সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 659

ল্যাব টেকনিশিয়ান হয়েও রোগী দেখেন তিনি!

 


নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রাতিষ্ঠানিক কোন সনদপত্র নেই, নেই কোন দক্ষতা, তারপরও চিকিৎসক সেজে রোগী দেখেন তিনি। তার নাম রুহি দাশ। বাড়ি সীতাকুন্ড উপজেলার সুলতানা মন্দির এলাকায়। পেশায় একজন ল্যাব টেকনেশিয়ান। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সহজ সরল রোগীদের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছে রুহি দাশ নামের ল্যাব টেকনিশিয়ান। রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দেয়ার বৈধ কোন প্রাতিষ্ঠানিক সনদপত্র না থাকলেও মিরসরাই পৌরসদরের মিরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিন পার্শ্বস্থ মাস্টার মেডিকেল ফার্মেসীর পেছনে চেম্বারে বসে দেদারসে রোগী দেখছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রুহি দাশ মিরসরাই সদরের ভার্ক মা ও শিশু হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান। রোগীর কাছ থেকে ফি বাবদ ১০০ টাকা নিলেও রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দেন তিনি সাদা কাগজে। সেই ব্যবস্থাপত্রে লিখা থাকেনা কি নাম ডাক্তারের ও কি ডিগ্রি রয়েছে তার। এছাড়া রোগীর ওই ব্যবস্থাপত্রে লিখে দেয়া হয় অনেকগুলো রক্ত পরীক্ষার নাম। ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেই পরীক্ষাগুলো করতে গিয়ে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা।

সরেজমিনে ওই ফার্মেসির চেম্বারে রবিবার সাড়ে এগারোটায় গিয়ে দেখা যায়, রুহি দাশ ডাক্তার সেজে ষাটোর্ধ এক রোগীর ব্যবস্থাপত্র লিখছেন। কিছুক্ষন পর ওই রোগী চেম্বার থেকে বের হয়ে আসলে রোগীর কাছ থেকে রুহি দাশের দেয়া ব্যবস্থাপত্রটি নিয়ে দেখা যায়, একটি সাদা কাগজে চার ধরনের ঔষুধ লিখে দেয়া হয়েছে। ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তারের নাম ও ডিগ্রী লেখা নেই, আছে শুধু একটি দুর্বোধ্য স্বাক্ষর! তাছাড়া ওই রোগীর ব্যবস্থাপত্রে লিখে দেয়া হয়েছে কয়েকটি টেস্ট।

রোগীর ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তারের নাম ও পদবী কেন লিখা নেই জানতে চাইলে রুহি দাশ বলেন, আমি রোগীটিকে গরীব হিসাবে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়েছি। তাই ব্যবস্থাপত্রে কোন নাম লেখা হয়নি। আমার নামে ছাপানো প্যাড আছে, এই মুহূর্তে নেই কিন্তু পরে দেখাতে পারবো। এসময় রুহি দাশের কাছে ডাক্তার হিসাবে কোন প্রাতিষ্ঠানিক সনদপত্র আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে চট্টগ্রামস্থ “কন্টিনেন্টাল ইন্সিটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি” নামক প্রতিষ্ঠান থেকে এক বছর মেয়াদী প্যারামেডিকেল কোর্সের সনদপত্র আছে। এসময় তাকে এই সনদপত্রটি দেখানোর জন্য বলা হলে অনেকক্ষন সময় নিয়েও তিনি এই সংক্রান্ত কোন সনদপত্র দেখাতে পারেননি।

রুহি দাশ ডাক্তার কিনা জানতে চাইলে কন্টিনেন্টাল ইন্সিটিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজির পরিচালক ডা. সরোয়ার আলম জানান, রুহি দাশ আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে যে কোর্স করেছে তাতে ডাক্তার হয়ে রোগী দেখার কোন সুযোগ নেই। তার ডাক্তার সেজে রোগী দেখা অবৈধ।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ‘ভার্ক’ এর চট্টগ্রাম এরিয়া কোর্ডিনেটর আলহাজ্ব মিয়া বলেন, রুহি দাশ মিরসরাই সদরের ভার্ক মা ও শিশু হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান। রুহি দাশ ডাক্তার নন। সে ভার্ক হাসপাতালের বাইরে কোথাও গিয়ে ডাক্তার সেজে রোগীদের সাথে প্রতারনা করলে সেই দায় দায়িত্ব আমরা নেবোনা।

জানতে চাইলে রুহি দাশের চেম্বারে আসা রোগী খুরশিদ আলম (৬০) বলেন, ভাই আসল নকল ডাক্তার চেনার ক্ষমতা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের নেই। ওই চেম্বারে ডাক্তার আছে জেনেই আমি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে রুহি দাশের কাছে গিয়েছিলাম। এখন শুনছি উনি ডাক্তার নন। আমাদের তো এই বিষয়ে কিছু করার নেই, আমরা অসহায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মিরসরাইয়ের গাইনি বিশেষজ্ঞ বলেন, দুই বছর আগে এই রুহি দাশ আমার স্বাক্ষর নকল করে একটি হাসপাতালে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা শুরু করেছিলো। পরে বিষয়টি আমি জানতে পেরে তাকে সর্তক করেছিলাম। এছাড়া তার ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের অতিরিক্ত মাত্রার কারণে একটি শিশুর শারিরীক অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো, আমি বিষয়টি জানার পর তাকে এই ধরনের কাজ না করার জন্য বলেছিলাম।

এই ব্যাপারে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ নুরুল আফছার বলেন, একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান কোনভাবেই ডাক্তার সেজে রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিতে পারে না। এটা অবৈধ কাজ। উপজেলা প্রশাসন চাইলে এই বিষয়ে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে।

এই বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, এভাবে রোগী দেখা অবৈধ। বিষয়টি আমি দ্রুত খতিয়ে দেখবো। প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন বালার ইন্তেকাল

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন বালা (৬৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নালিাইহি রাজিউন)। সোমবার (২৯ অক্টোবর) ভোর ৬টায় তিনি শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। কামাল উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভূগছিলেন। সোমবার বাদ আসর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। জানাযায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কবির আহম্মদ, সহকারী কমান্ডার কামাল পাশা, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকসুদ আহমদ চৌধুরী, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন কমান্ডার সফিউল্লাহ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর, গাজী নিজাম উদ্দিন, ৩ নং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুকুল আলম সোহান, নুরুল আফছার চেয়ারম্যান, মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আলা উদ্দিন, চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরফু উদ্দীন প্রমুখ।

হালিশহরে গলাকাটা সেই নারীর মাথা উদ্ধার, স্বামীসহ গ্রেফতার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্থানীয়দের খবরে ছোটপুল এলাকায় সড়কের নিচে ড্রেনের ভেতর থেকে সুমি ইসলাম (২৫ ) এক নারীর বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের পর মাথাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) ভোররাতে বেপারীপাড়া পইট্টাদীঘির পশ্চিম পাশে কবরস্থানের ঝোপের ভেতর থেকে ওই নারীর মাথা উদ্ধার করা হয়। এর আগে নিহত সুমির স্বামী মো. জাহিদ হোসেন রাজু (২৮) সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অপর দুইজন হলেন-আবদুল জলিল ও তার স্ত্রী ফেরদৌস। তারা সুমির প্রতিবেশী। তাদের স্বীকারোক্তিতে ওই নারীর মাথা উদ্ধার করে হালিশহর থানা পুলিশ।

হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম ওবায়দুল হক জানান, সুমি ইসলাম খুলনার পোটপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে। স্বামী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা এলাকার হারুনুর রশিদের ছেলে। গত দেড় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। সুমি সিডিএ আবাসিক এলাকায় একটি বুটিক হাউজে চাকরি করতেন। তারা ছোটপুল এলাকায় ভাড়া থাকতেন বলে জানায় পুলিশ।

হালিশহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বদরুল কবির বলেন, গ্রেফতারের পর জাহিদ হোসেন হত্যাকাণ্ডের কথা শিকার করে জড়িত অন্যদের নামও বলেছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

জাহিদ পুলিশের কাছে দাবি করেছে, দাম্পত্য কলহ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। বিয়ের পর থেকে সুমির সঙ্গে জাহিদের বনিবনা হচ্ছিল না । বিভিন্ন জনের সঙ্গে সুমির মেলামেশা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো।

খালেদা জিয়াকে ভোট থেকে সরাতেই ফরমায়েশি রায় : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখতেই ফারমায়েশি রায়ে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ায় জানানো হয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

রায়ের পর রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ফরমায়েশি রায় দেওয়া হয়েছে। আমরা এ রায় প্রত্যাখ্যান করছি।’

খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব আরো বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে এখন নিম্ন আদালতে মানুষ আর ন্যায়বিচার পাচ্ছে না। গোটা দেশে মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে রাজনীতিকে সম্পূর্ণভাবে দূরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। সে জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রগুলোকে ব্যবহার করে তারা তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। একদলীয় শাসনব্যবস্থা আবার তারা এখানে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এ দেশের মানুষ অতীতেও তা মেনে নেয়নি, এখনো মেনে নেবে না। আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রীরা বারবারই বলে আসছেন, যে করেই হোক তাঁরা ক্ষমতায় আসবেন।’

এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই রায়ের প্রতিবাদে আগামীকাল মঙ্গলবার দেশব্যাপী জেলা সদর এবং ঢাকা মহানগরীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। পরে তাঁকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ থাকায় আজ রায়ের সময় আদালতে হাজির ছিলেন না। এমনকি এই মামলার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা তাঁর কোনো আইনজীবীও যাননি রায় শুনতে। ছিলেন না অন্য আসামিদের আইনজীবীরাও। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এ দিন আদালতে হাজির ছিলেন।

এই মামলার অন্য তিন আসামি হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। তাঁদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন। বাকি দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত আজ এই তিনজনকেও অভিন্ন সাজা দিয়েছেন। এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি হারিছ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতে উপস্থিত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা-এবার খালেদা জিয়ার ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

এবার জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের অস্থায়ী আদালতের বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর তিন আসামিকেও একই দণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে ওই দিন বিকেলে (৮ ফেব্রুয়ারি) নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ থাকায় আজ রায়ের সময় আদালতে হাজির ছিলেন না। এমনকি এই মামলার পরিচালনার দায়িত্বে থাকা তাঁর কোনো আইনজীবীও যাননি রায় শুনতে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এ দিন আদালতে হাজির ছিলেন।

এই মামলার অন্য তিন আসামি হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এদের মধ্যে হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন। বাকি দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত আজ এই তিনজনকেও অভিন্ন সাজা দিয়েছেন। এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি হারিছ চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি আদালতে উপস্থিত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে রায়ে যে ৪২ কাঠা জমির ক্রয় নিয়ে মামলার সূচনা, সেই জমিটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

রায়ে আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার না করে, তার জন্য আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের ক্ষেত্রে ১৫টি বিষয় বিবেচনায় নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে না আসায় তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে বলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আখতারুজ্জামান আদেশ দেন।

এ আদেশ বাতিল চেয়ে রিভিশন আবেদন করলে ১৪ অক্টোবর হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেন। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে ১৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

এর পর ১৬ অক্টোবর বিচারিক আদালত এ মামলার রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। এ অবস্থায় আজকের জিয়া চ্যারিটেবল মামলার রায় হবে কি না, তা অনেকটা আপিল বিভাগের পরবর্তী আদেশের ওপর নির্ভর হয়ে পড়ে। আপিল বিভাগের আদেশের পর সেই বাধা কেটে যায়।

গত ৪ সেপ্টেম্বর আইন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারের একটি কক্ষকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করেন। ৫ সেপ্টেম্বর সেখানে আদালত বসে। কারাগারে থাকা খালেদা জিয়া সেদিন আদালতে হাজির হয়ে আদালতকে বলেছিলেন, এ আদালতে ন্যায়বিচার নেই। তিনি অসুস্থ। আদালতে আসবেন না। যত দিন ইচ্ছা আদালত তাঁকে সাজা দিতে পারেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ।

 

আশরাফুলকে নিল চিটাগং ভাইকিংস

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের প্লেয়ার ড্রাফট চলছে। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে এই ড্রাফঠ শুরু হয়।

এবারের আসরে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে দলে ভিড়িয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। ১৮ লাখ টাকায় তাকে নিয়েছে দলটি।

এবারের ড্রাফটে আশরাফুল ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিলেন। দুপুর ১২টায় ড্রাফট শুরু হয়। এরপর সপ্তম কলে চিটাগং ভাইকিংস তাকে কিনে নেয়।

২০১৩ সালে বিপিএলে ফিক্সিং করে নিষিদ্ধ হন মোহাম্মদ আশরাফুল। ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে চলতি বছরের আগস্টে পুরোপুরি মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

যদিও আরো এক বছর আগেই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি পেয়েছিলেন আশরাফুল। তবে আন্তর্জাতিক এবং ফ্রাঞ্জাইজি ক্রিকেটে নিষিদ্ধ ছিলেন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ খেলছেন আশরাফুল। এরই প্রতিদান পেলেন বিপিএলে। এর সঙ্গে জাতীয় দলে ফেরার সব দরজা উন্মুক্ত হয়ে গেল তার সামনে।

প্লেয়ার ড্রাফটে এখন পর্যন্ত দেশি ক্রিকেটারের মধ্যে আরো যারা দল পেয়েছেন, তাদের তালিকা নিচে দেয়া হলো—

১. জহুরুল ইসলাম (খুলনা টাইটানস)
২. সৌম্য সরকার (রাজশাহী কিংস)
৩. মোসাদ্দেক হোসেন (চিটাগং ভাইকিংস)
৪. রুবেল হোসেন (ঢাকা ডায়নামাইটস)
৫. আফিফ হোসেন (সিলেট সিক্সার্স)
৬. আবু হায়দার রনি (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)
৭. শফিউল ইসলাম (রংপুর রাইডার্স)
৮. সোহাগ গাজী (রংপুর রাইডার্স)
৯. এনামুল হক (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)
১০. তাসকিন আহমেদ (সিলেট সিক্সার্স)
১১. নুরুল হাসান সোহান (ঢাকা ডায়নামাইটস)
১২. আবু জায়েদ (চিটাগং ভাইকিংস)
১৩. ফজলে মাহমুদ রাব্বী (রাজশাহী কিংস)
১৪. শরিফুল ইসলাম (খুলনা টাইটানস)
১৫. ফরহাদ রেজা (রংপুর রাইডার্স)
১৬. আরাফাত সানি (রাজশাহী কিংস)
১৭. সৈয়দ আহমেদ (চিটাগং ভাইকিংস)
১৮ আল আমিন হোসেন (সিলেট সিক্সার্স)
১৯. রনি তালুকদার (ঢাকা ডায়নামাইটস)
২০. তাইজুল ইসলাম (খুলনা টাইটানস)
২১. মেহেদি হাসান (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)
২২. জিয়াউর রহমান (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস)
২৩. মোহাম্মদ আল আমিন (খুলনা টাইটানস)
২৪. শুভাগত হোম চৌধুরী (ঢাকা ডায়নামাইটস)
২৫. তৌহিদ হৃদয় (সিলেট সিক্সার্স)
২৬. নাঈম হাসান (চিটাগং ভাইকিংস)
২৭. আলাউদ্দিন বাবু (রাজশাহী কিংস)
২৮. মেহেদী মারুফ (রংপুর রাইডার্স)
২৯. মোহাম্মদ আশরাফুল ((চিটাগং ভাইকিংস)

 

সীতাকুণ্ডে ট্রেনে কাটা পড়ে তিনজন নিহত

 

নিউজ ডেস্ক..

সীতাকুণ্ডের মাদামবিবিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে অন্তত তিনজনে মারা গেছেন। রোববার রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজ ভুঁইয়া বলেন, ভাটিয়ারি মাদামবিবির হাট এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে একজন নিহত হওয়ার তথ্য রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। কোন ট্রেন সেটা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। একজনের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর বাইরে আরও দুইজনের মারা যাওয়ার তথ্য পেয়েছি। শুনেছি মরদেহগুলো স্থানীয়রা নিয়ে গেছেন। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেগুলোর খোঁজ পেলে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে স্থানীয় সুত্রে ওই দুইজন বাবা ও মেয়ে বলে জানা গেছে। তারা দুইজন হলেন- আবুল কাশেম (৪৬) ও তার চার মাস বয়সী মেয়ে সোমা আক্তার।

তবে এখনও পর্যন্ত এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি রেলওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

বিপিএলে দেশি ক্রিকেটাররা কে কোন দলে

খেলাধুলা ডেস্ক::

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের জন্য দল সাজিয়েছে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। আজ রোববার (২৮ অক্টোবর) ড্রাফট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দলগুলো খেলোয়াড় কিনে নেয়। সাত দলে জায়গা পেয়েছেন যে দেশি ক্রিকেটাররা।

ঢাকা ডাইনামাইটস- সাকিব আল হাসান (আইকন), রুবেল হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, রনি তালুকদার, শুভাগত হোম চৌধুরী।

খুলনা টাইটান্স- মাহামুদুল্লাহ রিয়াদ (আইকন), আরিফুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, জহুরুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ আল আমিন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স- তামিম ইকবাল (আইকন), ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, আবু হায়দার রনি, এনামুল হক বিজয়, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং জিয়াউর রহমান।

রাজশাহী কিংস- মোস্তাফিজুর রহমান (আইকন), মুমিনুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, জাকির হোসেন, সৌম্য সরকার, ফজলে মোহাম্মদ রাব্বী, আরাফাত সানী এবং আলাউদ্দিন বাবু।

সিলেট সিক্সার্স- লিটন দাস (আইকন), নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেন (সিনিয়র) এবং তৌহিদ হৃদয়।

রংপুর রাইডার্স- মাশরাফি বিন মুর্তজা (আইকন), নাজমুল ইসলাম অপু, মোহাম্মদ মিঠুন, শফিউল ইসলাম, সোহাগ গাজী, ফরহাদ রেজা এবং মেহেদী মারুফ।

চিটাগং ভাইকিংস- মুশফিকুর রহিম (আইকন), সানজামুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, সৈয়দ খালেদ আহমেদ এবং নাইম ইসলাম।

মিরসরাইয়ের দুর্বার প্রগতি সংগঠন’র ইয়ং বাংলার স্বীকৃতি অর্জন

 


নিজস্ব প্রতিনিধি..

বাংলাদেশের তরুণদের বৃহৎ প্লাটফর্ম ইয়ং বাংলা কৃর্তক জাতীয় পর্যায়ের সেরা ৫০ টি সংগঠনের মধ্যে স্থান করে নেয় মিরসরাই উপজেলার ১০ নম্বর মিঠানালা ইউনিয়নের মলিয়াইশের হেতালিয়া পাড়ের দুর্বার প্রগতি সংগঠন। ২০১১ সালে ২৪ জন অদম্য তরুণের গড়া এ সংগঠন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, কৃষি, কুসংস্কার, সামাজিক অবক্ষয়সহ নানাবিদ জনহিতকর কার্যক্রম পরিচালনার মধ্যদিয়ে খুব স্বল্প সময়ে মিরসরাইব্যাপী্ আলোচিত হয়ে উঠে। এসকল কার্যক্রম পরিচালনায় বর্তমানে সংগঠনের ২৪৩ জন স্বেচ্ছাসেবী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সে কার্যক্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার তারা জায়গায় করে নিল জাতীয় পর্যায়ের সেরা ৫০ টি সংগঠনের তালিকায়।

দেশের ৬৪ জেলার প্রায় আড়াই হাজার সংগঠনকে পেছনে পেলে তারা এ স্থান অর্জন করে নেয়। গত ২৬, ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ঢাকার সাভারে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইন্সস্টিটিউট ইয়ং বাংলা কর্তৃক জয় বাংলা ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড -২০১৮ প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নেয় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দীন ও সহ-সভাপতি মির্জা মিশকাতের রহমান অনিক। অনুষ্ঠানে ইয়ং বাংলা কর্তৃপক্ষ তাদের হাতে স্বীকৃতির সনদ ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

এ বিষয়ে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান মো. সাইফ উদ্দীন বলেন- মিরসরাই থেকে আমরা প্রতিযোগিতায় দেশের আড়াই হাজার সংগঠনকে পেছনে পেলে জাতীয় পর্যায়ে সেরা পঞ্চাশটি সংগঠনের তালিকায় স্থান করে নিতে পেরেছি এটা আমাদের বিশাল একটি অর্জন। সবার ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে আমাদের এই অর্জন, এই অর্জন আমাদের আগামীর পথচলায় আরো বেশি অনুপ্রেরণা যোগাবে

মিরসরাইয়ের সন্তান রাবিব জাহিনের বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় ৩য় স্থান অর্জন

 


নিজস্ব প্রতিনিধি..

মিরসরাইয়ের সন্তান মোঃ রাবিব জাহিন বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় ৩য় স্থান অর্জন করেছে। রাবিব মিরসরাই উপজেলার ৭ নম্বর কাটাছরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর গ্রামের নজির আহমেদ পেশকার বাড়ির মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মোমিনুল ইসলামের পুত্র। আমরা তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি, শুভ কামনা আগামীর অদম্য এই তরুণের জন্য। রাবিব ইতিপূর্বে উচ্চ মাধ্যমিক চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এবং মাধ্যমিক চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ থেকে সম্পন্ন করে।

রাবিব জাহিন অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, বুয়েটে ৩য় হলাম আপনাদের দোয়ায়। ভবিষ্যতে যাতে ভাল কিছু করতে পারি তার জন্য দোয়া প্রার্থী।