রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 668

তৃতীয় বিভাগ ফুটবল লীগে কোয়াটার ফাইনালে মিরসরাই ক্রীড়া সংস্থা

ক্রীড়া প্রতিনিধি
সিজেকেএস সিডিএফএ তৃতীয় বিভাগ ফুটবল লীগে টানা দ্বিতীয় জয়ে কোয়াটার ফাইনালে খেলার সুযোগ করে নিলো মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা। ১০ সেপ্টেম্বর বুধবার লীগের ১ম রাউন্ডের নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বন্দর স্টেডিয়ামে চন্দনপুরা ক্রীড়া সংস্থার সাথে মোকাবেলা করে মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনস্থ মিরসরাই স্পোর্টিং ক্লাব।


প্রথমার্ধে গোল শূন্য বিরতিতে যায় উভয় দল। দ্বিতীয়ার্ধে শাহাদাৎ সাকিবের দূর্দান্ত গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে খেলা শেষ করে মিরসরাই। ফলে টানা দ্বিতীয় জয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে দলটি। দিন শেষে পরিশ্রম সার্থক করে বাড়ি ফিরছে রায়হান,তাজিম,বাবু,রাসেলরা। প্লেয়ার অব ম্যাচ হয়েছে মিরসরাইয়ের রায়হান।

রায়ের পর যা বললেন ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক..
রায় ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, কারা এই হামলার পেছনে মাস্টারমাইন্ড, গত ১৪ বছর ধরে সবাই জানে।

”বিলম্বিত হলেও, এই রায়ে আমরা অখুশি নই। কিন্তু আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্টও নই। কারণ এই রায়ে প্লান্যার এবং মাস্টার মাইন্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত ছিল, ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট (মৃত্যদণ্ড)।”

তবে তিনি মাস্টারমাউন্ড হিসাবে কারো নাম উল্লেখ করেননি বলে জানায় বিবিসি।

জামিন বাতিল হওয়া আট আসামি হলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব:) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সাবেক আইজিপি মো: আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী, মামলাটির তিন তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ও এএসপি আব্দুর রশীদ এবং সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম।

এই আটজন ছাড়াও অন্য যে ২৩ জন কারাগারে রয়েছেন তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, মুফতি হান্নানের ভাই মুহিবুল্লাহ মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাইদ ওরফে ডাক্তার জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো: জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, শাহাদত উল্যাহ ওরফে জুয়েল, হোসাইন আহমেদ তামিম, মইনুদ্দিন শেখ ওরফে আবু জান্দাল, আরিফ হাসান সুমন, মো: রফিকুল ইসলাম সবুজ, মো: উজ্জ্বল ওরফে রতন, হরকাতুল জিহাদ নেতা আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, শেখ আব্দুস সালাম, কাশ্মিরী নাগরিক আব্দুল মাজেদ ভাট, আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বির, মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম ও রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী।

পলাতক হিসেবে দেখানো হয়েছে ১৮ জনকে। তারা হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো: খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো: ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, সাবেক ডিসি পূর্ব মো: ওবায়দুর রহমান, সবেক ডিসি দক্ষিণ খান সাইদ হাসান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, মেজর জেনারেল (অব:) এ টি এম আমিন, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো: হানিফ, শফিকুর রহমান, আব্দুল হাই ও বাবু ওরফে বাতুল বাবু।

 

রায়ের প্রতিবাদ : বিএনপির ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা


নিজস্ব প্রতিবেদক
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলার রায়কে ‘ফরমায়েশি’ ও ‘প্রতিহিংসার’ উল্লেখ করে রায় প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। সেইসাথে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বুধবার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্ষমতাসীনদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এ রায় দেয়া হয়েছে। বিএনপি মনে করে এ রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রায়। আমরা এ রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এটি ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নোংরা প্রকাশ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতির জন্য দুর্ভাগ্য এ রায়ের মাধ্যমে সরকার আরো একটি নোংরা প্রতিহিংসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। যেভাবে ‘মিথ্যা’ মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হয়েছিল, সেভাবে আরেকটি মামলায় বিএনপির নেতাদের সাজা দেয়া হলো।

তিনি বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন সাজার মাধ্যমে প্রমাণিত হলো এ দেশে সাধারণ কোনো মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যখন সাব জেলে ছিলেন, তখন মামলার সাক্ষী তারেক রহমান বা বিএনপির কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। তখন তিনি এ ঘটনার জন্য সেনাবাহিনীকে দোষারোপ করেছেন। অথচ ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অবসরে যাওয়া পুলিশ কমকর্তা আবদুল কাহার আকন্দকে নিয়োগ দিয়ে তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার কথা বলতে হয়, যে দেশে প্রধান বিচারপতি ন্যায় বিচার পান না, সে দেশে নাগরিকদের ন্যায় বিচার পাওয়ার আশা করা যায় না। আমরা দেশের জনগণকে আহ্বান জানাব, রাজপথে এসে এ অনির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে। কোনো কর্মসূচি দেবেন কিনা, জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের রাজনৈতিক কমসূচি থাকবে, পাশাপাশি আইনি কর্মসূচিও থাকবে। তবে সেটি পরে জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানসহ ১৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে। বিএনপি মনে করে এই রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণেদিত এবং ক্ষমতাসীন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার নগ্ন প্রকাশ। আমরা এই ফরমায়েসী প্রত্যাখান করছি। জাতির দুর্ভাগ্য এই যে, সরকার তার এই প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য আদালতকে ব্যবহার করে আরেকটি মন্দ দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো-যেমনটি করেছে মিথ্যা মামলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাদন্ড দিয়ে। দেশবাসী জানেন যে, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তৎকালীন বিএনপি সরকারই সেসময় প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি দেয়ার জন্য মামলা দায়ের করেছে। স্থানীয় তদন্ত সংস্থাগুলোর পাশাপাশি এফবিআই এবং ইন্টারপোলকে তদন্তে সম্পৃক্ত করেছে। বিএনপি সরকারই এই ঘটনার সুষ্ঠূ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করার জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্তের ব্যবস্থা করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এসব তদন্ত এবং আওয়ামী লীগের আন্দোলনের ফসল ১/১১ এর সরকারের আমলের তদন্ত প্রতিবেদনে কোথাও তারেক রহমান কিংবা বিএনপি নেতাদের সম্পৃক্ত করা হয়নি। এমনকি ওই সময় ১৬১ ধারা অনুযায়ী তখন তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে দেয়া জবানবন্দীতে কারারুদ্ধ শেখ হাসিনাও তারেক রহমান কিংবা বিএনপির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। ৬২ জন সাক্ষীর কেউই তারেক রহমান কিংবা বিএনপির নামও উচ্চারণ করেননি। ২০০৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপিকে হেয়, ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত করার লক্ষ্যে অবসরপ্রাপ্ত ও বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দকে চাকুরীতে পূণরায় নিয়োগ দিয়ে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করার মাধ্যমে এটিকে একটি রাজনৈতিক মামলায় রূপান্তরিত করে।

বিএনপি সরকারের আমলে অবসরে পাঠানো পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে প্রকাশ্যে সভা, সমাবেশ, মিছিল করেছেন, পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ করেছেন। এসবই তৎকালীন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের একজন নেতা জেনেই ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকার তাকে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছিল। এই নতুন তদন্ত কর্মকর্তাই মামলার অন্যতম আসামি মুফতি হান্নানকে দীর্ঘদিন রিমান্ডে নিয়ে, সীমাহীন ও অকথ্য অত্যাচার করে তারেক রহমানকে জড়িয়ে বানানো এক জবানবন্দীতে মুফতি হান্নানের স্বাক্ষর নিয়ে তারেক রহমানকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। পরবর্তী পর্যায়ে মুফতি হান্নান আদালতে লিখিতভাবে তার সেই কথিত জবানবন্দী এই মর্মে প্রত্যাহার করেন যে, তিনি তারেক রহমানকে চেনেন না, তার সাথে কোনো কথা হয়নি এবং অত্যাচার করে তাকে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেছে। এই মামলায় অন্য কোনো সাক্ষী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কিছু না বলায় এবং মুফতি হান্নান তার জবানবন্দী প্রত্যাহার করায় গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানের আর কোনো সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও আজ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো যে, এদেশে কোনো নাগরিকেরই আর সুবিচার পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা দেশবাসীকে সরকারের এহেন প্রতিহিংসামূলক আচরণ এবং আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করার নোংরা কৌশল সম্পর্কে সজাগ হয়ে অনির্বাচিত এই সরকারকে হটিয়ে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

কর্মসূচি :
এদিকে বিএনপির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার পর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে আগামীকাল ১১ অক্টোবর ঢাকাসহ সারা দেশের মহানগর জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ১৩ অক্টোবর ছাত্রদলের সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল, ১৪ অক্টোবর যুবদলের সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল, ১৫ অক্টোবর সেচ্ছাসেবক দলের সারা দেশে বিক্ষোভ। ১৬ অক্টোবর বিএনপি ঢাকাসহ সারা দেশে কালো পতাকা মিছিল করবে। এ ছাড়া ১৭ অক্টোবর মহিলা দল ঢাকাসহ সারা দেশে মানববন্ধন ও ১৮ অক্টোবর শ্রমিক দল ঢাকাসহ সারা দেশে মানববন্ধন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রায় ঘোষণার পর বিএনপির প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের বিরুদ্ধে দুইভাবে এগোবে বিএনপি। আজ বুধবার রায় ঘোষণার পর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মীর্জা ফখরুল বলেন, ‘এই রায় আমরা প্রত্যাখ্যান করছি এবং এর নিন্দা জানাচ্ছি। এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। এর বিরুদ্ধে আমরা দুইভাবেই রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং আইনি পদক্ষেপ নেবো।’

তিনি আরো বলেন, ‘তাকে (তারেক রহমানকে) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়ার মাধ্যমে পুনরায় প্রমাণিত হলো যে, এদেশে কোনো নাগরিকের আর সুবিচার পাওয়ার সুযোগ নেই।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধণের জন্য কোনো তথ্য-উপাত্ত আদালতে উপস্থাপন না করা হলেও তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া অন্যকিছু বলার নেই।’

বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে আজ।

রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন আজ বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের ফাঁসি ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন। প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েক শ’ নেতাকর্মী।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই এ সংক্রান্ত হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার বিচার শুরু হয়। ৬১ জনের সাক্ষ্য নেয়ার পর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এর অধিকতর তদন্ত করে। এরপর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে নতুন করে আসামি করে ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। এরপর দুই অভিযোগপত্রের মোট ৫২ আসামির মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জনকে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরু হয়। অন্য মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ৪৯।

আমাকে বলা হয়েছিল খালেদা জিয়ার নাম জড়িয়ে বক্তব্য দিতে : বাবর

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবারো মৃত্যুদণ্ড পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার অভিযোগে তাকে এই সাজা দেয়া হয়েছে। এর আগে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয়া হয়েছিল।

২১ আগষ্টের ঘটনার ১৪ বছর পর বুধবার দুপুরে বর্বরোচিত ও নৃশংস এই হামলার রায় দেন রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত।

গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। ৪৯ আসামির মধ্যে বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

রায় শেষে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলার সময় চিৎকার করে গণমাধ্যমের কর্মীদের উদ্দেশে সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কথা বলেন।

এ সময় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমাকে কারাগারে নেওয়ার পর এ ঘটনায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে জড়িয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি তাতে রাজি না হওয়ায় আমাকে জড়ানো হয়েছে।’

‘আমি মনে করি, তারা (আদালত) আমার প্রতি ন্যায়বিচার করেননি। তাদের বিচার আল্লাহ করবেন’, যোগ করেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলটির সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২৪ জন নিহত ও নেতাকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানও।

তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তাঁর শ্রবণশক্তিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

২১ আগস্ট মামলা-বাবরসহ ১৯ জনের ফাঁসি, তারেক রহমানের যাবজ্জীবন

 


নিজস্ব প্রতিবেদক
বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের ফাঁসি ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন আজ বুধবার এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে বিচারক রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। ওই দিন রায়ের তারিখ ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি এবং আসামিদের পক্ষ থেকে বেকসুর খালাস দাবি করে।

মামলাটি প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষে ৫১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনকে আদালতে উত্থাপন করা হয়। ২১ আগস্ট গেনেড হামলা মামলার মোট আসামি ছিলেন ৫২ জন। বিচারকালে আসামি জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার মামলায় হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান ও শরিফ শাহেদুল ইসলাম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। বর্তমানে মামলা দু’টিতে মোট আসামির সংখ্যা ৪৯।

এ মামলায় জামিন বাতিল হওয়া আটজনসহ ৩১ আসামি কারাগারে আছেন, বাকি ১৮ জন পলাতক। এ মামলায় রায়ের দিন নির্ধারণ করার আগে জামিনে থাকা আট আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আটক ৩১ আসামির উপস্থিতিতে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

জামিন বাতিল হওয়া আট আসামি হলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব:) সাইফুল ইসলাম ডিউক, সাবেক আইজিপি মো: আশরাফুল হুদা, শহিদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী, মামলাটির তিন তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির সিনিয়র এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ও এএসপি আব্দুর রশীদ এবং সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম।

এই আটজন ছাড়াও অন্য যে ২৩ জন কারাগারে রয়েছেন তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, মুফতি হান্নানের ভাই মুহিবুল্লাহ মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাইদ ওরফে ডাক্তার জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো: জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, শাহাদত উল্যাহ ওরফে জুয়েল, হোসাইন আহমেদ তামিম, মইনুদ্দিন শেখ ওরফে আবু জান্দাল, আরিফ হাসান সুমন, মো: রফিকুল ইসলাম সবুজ, মো: উজ্জ্বল ওরফে রতন, হরকাতুল জিহাদ নেতা আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোহাম্মদ ওরফে জিএম, শেখ আব্দুস সালাম, কাশ্মিরী নাগরিক আব্দুল মাজেদ ভাট, আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বির, মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম ও রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী।

পলাতক হিসেবে দেখানো হয়েছে ১৮ জনকে। তারা হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো: খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো: ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, সাবেক ডিসি পূর্ব মো: ওবায়দুর রহমান, সবেক ডিসি দক্ষিণ খান সাইদ হাসান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার, মেজর জেনারেল (অব:) এ টি এম আমিন, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো: হানিফ, শফিকুর রহমান, আব্দুল হাই ও বাবু ওরফে বাতুল বাবু।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন। প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েক শ’ নেতাকর্মী।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই এ সংক্রান্ত হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার বিচার শুরু হয়। ৬১ জনের সাক্ষ্য নেয়ার পর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার এর অধিকতর তদন্ত করে। এরপর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে নতুন করে আসামি করে ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। এরপর দুই অভিযোগপত্রের মোট ৫২ আসামির মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৮ জনকে পলাতক দেখিয়ে বিচার শুরু হয়। অন্য মামলায় তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় বর্তমানে আসামির সংখ্যা ৪৯।

মিরসরাইয়ে বিএনপি-জামায়াতের ৩জন গ্রেফতার


মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে বিএনপি-জামায়াতের ৩ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, মিরসরাই সদর ইউনিয়নের পূর্ব কিসমত জাফরাবাদের টোলা মিয়ার পুত্র মাঈন উদ্দিন (২৪), একই ইউনিয়নের মৃত আলী আকবরের পুত্র শহিদ উল্লাহ (৫৮) ও উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মৃত হজু মিয়ার পুত্র কাজী আবু বক্কর (৫০)। মিরসরাই থানা পুলিশ মঙ্গল বার (৯ অক্টোবর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাঈন উদ্দিন ৯ নং ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক, শহিদ উল্লাহ ৯নং ইউনিয়ন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ছিলো। কাজী আবু বক্কর ১৫ নং ইউনিয়ন জামায়াতের আমির।
এদিকে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্তকৃত) নুরুল আমিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর, গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন।

এই বিষয়ে মিরসরাই থানার ওসি (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাঈন উদ্দিন ও শহিদ উল্লাহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং কাজী আবু বক্কর কে অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

মিরসরাইয়ে দূর্গাপূজা উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকালে মিরসরাই থানা পুলিশের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মিরসরাই থানার উপ-পরিদর্শক জিয়া উদ্দিনের সঞ্চালনায় ও থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের (দায়িত্বপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ইয়াছমিন আক্তার কাকলী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, মায়ানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির আহম্মদ নিজামী, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল হাসান টিপু, মিরসরাই পৌরসভার সাবেক মেয়র এম শাহজাহান, মিরসরাই কমিউনিটি পুলিশিং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নাছির উদ্দিন, মিরসরাই উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ সরকার, সাবেক সভাপতি উত্তম কুমার শর্মা।


এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই থানার ওসি তদন্ত বিপুল চন্দ্র দেবনাথ, মিঠানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা, মিরসরাই সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন, খৈয়াছরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদ ইকবাল চৌধুরী, মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কবির ফিরোজ, সাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরী, মিরসরাই পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর উদ্দিন, পুজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অনির্বাণ চৌধুরী রাজিব, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদ হোসাইন ও যুগ্ম সম্পাদক জাফর ইকবাল,নিজামপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম আরিয়ান সহ মিরসরাই থানার সকল কর্মকর্তা, পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন মন্দির কমিটির প্রতিনিধি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দূর্গাপূজাকে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ মন্দির কমিটি সহ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতাদের অভিযোগ শোনেন।
এসময় অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল কবির বলেন, “কোনো মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে এমন কাউকে আমরা এখানে প্রশ্রয় দিবোনা যেহেতু এটা সার্বজনীন পূজা। পূজা যদিও সনাতন ধর্মালম্বীদের জন্য তারপরও আমরা যারা অন্য ধর্মের আছি এদেশের মানুষ পূজাকে একত্রে আমরা উদযাপন করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, দূর্গাপূজায় আমরা নানা ভাবে অনেক টাকা খরচ করি, সেক্ষেত্রে আমি পূজা উদ্যাপন পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ এই পূজা মন্ডপে সামান্য ২টি বা ৩টি সিসি ক্যামেরা ব্যবস্থা করা যেত তাহলে নিরাপত্তা অনেকটাই আমাদের হাতের মুঠোয় চলে আসতো। একটা সিসি ক্যামেরা সমান ৫০জন পুলিশ।

মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাস্টবিন হস্তান্তর করলেন এক যুবক

নিজস্ব প্রতিনিধি
যত্রতত্র না রেখে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা রাখতে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাস্টবিন হস্তান্তর করেছেন বারইয়ারহাট এ.কে ইলেকট্রিকের স্বত্ত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ নুরুল আবছারের কাছে ৬টি ডাস্টবিন হস্তান্তর করেন। এসময় আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মিনহাজ উদ্দিন, সাংবাদিক এম মাঈন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
আরিফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আসলে দেখা যায় নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আবর্জনা না রেখে যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়। বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি হাসপাতালে কয়টি ডাস্টবিন দিলে সেখানে সবাই ময়লা আবর্জনা রাখবেন। এতে করে পরিবেশ দূষিত হবে না। এছাড়া প্রতি দুইমাস পর পর পুরো হাসপাতাল পরিস্কার করবেন এবং অজ্ঞাত ও অসহায় রোগীদের সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, আরিফুল ইসলাম ছোটবেলা থেকে স্বেচ্ছায় বিভিন্ন সমাজ সচেতনতামুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ২০০৭ সালে বাই সাইকেল যোগে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ৩৭০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মাদক ও যৌতুকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন।

 

সুপ্রিম কোর্টে বিএনপি ও আ’লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্টের বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। মূলত আইনজীবীদের বসার জন্য নির্দিষ্ট হল রুমের চেয়ার-টেবিল সরিয়ে সংবাদ সম্মেলন করাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) দুপুরের দিকে আইনজীবী সমিতি ভবনের দক্ষিণ হলে এ ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগে সদ্য নিয়োগ দেওয়া তিনি আইনজীবীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ডাকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। মঙ্গলবার দুপুরে চেয়ার-টেবিল সরিয়ে সেখানে সংবাদ সম্মেলন করায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরে এ নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হট্টগোলে জড়িয়ে পড়ে আইনজীবীদের দুই গ্রুপ।