সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 658

মিরসরাইয়ে শাহ আলম হত্যাকারী মো. সোহেল গ্রেপ্তার


মিরসরাই প্রতিনিধি::
মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুরে শাহ আলম নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার সাথে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে সংঘটিত ওই হত্যাকান্ডের ১৬ঘন্টার মধ্যে ঘাতক সোহেলকে চট্টগ্রাম শহরের অলংকার থেকে গ্রেফতার করেছে মিরসরাই থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সোহেল ওই এলাকার এরাদুল হকের পুত্র।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল জানায়, শাহ আলমের সাথে আগে থেকে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বন্ধ ছিলো। আর তাই শাহ আলমকে উচিত শিক্ষা দেয়ার জন্য অনেকদিন ধরে সে অপেক্ষায় ছিলো সোহেল এবং রায়হান। মূলত রায়হানের মদের ব্যবসায় বাধা দেয়ায় শাহআলম রায়হানেরও নজরে ছিলো অনেকদিন ধরে। গত বুধবার মিরসরাইয়ের পাহাড়ী এলাকায় শাহ আলমকে পেয়ে মারধর করে রায়হান ও সোহেল। তবে জানে মেরে ফেলা তাদের উদ্দেশ্য ছিলোনা বলে পুলিশকে জানায় সোহেল।
এএসপি সার্কেল (মিরসরাই) আবু ছালেহ মো. শামছুদ্দীন ও মিরসরাই থানার ওসি জাহেদুল কবির জানান, মূলত সোহেল অলংকার এলাকায় গিয়েছিলো অন্যত্র সটকে পড়তে। কারন চট্টগ্রামের ওই এলাকা থেকে সারা দেশে যাওয়ার গাড়ি পাওয়া যায়। আর অল্প হলে হয়ত সোহেলকে গ্রেপ্তার করা কষ্টকর হয়ে যেতো।


উল্লেখ্য চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পূর্ব শত্রæতার জের ধরে রগ কেটে শাহ আলম (২৫) কে হত্যা করা হয়। সে মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর গ্রামের আলী আকবরের ছেলে। বুধবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওয়াহেদপুরের পাহাড়ের পাদদেশে তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পাওয়া যায়।
এই ঘটনায় শাহ আলমের চাচা জসীম উদ্দীন বাদি হয়ে সোহেল, রায়হান ও অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামী করে মিরসরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।

সংলাপে ২ জোটের ৪৩ নেতা

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুসহ নানা ‘জটিলতা’র সমাধান খুঁজতে সংলাপে বসেছেন দুই জোটের ৪৩ নেতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ধ্যায় গণভবনে অংশ নিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।

এতে অংশ নিতে সন্ধ্যা ছয়টার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল গণভবনে একে একে প্রবেশ করেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ১৪ দলের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধিরাও সংলাপে অংশ নিতে গণভবনে উপস্থিত হন।

ঐক্যফ্রন্টের ২০ প্রতিনিধির মধ্যে রয়েছেন- গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসীন মন্টু, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সহসভাপতি তানিয়া রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এস এম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আ ব ম মোস্তফা আমিন, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, জগলুল হায়দার আফ্রিক ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিক উল্লাহ।

অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই সংলাপে অংশ নিয়েছেন ১৪ দলীয় জোট থেকে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া অন্যরা হলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, আবদুল মতিন খসরু, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দীপু মনি, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।

তফসিলের সিদ্ধান্ত রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক

একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে এসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, তফসিল নিয়ে কোনো কথা হয়নি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। এটি ছিল একটি অবহিতকরণ সাক্ষাৎ। সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্টকে সবকিছু অবহিত করতে এ ধরণের সাক্ষাৎ করতে হয়। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে ৪ঠা নভেম্বরের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে।  এক প্রশ্নে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সকল রাজনৈতিক সংলাপের প্রতি ইসি আস্থাশীল।

এর আগে আজ বিকাল ৩টা ৩৫ মিনিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে অপর চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। সাক্ষাতের জন্য বিকাল ৪টায় সময় নির্ধারিত রয়েছে বলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন। প্রায় দেড় ঘন্টার বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ৫টা ২০ মিনিটে বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে আসেন। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষণ গণনা শুরু হওয়ার পর নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে নির্বাচন কমিশনে। এর আগে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের এ আনুষ্ঠানিকতা শেষ করছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।।

সিদ্ধান্ত হবে সংবিধানের আলোকে – তোফায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সাত দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য নিয়ে সংলাপে বসবে। এ সংলাপে যে কোনও বিষয় নিয়েই আলোচনা হতে পারে। তবে সিদ্ধান্ত হবে সংবিধানের আলোকে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় সংলাপ ব্যর্থ হলে ভবিষ্যত কী? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যত সুনির্দিষ্ট, লক্ষ্য এক। একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এ নির্বাচনের তত্ত্বাবধায়নে থাকবে নির্বাচন কমিশন। আমরা সবাই  সেই নির্বাচনে অংশ নেবো।

সংলাপের ডিনারের বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আতিথেয়তা পরায়ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অতিথি আপ্যায়ন পছন্দ করেন। এটি ভদ্রতা। এ নিয়ে প্রশ্ন বা বিতর্ক সৃষ্টি করা ঠিক না। এ সময় সাজানো মামলায় নেতাকর্মীদের কারাগারে রাখা হচ্ছে বিএনপির পক্ষ থেকে ওঠা এ ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, কারো নামে সাজানো কোনও মামলা নেই।  তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সাজানো ঘটনা, ২৪ জনের প্রাণহানি সাজানো বিষয়?’

বিএনপির দাবি অনুযায়ী রাজবন্দিদের মুক্তি দানের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কোনও রাজবন্দি নেই। বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন, আমরাও জেলে ছিলাম। আমাদের বিরুদ্ধে কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল না। আমরা ছিলাম রাজবন্দি। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ তাদের দলের অন্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা রয়েছে। সে মামলায় তাদের সাজা হয়েছে। কাজেই কেউ রাজবন্দি নন।

বিএনপির অনশনে মান্না-রতন

ছবি: সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির গণঅনশনে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন।

বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নাট্যমঞ্চের সামনে এই অনশন কর্মসূচি শুরু হয়।

দুপুরে গণঅনশনে একাত্মতা জানিয়ে মান্না বলেন, খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে নির্বাচনী ধান্ধা করা যাবে না। সাত দফা দাবির ভিত্তিতে সংলাপে আলোচনা হবে। দাবি না মেনে, ফয়সালা না করে কোনো তফসিল ঘোষণা করা যাবে না।

আব্দুল মালেক রতন প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আজকের সংলাপে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি মেনে নিন। অন্যথায় জেলের তালা ভেঙে তাকে মুক্ত করার নজির সৃষ্টি হবে।

অনশন কর্মসূচিতে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে উপস্থিত আছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, আতাউর রহমান ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ২০ দলীয় জোটের শরিক লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মহিউদ্দিন ইকরাম।

খালেদা ভক্তের অন্য রকম প্রতিবাদ

রিজভী হাওলাদার। গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল। খালেদা জিয়ার একনিষ্ঠ ভক্ত।  নারায়ণগঞ্জে বসবাস করলেও সারাদিন পড়ে থাকেন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে। খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকে কাফনের কাপড় পড়ে ঘুরে বেড়ান। বিএনপির যেকোন সভা সমাবেশে সবার আগে উপস্থিত হন কাফনের কাপড় পরে। বিএনপি চেয়ারপারসন মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত এভাবে কাফনের কাপড় পরে প্রতিবাদ জানানোর প্রত্যয় তার।
রিজভী হাওলাদার মানবজমিনকে বলেন, প্রতিদিন সকাল ৭ টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকার নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয়ে আসি। সারাদিন সেখানেই থাকি। রাত ১১ টার দিকে ফিরে যাই।

কর্মসূচি না থাকলে কাফনের কাপড় খুলে সাধারণ পোশাকে থাকেন তিনি। তবে বড় কোন কর্মসূচির দুই একদিন আগে থেকেই কাফনের কাপড় পড়ে ঘুরে বেড়ান।

তিনি বলেন, যেদিন খালেদা জিয়া মুক্তি পাবে সেদিন তিনি কাফনের কাপড় ছাড়বেন।
বৃহস্পতিবার মহানগর নাট্যমঞ্চে বিএনপির গণঅনশনে দেখা যায় রিজভী হাওলাদার গায়ে কাফনের কাপড়, মাথায় লাল কাপড় ও গলায় একটি প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মাথায় লাল কাপড় একটু ফিতা দিয়ে বেধে দেয়া। যাতে লেখা খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। গলায় ঝুলানো প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে তারেক রহমানের অবৈধ সাজা প্রত্যাহার কর, করতে হবে।

মহানগর নাট্যমঞ্চের অনশন কর্মসূচি শুরু হওয়ার প্রায় ঘন্টা খানেক আগেই চলে আসেন রিজভী হাওলাদার। কর্মসূচি চলাকালীন পুরো নাট্যমঞ্চ এলাকায় ঘুরে বেড়ান। নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে সেলফি তোলেন। বিএনপির সকল বড় কর্মসূচিতে একই বেশে দেখা যায় রিজভী হাওলাদারকে।

– মানবজমিনের সৌজন্যে

 

৬ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার পেল যে নম্বর

প্রাইজবন্ডের ৯৩তম ড্র অনুষ্ঠিত

১০০ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ৯৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলনকক্ষে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ০৪২০২২৪। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) এই ‘ড্র’ পরিচালিত হয়। বর্তমানে প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের ৫৩টি (তিপ্পান্ন) সিরিজ যথা: কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ এবং গক এই ‘ড্র’–এর আওতাভুক্ত। উক্ত সিরিজসমূহের অন্তর্ভুক্ত ৪৬টি (ছেচল্লিশ) সাধারণ সংখ্যা পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

প্রাইজবন্ডের ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার দ্বিতীয় পুরস্কারের নম্বর ০০৭৫৩৭৪। ১ লাখ টাকা করে দুটি ৩য় পুরস্কারের নম্বর ০৩২৮৬৪২ ও ০৬৮৫৭৫৫। ৫০ হাজার টাকা করে দুটি চতুর্থ পুরস্কারের নম্বর ০৫২৪২৩৯ ও ০৫৮৩১১০। আর ১০ হাজার টাকা করে ৪০টি পঞ্চম পুরস্কারের নম্বর ০০০৭৫৯১, ০২৯০৭৭৮, ০৪৮০৫৩৪, ০৬৭১৭৬১, ০৮৩৮০৫৭, ০০৩৯৮৯০, ০৩০৮৭৩২, ০৪৮৮০৯৮, ০৬৮৫৮৪৭, ০৮৯১৪৬২, ০০৭২৪২৭, ০৩৯৩০৭৫, ০৫২৬১৮৪, ০৬৯৩৩৭৮, ০৯১৩৫৯২, ০০৭৫৬৮৯, ০৪২২০৩৬, ০৫৩২২৮৯, ০৭৪১১৯৩, ০৯২৬২৪৪, ০১১২২৫৪, ০৪৩০০২১, ০৫৭২৯৯৯, ০৭৬৮১২৮, ০৯৩৪৮৪০, ০১১৮৩৫৪, ০৪৫২৫৫০, ০৬৫০৩৪০, ০৭৭৮৪০৫, ০৯৫২১৭৮, ০২১৫৫২৫, ০৪৫৬৭৩১, ০৬৫৩২৩৯, ০৭৯৪৩৬০, ০৯৮২১৬৫, ০২৬৬৩৬৭, ০৪৬৭৮৮৮, ০৬৫৩৯৮০, ০৮১৫৯৮৪, ০৯৮৮৭৭৯।

আগামী নির্বাচনেে কোন কিছুই নিশ্চিত নয় – লয়েড গ্রিন

ডেস্ক রিপোর্ট :

ষোল কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথে। ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে অবস্থিত দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করেছে। এছাড়া মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে।
উত্তাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে বেড়ে উঠা, দারিদ্র্য হ্রাস ও নারী ক্ষমতায়নে সক্ষম হয়েছে। এ বছর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যেমনটা বলেছে, ‘একটি নিম্ন-আয়ের দেশ থেকে মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’
হ্যাঁ, জোয়ারে সব নৌকাই সামনে যায়। যারা বাংলাদেশ সম্পর্কে তেমন জানেন না, তাদের জন্য বলছি, বাংলাদেশের অর্থনীতি গত ১০ বছরে গড়ে ৬ শতাংশ হারে বেড়েছে। এ বছর ও আগামী বছরের মধ্যে ৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
অপরদিকে দারিদ্র্যের হার ১৫ শতাংশের আশেপাশে। ১৯৯১ সালে এই হার ছিল ৪৫ শতাংশ। ৮ বছর আগেও এই হার ১৮ শতাংশ বেশি ছিল।

সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ২০০৮ সালে ছিল মাত্র ৭৫ কোটি ডলার। ২০১৭ সালে তা ১৭০ কোটি ডলার। অর্থাৎ দ্বিগুনেরও বেশি।
এই সাফল্যের নেপথ্যে কী আছে? অর্থনীতিবিদরা বলতে চান, মানুষ খরচ করা বাড়িয়েছে। বিনিয়োগ বেড়েছে। কর্মক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা বিস্তৃত হয়েছে। এক দিক থেকে চিন্তা করলে, আধুনিকতা জেকে বসেছে। আর বাংলাদেশীরাও স্রোতে তাল মিলিয়েছে।
এছাড়া, কৃষিখাতও অর্থনীতিকে আর অতো নিয়ন্ত্রণ করে না। উৎপাদন ও সেবা খাত এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি। চীনের পর বিশ্বের তৈরি পোশাক বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের সমাহার দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের দোকানগুলোর তাকে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সাল থেকে সরকারের নেতৃত্বে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ধর্মীয় উগ্রপন্থার বিস্তৃতি ঠেকিয়েছে। তা-ও এমন একটি দেশে যেখানে মুসলিমদের হার অত্যধিক বেশি। যে-ই দেশটি কিনা বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মুসলিম দেশ।
নারী শিক্ষা ও তাদেরকে জনসম্মুখে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে জোর নজর দিয়েছেন হাসিনা। জনস্বাস্থ্যও অগ্রগতি করেছে। বাংলাদেশে এখন সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল ৭২ বছর। ভারতে যা ৬৮ ও পাকিস্তানে ৬৬।
সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশের বেসরকারী সংস্থাগুলোও এজন্য কৃতিত্বের দাবিদার। জনসম্পৃক্ততাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের অর্জন যে কারণে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তা হলো ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের মানুষ জনপ্রতি খরচ করে কম।
আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের একটি জরিপে দেখা যায়, ৫ জনের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশীই মনে করেন দেশ সঠিক পথে রয়েছে। অর্থনীতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রতি ১০ জনের ৭ জন। এই দিক থেকে চিন্তা করলে, প্রধানমন্ত্রী ও তার ১৪ দলীয় মহাজোট সরকারের ফের ক্ষমতায় আসার জোরালো সম্ভাবনা থাকার কথা। কিন্তু, আসছে নির্বাচনে কোনো কিছুকেই নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
২০১৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচন বর্জন করলেও আগামী নির্বাচনে সংসদের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিরোধী দলগুলো সম্ভবত লড়বে। আইআরআই’র ওই জরিপেই দেখা গেছে গণতন্ত্র নিয়ে জনসন্তুষ্টি কমেছে।
দেশের দারুণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষিত সত্ত্বেও, এই গ্রীষ্মেই দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলন হয়েছে। সরকারের যদিও ব্যাক-আপ ছিল। এছাড়া দেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতির প্রতি আস্থা সামগ্রিকভাবে কমেছে, যেখানে কিনা মানুষজন ঐতিহাসিকভাবেই গণতন্ত্রকামী। ১৯৯১ সালে ১৬ বছরের সামরিক শাসন ছুড়ে ফেলেছে মানুষ।
মানুষের জীবনযাত্রার মান যত বাড়বে, তাদের মধ্যে বর্ধিত স্বাধীনতা, সুশাসন ও উন্নত জীবনের চাহিদাও তত বাড়বে। ফ্রিডম হাউজের মতে, বাংলাদেশ এখন ‘আংশিক মুক্ত’ দেশগুলোর একটি। বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান, নেপাল ও মালয়েশিয়া। ফলশ্রুতিতে, যারাই আগামী নির্বাচনে জিতবে তাদেরকেই এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। আর বিশ্বও সব কিছুর দিকে নজর রাখবে। প্রধানমন্ত্রী পুনর্নিবাচিত হওয়ার আর্জি জানাবেন। কিন্তু নির্বাচন হলেই উদারীকরণের চাহিদা শেষ হবে না। নিজের দাবিকে তুলে ধরার নিজস্ব পন্থা আছে স্বাধীনতার।
(লয়েড গ্রিন একজন মার্কিন আইনজীবী। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের ১৯৮৮ সালের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে মিডল ইস্ট পলিসি গ্রুপের স্টাফ সেক্রেটারি ছিলেন। এছাড়া ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ পর্যন্ত মার্কিন বিচার বিভাগে কাজ করেছেন। তার এই নিবন্ধ এশিয়া টাইমসে প্রকাশিত হয়েছে।)

নৈশভোজে অংশ নেবে না জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে অংশ নিলেও নৈশভোজে অংশ নেবে না ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের টেলিফোনে ঐক্যফ্রন্ট নেতা মোস্তফা মহসিন ম্টুকে গণভবনে সংলাপের পর নৈশভোজে অংশ নেয়ার আমন্ত্রণ জানান। উত্তরে মন্টু মন্ত্রীকে জানান, এ বিষয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন। এরই প্রেক্ষিতে বুধবার রাতে নৈশভোজে অংশ না নেয়ার কথা জানিয়েছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, সংলাপে যাচ্ছি। সেটার আগে সফলতা আসুক, পরেও খাওয়া যাবে। এখানে অন্য কারণ খোঁজার কিছু নেই।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, একটি ক্রাইসিস মুহূর্তে সংলাপে যাচ্ছি আমরা। সেখানে নৈশভোজের তো কিছু নাই। আমরা যাব আলোচনা করতে, রাতের খাবার গ্রহণ করতে নয়। তিনি বলেন, খাবার খাওয়ার তো সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে না, সামনে আরো অনেক সময় আছে তখন খাওয়া যাবে। আগে সংলাপে ভালো কোনো ফলাফল আসুক তখন আমরা খাব

মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

::মিরসরাই প্রতিনিধি::

মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর এলাকায় শাহ আলম নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত শাহ আলম ওই এলাকার আলী আকবরের পুত্র।

সূত্রে জানা গেছে, শাহ আলমের সাথে কিছুদিন ধরে একই এলাকার কয়েকজন ছেলের সাথে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। বুধবার সন্ধ্যায় তাকে পাহাড়ের পাদদেশে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রেখে যায়। পরে অাশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন মিরসরাই থানার ওসি (তদন্ত) বিপুল দেবনাথ বলেন, হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে যাই। এখন লাশের সাথে হাসপাতালে রয়েছি। বিস্তারিত পরে জানাতে পারবো।