময় নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রেলওয়ের কর্মচারী ও শ্রমিক লীগ নেতা অলিউল্লাহ সুমনও রয়েছেন।

জানা যায়, অলিউল্লাহ সুমন এক আতঙ্কের নাম। রেলওয়ে শ্রমিক লীগ নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এবং বড় ভাই জামায়াত সমর্থিত রেল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি হওয়ার সুবাদে কাউকে পরোয়া করেন না তিনি। অফিস ফেলে দলবল নিয়ে ঘুরে বেড়ান। আতঙ্ক ছড়ান। তার বিরুদ্ধে কথায় কথায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গালাগাল করার অভিযোগ রয়েছে। প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ-বাণিজ্য করে তিনি এখন কোটিপতি।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সিটিএম অফিসে পিয়ন পদে চাকরিতে যোগদান করা সুমন এখন প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী দাবি পরিদর্শক (এসিআই, গ্রেড-২)। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তদন্ত করছে।

শেখ হাসিনাকেও আদালতে হাজির করতে বললেন খালেদা জিয়া

বিশেষ প্রতিনিধি

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদালতে হাজির করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার এই মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ছিল। এতে হাজির হয়ে খালেদা জিয়া আদালতে এই দাবি করেন।

শুনানি শেষে এই আদালতের বিচারক মাহমুদুল কবির আগামী বুধবার (১৪ নভেম্বর) এই মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। ঢাকা বিশেষ আদালত-৯–এ এই মামলার বিচারকাজ চলছে।

শুনানিতে খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও নাইকো দুর্নীতি মামলায় আসামি ছিলেন। কাজেই তাঁকেও এখানে হাজির করা উচিত।

এ সময় বিচারক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মামলার আসামি নন। কাজেই তাঁকে এখানে হাজির করানোর কোনো প্রশ্ন ওঠে না।’

এরপর এই মামলার অন্যতম আসামি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন। প্রথমে মওদুদ আহমদ আজ শুনানি না করার জন্য আদালতে একটি দরখাস্ত করেছিলেন। কিন্তু আদালত সে দরখাস্ত নামঞ্জুর করে তাঁকে শুনানিতে অংশ নিতে নির্দেশ দেন।

আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে কারাগারে নেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল থেকে আজই তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে আদালতে আনা হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে খালেদা জিয়াকে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছিলেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। আসামিপক্ষ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে হাইকোর্ট ওই বছরের ৯ জুলাই এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং রুল দেন। প্রায় সাত বছর পর ২০১৫ সালের ১৮ জুন হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। পরে ওই বছরের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক আমিনুল ইসলাম ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।