সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 654

খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার আদালত অবমাননা হয়েছে : সুপ্রিমকোর্ট বার


নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়ার পর আদালতকে অবহিত না করেই তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে নেয়ার ঘটনায় আদালত অবমাননা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউ হাসপাতাল থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের কারণে বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জয়নুল আবেদন এই দাবি জানান।

বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের অন্যতম সদস্য জয়নুল আবেদীন বলেন, গত ৬ নভেম্বর খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করার জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম কিন্তু আজ পর্যন্ত সে আবেদন তারা গ্রহণ করেনি। আজ সকালে খবর পেলাম, মাত্র আধা ঘন্টার নোটিশে তাকে ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজসহ আদালতকে কিছুই না জানিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা তার আইনজীবী। আমাদেরকে বিষয়টি জানানো উচিৎ ছিলো।

তিনি আরো বলেন, মূলত আদালতের নির্দেশের পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। তাই কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আদালতকেও অবহিত করেনি। সেরকম কোন নোটিশ দেয়া হয়নি। এটা দুঃখজনক। এতে বিচার বিভাগের আদেশ অবজ্ঞা করা হয়েছে। সরকার এ আদেশ অবজ্ঞা করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জয়নুল আরও বলেন, বিনা চিকিৎসায় সরকার খালেদা জিয়াকে মেরে ফেলতে চাইছে। এতে আমাদের আইনজীবীদের এবং দেশের সাধারণ মানুষের মনে উৎকন্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ হবে কিনা বা আদৌ নির্বাচন হবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপকালে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গতকাল দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংলাপ শেষে বলা হয়েছে, তফসিল হলেও আলোচনা চলবে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা না করিয়ে সরকার তাকে কারাগারে পাঠানোয় আর কি আলোচনা হবে?

সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, খালেদা জিয়াকে আবার হাসপাতালে ফিরিয়ে নিতে আমরা সরকারকে অনুরোধ করছি। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত বোর্ড না বলা পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে রাখারও অনুরোধ করছি। আমরা এজন্যই একটি স্বাধীন ও ইউনাইটেড হাসপাতালে তার চিকিৎসার আবেদন জানিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি খালেদা জিয়ার পছন্দনীয় চিকিৎসকদের দিয়ে তার চিকিৎসা করানোর। আর যেহেতু রাজনৈতিক মামলায় তাকে সাজা দেয়া হয়েছে তাই খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইছি।

আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সঞ্চলানায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তাফা, ট্রেজারার নাসরিন আখতার, সহ সম্পাদক কাজী জয়নাল আবেদীন, এড আহসান উল্লাহ, মাহফুজ বিন ইউসুফ, ব্যারিস্টার শফিউল মাহমুদ, এবিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, আইয়ুব আলী আশ্রাফী, আনিছুর রহমান খান প্রমুখ।

হাসপাতাল থেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে খালেদা জিয়াকে


বিবিসি বাংলা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে খালেদা জিয়ার নাইকো মামলার শুনানি চলছে। তাকে এখন সেখানে হাজির করা হয়েছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

এ কারণে আজ সকাল থেকেই হাসপাতাল ও কারাগার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশে গত ৬ই অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

এক মাস দুই দিন চিকিৎসা নেয়ার পর আজ তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হল।

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক আবদুল্লাহ আল হারুন।

এখন থেকে হাসপাতালেই তার চিকিৎসা চলবে বলে জানান তিনি।

এদিকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন, যে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ছাড়পত্র দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

গত ৩০ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেছে হাইকোর্ট।

এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এই মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।

আদালতে যা বললেন খালেদা জিয়া

 


নিজস্ব প্রতিবেদক

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পুরাতন কারাগারে নেওয়া হয়েছে। আদালত অভিযোগ গঠনের শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন ১৪ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৯-এ এই অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদালতে হাজির করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার এই মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানিতে হাজির হয়ে খালেদা জিয়া আদালতে এই দাবি করেন।

শুনানিতে খালেদা জিয়া বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও নাইকো দুর্নীতি মামলায় আসামি ছিলেন। কাজেই তাঁকেও এখানে হাজির করা উচিত।

এ সময় বিচারক বলেন,‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মামলার আসামি নন। কাজেই তাঁকে এখানে হাজির করানোর কোনো প্রশ্ন ওঠে না।’

এসময় বেগম খালেদা জিয়া আদালতকে বলেন,‘আমি অসুস্থ, হুইল চেয়ারে বসে থাকতে পারছি না।’

বেলা ১১:৪০ মিনিটে শুরু হয়ে বেলা সোয়া একটা পর্যন্ত আদালতে শুনানি চলে। আদালতে খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে বসিয়ে উপস্থিত করা হয়।

এরপর এই মামলার অন্যতম আসামি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন। প্রথমে মওদুদ আহমদ আজ শুনানি না করার জন্য আদালতে একটি দরখাস্ত দেন। কিন্তু আদালত সে দরখাস্ত নামঞ্জুর করে তাঁকে শুনানিতে অংশ নিতে নির্দেশ দিলে মওদুদ আহমদ নিজের পক্ষে নিজেই শুনানিতে অংশ নেন।

শুনানিতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া ও অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান। অন্যদিকে রাষ্টপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল। মামলার অন্য আসামী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নিজের পক্ষে নিজেই শুনানি করেন।

মিরসরাইয়ে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ রাশেলকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ। গতকাল উপজেলার বারইয়ারহাট বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রাশেলকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আবেদ আলী।

ছাত্রদল নেতা রাশেলকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর, গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক শরফু উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম মাসুদ,সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদুল ইসলাম প্রমুখ।

সংলাপ ফলপ্রসূ হয়নি, আন্দোলন চলবে : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সংলাপ ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংলাপ শেষে তিনি এ কথা বলেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সংলাপ পুরোপুরি ফলপ্রসূ হয়নি, আলোচনা ও আন্দোলন একসাথেই চলবে। তারা একগুয়েমি ছাড়েনি। তবে আরো আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

আজ বুধবার বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংলাপ শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর ২টার কিছু পরে।

এদিকে সংলাপে সমঝোতার লক্ষ্যে ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে- যে কোনো মূল্যে খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনীকালীন সরকারে ঐক্যফ্রন্ট থেকে স্বরাষ্ট্রসহ চারমন্ত্রী, তফসিল ঘোষণা পেছানো এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

এছাড়া নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও আসামিদের সংখ্যার তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিয়েছে বিএনপি।

বুধবার বেলা ১১টায় ঐক্যফ্রন্ট-প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ তালিকা তুলে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ঐক্যফ্রন্টের সাথে গণভবনে প্রথম দফায় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয় ১ নভেম্বর। ঐক্যফ্রন্টের ২০ জনের প্রতিনিধি দল সাত দফা দাবি নিয়ে সংলাপে অংশ নেয়। আর প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের সভাপতি হলেন এম মোর্শেদ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা এম মোর্শেদ। ফোরামের সকলের মতামতের ভিত্তিতে তাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি সংগঠনের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।


সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা শেখ খুরশেদ আলম জানান, মিরসরাইয়ের বাসিন্দা আরব আমিরাতে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরাম সংযুক্ত আরব আমিরাত গঠন করা হয়। সম্প্রতি ফোরামের সকলের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এম মোর্শেদকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।
এম মোর্শেদের বাড়ি মিরসরাই উপজেলার ৪ নং ধুম ইউনিয়নের নাহেরপুর গ্রামে।

খালেদা জিয়া ও আমির খসরুর মুক্তির দাবীতে মিরসরাইয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

মিরসরাই প্রতিনিধি
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ কারাবন্দি সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদল। বুধবার (৭ নভেম্বর) উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম উদ্দিনের সঞ্চানায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম মাসুদ,সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদুল ইসলাম, ইছাখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক আবু রুম্মান, উপজেলা ছাত্রদল নেতা সালমান হায়দার, ওছমানপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মীর মোরশেদ তুহিন, মিঠানালা ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি পারভেজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তারেক হোসেন, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ভূঁইয়া, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেন, করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে আগামী নির্বাচনে মাইনাস করার স্বপ্ন আওয়ামীলীগের কোনদিনও পূরণ হবে না। অবিলম্ভে খালেদা জিয়া, আমির খসরুসহ সকল রাজবন্দিকে মুক্তি দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় আগামীতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

 

জিম্বাবুয়ের কাছে ১৫১ রানে হারলো বাংলাদেশ

Zimbabwe cricketers congratulate teammate Wellington Masakadza (3rd L) after the dismissal of the Bangladesh cricketer Taijul Islam during the fourth day of the first Test cricket match between Bangladesh and Zimbabwe in Sylhet on November 6, 2018. (Photo by MUNIR UZ ZAMAN / AFP)

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সিলেটের অভিষেক টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে ১৫১ রানের বড় ব্যবধানে হারলো স্বাগতিক বাংলাদেশ। ফলে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারী জিম্বাবুয়ে। জয়ের জন্য ৩২১ রানের টার্গেটে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৯ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

দিনের শুরুতে ২৩ রানে সাজঘরে ফিরেন লিটন দাস। এরপর একে একে ইমরুল কায়েস ৪৩, মুমিনুল হক ৯, অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৬ ও নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩, উইকেটরক্ষক ও সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ১৩, আরিফুল হক ৩৮, মেহেদি হাসান মিরাজ ৭, তাইজুল ইসলাম-নাজমুল ইসলাম শূন্য রানে আউট হন।

বল হাতে জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্র্যান্ডন মাভুতা ৪টি, সিকান্দার রাজা ৩টি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ২টি ও কাইল জার্ভিস ১টি উইকেট নেন।

প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে ২৮২ ও বাংলাদেশ ১৪৩ রান করেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ছিল ১৮১ রান।

মিরপুরে আগামী ১১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

যে স্লোগানটি নেতা-কর্মীদের নজর কেড়েছে


নিউজ ডেস্ক..
ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভাস্থল ইতোমধ্যে নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। এছাড়া ঢাকা ও তার আশে-পাশের জেলাগুলো থেকে নেতা-কর্মীরা বিশাল মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে আসছেন। রঙ বেরঙের ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

স্লোগানে স্লোগানে নেতা-কর্মীরা তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন। ‘আমার নেত্রী আমার মা, জেলে থাকতে দিব না’, ‘বন্দি আছে আমার মা, ঘরে ফিরে যাবো না’, ‘হামলা করে আন্দোলন- বন্ধ করা যাবে না’- ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন। তবে একটি স্লোগান সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সেটি হলো ‘জেলে নিলে আমায় নে, আমার মাকে ছেড়ে দে’ বুকে সাদা অক্ষরে লেখা এই স্লোগানটি নেতা-কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এছাড়া মাথায় কাপড়ের ব্যান্ডে ও স্লোগান লেখা রয়েছে। এরকম ব্যতিক্রমি স্লোগানধারী জনসভার মঞ্চের সামনেই অবস্থান করছেন।

১৯৯০ সালে ১০ নভেম্বর ঢাকার গুলিস্তানে জিপিও এর সামনে নূর হোসেন তার বুকে পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ স্লোগান লিখে মিছিল করেন। পরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। নূর হোসেনের শহীদ হওয়ার পরেই স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের সূচনা হয়।

ঠিক ২৮ বছর পর এই নভেম্বর মাসেই আবারো সে রকম একটি স্লোগান নিয়ে জনসভায় হাজির হওয়ায় উপস্থিত নেতা-কর্মী ও মিডিয়ার নজর কেড়েছে এই স্লোগানটি।

এদিকে জনসভা শুরু হওয়ার কথা দুপুর দুই টায়। কিন্তু সকাল থেকেই জনসভায় আসতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে জনসভাস্থল প্রায় পরিপূর্ণ।

সকাল ১০টা থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থান নেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে নেতাকর্মী-সমর্থকদের ভিড়।

দুপুর সাড়ে বারো টার দিকে দেখা যায়, মঞ্চের সামনের জায়গা বিএনপির নেতাকর্মীতে পরিপূর্ণ। তাঁদের উজ্জীবিত রাখতে সংগীত পরিবেশন করছেন জাসাসের শিল্পীরা।

সমাঝোতার নামে নাটক করলে চলবে না : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিনিধি

আমরা সংলাপে বিশ্বাস করি, সমাঝোতায় বিশ্বাস করি, আমরা চাই শান্তিপূর্ণ সমাধান। কিন্তু সংলাপের নামে কোন নাটক করা চলবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ সভাপতির বক্ত্যবে এই কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন সহ সকল রাজবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্যারালে মুক্তি চায় না। ১/১১ সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনা প্যারালে মুক্তি নিয়ে বিদেশে গিয়েছিলেন। আমাদের নেত্রী জাননি। আমাদের নেত্রীর এভাবে মুক্তি নিয়ে দেশের বাইরে যাওয়ার কোন ইচ্ছে নেই। যতদিন তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দেওয়া হবে ততদিন আন্দেলন চলবে। জনগনকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তারা চাইলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এই কথা বলেন।

এর আগে গত রোববার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্য নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, খালেদা জিয়া যদি প্যারোলে তাহলে আলোচনার পথ খোলা আছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হতেই পারে। তবে তার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপি অনেক রাজনীতি করেছে। তিনি বলেন, সংলাপে আমরা আর বেশি সময় দিতে চাচ্ছি না। কারণ এখন তো আমাদের ইলেকশন রিলেটেড কিছু কাজ করতে হবে।