শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 684

খালেদা জিয়া ও মিরসরাই বিএনপির কারাবন্ধি নেতাদের মুক্তির দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল-প্রতিবাদ সমাবেশ


মিরসরাই প্রতিনিধি
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও মিরসরাই উপজেলা বিএনপি, ছাত্রদল যুবদলের কারাবন্ধি নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রদল। গতকাল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। কারাবন্ধি নেতাদের মধ্যে অন্যতম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, উপজেলা বিএনপি নেতা মুসা চেয়ারম্যান, মাসুকুল আলম সোহান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইফতেখার মাহমুদ জিপসন ও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল হাসান মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদুল ইসলাম,ইছাখালী ছাত্রদলের আহ্বায়ক রোম্মান, ওচমানপুর ছাত্রদলের সভাপতি তুহিন উপজেলা ছাত্রদল নেতা সালমান হায়দার,

আব্দুল্লাহ আল নোমান, ফরহাদ,কাটাছড়া ছাত্রদলের আহবায়ক শাহাদাত, ওচমানপুর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আতা উল্লাহ্ রনি, মিরসরাই পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইমন,দূর্গাপুর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন রাজু,মিরসরাই সদর ইউনিয়নের আহবায়ক শহীদুল ইসলাম,ছাত্রনেতা জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, মাসুক, পারভেজ, নাজিম উদ্দিন,আকবর মির্জা। এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর, যুবদল নেতা সুমন, মমতাজ ও এরাদুল হক সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঢাকায় ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে মিরসরাই ও জোরারগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত বিএনপি নেতাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

 

আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আদালতকে তার শারীরিক দুরবস্থার কথা জানিয়েছেন। সেই সাথে শুনানিতে বার বার উপস্থিত হওয়া তার পক্ষে সম্ভব না বলেও জানান তিনি।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আজ বুধবার সকালে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসা ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো: আখতারুজ্জামানের আদালতকে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়া আদালতকে বলেন, ‘আমি গুরুতর অসুস্থ। আমার বাম হাত প্যারালাইজড, ডান পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা, হাঁটতে পারি না। তাই এখানে বার বার আসতে পারব না। আপনারা যত দিন ইচ্ছা সাজা দিতে পারেন।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘এখানে ন্যায়বিচার হয়নি, সরকারের ইচ্ছায় বিচার হচ্ছে। আমি এখানে ন্যায়বিচার পাবো না। গত রাতে এ আদালতের গ্যাজেট হয়েছে। আমার আইনজীবীরা আসতে পারেনি।’

এর আগে সকাল ১১টা ২৩ মিনিটে আদালত বসেন। খালেদা জিয়াকে হুইল চেয়ারে করে আদালতে হাজির করা হয়। তখন তার পরনে ছিল একটি বেগুনি রঙের শাড়ি। আর তার হাত-পা একটি সাদা কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল।

আদালতে দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।

আর সেখানে উপস্থিত ঢাকা বারের সভাপতি গোলাম মোস্তফা খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় প্রার্থনা করলে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ার সময় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তখনো তিনি তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ বলে জানান। এ সময় তার শরীর কাঁপছিল। আদালতে উপস্থিতকালীন সময়ও তার শরীর কাঁপতে দেখা যায়।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কারা অভ্যন্তরে আদালত বসা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। তবে একে ‘আইন পরিপন্থী’ বলেছেন খালেদা জিয়ার দল বিএনপি ও তার আইনজীবীরা।

গেজেটে বলা হয়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের টাকা আত্মসাৎ-সংক্রান্ত কার্যক্রম ঢাকা মহানগরের বকশীবাজার এলাকার সরকারি আলিয়া মাদরাসা ও সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন মাঠে নির্মিত অস্থায়ী আদালত ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। এসব মামলার বিচার কার্যক্রম চলাকালীন এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকে তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের কক্ষটিকে অস্থায়ী আদালত ঘোষণা করা হয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার পর থেকে তিনি অন্য কোনো মামলায় আর হাজিরা দেননি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আদালতকেই কারাগারে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মঙ্গলবার গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যে আদালত দণ্ড দিয়েছেন, সেখানে আরও একটি মামলা শেষ পর্যায়ে আছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন নির্ধারণ করেন।

এই মামলায় এখন কেবল খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি।

সূত্র নয়া দিগন্ত

মিরসরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুপ্ত প্রতিভার আহবায়ক কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সুপ্ত প্রতিভা’র আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।গত শনিবার সংগঠনটির সভাপতি আল শাহরিয়া হাসান ও সম্পাদক শামীম ওসমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

একমাস মেয়াদকালের ১১ সদস্য বিশিষ্ট নব গঠিত এই আহবায়ক কমিটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সংগঠনের বার্ষিক নির্বাচন (২০১৮-২০১৯) আয়োজনের মাধ্যমে কার্যকারী কমিটি হালনাগাদের দায়িত্ব পালন করবে।

কমিটিতে আহবায়ক করা হয়েছে মিরাজ উদ্দিন মিশনকে। যুগ্ম আহবায়করা হলেন- মো. হাসান আলী, মো. জাহেদুল আলম রাফি, মেহেদী হাসান, আব্দুর নুর রিয়াজ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- মো. জাহেদ হোসেন, হাদিউল রাহাত, জিয়াউল হোসেন, অমিয় চৌধুরী, আজিজুর রাহীম, রাহুল দাশ।

জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল কবির সহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা

·

নিজস্ব প্রতিনিধি
জোরারগঞ্জ থানায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করার পর জোরারগঞ্জ থানার ওসি জাহিদুল কবির জাহেদ, পদোন্নতি প্রাপ্ত ওসি তদন্ত বিপুল চন্দ্র দেবনাথ, ওসি তদন্ত আনোয়ার উল্যাহ, পদোন্নতি প্রাপ্ত সেকেন্ড অফিসার সুজন পাল, এস আই ইমরান ভাই সহ আরো তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা বদলি হওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধায় বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। বারইয়ারহাট খান সিটি সেন্টারে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল কবির।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক জসীম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান, জোরারগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ ইসমাইল মোল্লা, জোরারগঞ্জ থানা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি জহির উদ্দিন ইরান, সাধারণ সম্পাদক করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, ধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের মোঃ জাহাঙ্গীর ভূইয়া, মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি শারফুদ্দীন কাশ্মীর, সাংবাদিক মাহবুবুর ররহমান পলাশ, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ শামসুদ্দিন।

মিরসরাইয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত


মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা বিএনপি, মিরসরাই পৌরসভা ও বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (সাময়িক বরখাস্তকৃত) নুরুল আমিন। উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম মেম্বারের সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহীনুল ইসলাম স্বপন।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিএনপি নেতা একরামুল হক বিল্পব, দিদারুল আলম মিলন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হক সোহাগ, চট্টগ্রামস্থ মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, পৃষ্টপোষক জিয়া উদ্দিন আহমেদ ফরহাদ, সাধারণ সম্পাদক শরফু উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক গোলাম মাওলা বাবলু উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাহ মোঃ ফোরকান উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন, বারইয়ারহাট কলেজ ছাত্রদল সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন টিটু, সাধারণ সম্পাদক মোহন দে, মিরসরাই পৌরসভা ছাত্রদল সভাপতি ফরহাদ হোসেন তুহিন প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম লিটন, মীর মোঃ জহির উদ্দিন, আব্দুল মান্নান বাবুল, কামরান সরোয়ার্দী, নুরুল আফছার মিয়াজী, মিরসরাই পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলমগীর, বিএনপি নেতা তারেক মেম্বার, ইয়াছিন মিজান, উপজেলা যুবদল নেতা মোবারক হোসেন, মোতাহের হোসেন রাশেল, ফজলুল মুরাদ মোমিন উদ্দিন, আব্দুল মতিন, মমতাজ উদ্দিন, মোঃ ফারুক, এরাদুল হক ভূঁইয়া, জসীম উদ্দিন, আলমগীর, সুমন, ফোরামের দপ্তর সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবুল ছালেক, ছাত্রদল নেতা সালমান হায়দার,উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ রাশেল, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মাসুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদুল ইসলাম, মিরসরাই পৌরসভা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইনজামামুল হক ইমন, ছাত্রদল নেতা আবু রুম্মন, আব্দুল্লাহ আল নোমান,শাহদাত হোসেন, জাহিদ চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন, মোঃ পারভেজ, আবু হাসনাত।


প্রধান অতিথি নুরুল আমিন চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, দেশ আজ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। বিএনপি নেত-কর্মীরা মামলা-হামলায় জর্জরিত হয়ে বাড়ি ছাড়া। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্ধী রেখেছে তাবেদার সরকার। আর সময় নেই, আগামী কয়েক পরে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এবার সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান তিনি।

প্রতিশোধের জয়ে দিয়ে সাফ শুরু বাংলাদেশের

প্রতিশোধের জয়ে দিয়ে সাফ শুরু বাংলাদেশেরক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রায় দুই বছর আগে ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ লড়াইটির কথা নিশ্চয়ই ভুলে যায়নি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের প্লে-অফের ম্যাচে ৩-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের দল। সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী দিনে সেই ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।
আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে সর্বশেষ ম্যাচে হারের প্রতিশোধ নিয়েছে লাল-সবুজের দল।

ম্যাচের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় পেনাল্টি থেকে করা গোলে। ডিফেন্ডার তপু বর্মণ লক্ষ্যভেদ করেন।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেনি ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়লেও তাঁর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন ভুটান গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তরুণ ফরোয়ার্ড বিপলু আহমেদের শট ভুটান গোলরক্ষক কোনোমতে বিপদমুক্ত না করলে গোল হতেও পারত।

প্রথমার্ধে এক গোলে এগিয়ে থাকলেও প্রধান্য বিস্তার করেই খেলেছে বাংলাদেশ। বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়াও করে তারা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তরুণ ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া একটি বল নিয়ে বক্সে ডুকেই আড়াআড়ি শটে জালে জড়ান বল।
ম্যাচের ৭৫ মিনিটে ভুটান ব্যবধান কমানোর দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিল। দলটির রোনালদো খ্যাত চেনচো বল নিয়ে বিপৎসীমানায় ঢুকে পড়েও গোল করতে পারেননি।
সদ্য সমাপ্ত এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের অসাধারণ সাফল্যে দেশের ফুটবলে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কদিন আগে ইন্দোনেশিয়ায় তারা হারিয়েছিল আগামী ২০২২ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কাতারকে। প্রথমবারের মতো ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ গেমসের দ্বিতীয় পর্বে ওঠে। তাই চলমান সাফের শুরু থেকেই বেশ উজ্জীবিত বাংলাদেশ।

  • প্রায় দুই বছর আগে ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বশেষ লড়াইটির কথা নিশ্চয়ই ভুলে যায়নি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের প্লে-অফের ম্যাচে ৩-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের দল। সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী দিনে সেই ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

    আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ভুটানকে ২-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে সর্বশেষ ম্যাচে হারের প্রতিশোধ নিয়েছে লাল-সবুজের দল।

 

মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু অনুর্ধ ১৭’ গোল্ডকাপ উদ্বোধন


মিরসরাই প্রতিনিধি
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় উৎসবমুখরভাবে শুরু হয় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ অনুর্ধ্ব-১৭। উদ্বোধনী ম্যাচে তরুন খেলোয়াড়দের ক্রিড়া নৈপুণ্যতায় তুমুল যুদ্ধ ছিল বেশ টান টান উত্তেজনাপূর্ণ। দীর্ঘ কয়েক বছর পর অনূর্ধ ১৭ ফুটবল এর উদ্বোধনী ম্যাচ প্রাণবন্তভাবেই উপভোগ করে সকলে। এর মধ্য দিয়ে ক্রিড়ামোদী মহলে বেশ আগ্রহের সঞ্চার লক্ষনীয় হয়। উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার খেলা জোরারগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও মিরসরাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উদ্বোধনী ম্যাচে মিরসরাই ষ্টেডিয়ামে ১৩নং মায়ানী ইউনিয়নকে ট্রাইবেকারে ৪-২ গোলে হারায় ৯নং মিরসরাই ইউনিয়ন। জোরারগঞ্জ মাঠে ৬নং ইছাখালী ইউনিয়নকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ৭নং কাটাছরা ইউনিয়ন।
জাতীয় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ অনুর্ধ্ব ১৭ এর শুভ উদ্বোধন মঙ্গলবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় মিরসরাই উপজেলার পৃথক দুটি মাঠে একই সময়ে শুভ উদ্বোধন করা হয়। মিরসরাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সদর ষ্টেডিয়ামে টুর্ণামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল কবির। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ১৩নং মায়ানী ইউপি চেয়ারম্যান কবির নিজামী, ৯নং মিরসরাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমরান উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান এম আলাউদ্দিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা সাবরিনা রহমান লিনা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হুমায়ুন কবির খান প্রমুখ। এদিকে জোরারগঞ্জ খেলার মাঠে উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি কায়সার খসরু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্যানেল চেয়ারম্যান-২ ইয়াসমিন আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গির কবির, উপজেলা ক্রিড়া সংস্থার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ৬নং ইছাখালী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা, ৭নং কাটাছরা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম চৌধুরী হুমায়ুন।
এই টুর্ণামেন্টের উভয় মাঠেই হাজার হাজার দর্শক ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ম্যাচ সমূহ উপভোগ করে। টুর্ণামেন্টের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে অন্যতম ছিলো নানান প্রতিকূলতা কাটিয়ে খেলার উপযোগি করে তোলা মাঠ, মেডিকেল টিম, আইন শৃংখলা রক্ষায় বিশেষ আনসার ও পুলিশ বাহিনী। এছাড়া ক্রিড়া কমিটি ও বিভিন্ন উপকমিটি যথেষ্ট সচেষ্টতায় উক্ত ম্যাচকে সফলভাবে সম্পন্ন করায় আশাবাদি বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল কবির।

 

পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে মিরসরাইয়ের মুহুরি প্রজেক্ট

বিশেষ প্রতিনিধি
সুযোগ পেলেই দেখে আসতে পারেন চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মুহুরি প্রজেক্ট। চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মিরসরাইয়ের মুহুরি প্রকল্প সমৃদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে এই জনপদকে। একদিকে পাহাড় আর অপরদিকে সমুদ্র নিকটবর্তী অরণ্য, সাথে নদী, ঝরনা, বন্যপ্রাণী, প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্যময় সম্পদে সমৃদ্ধময় এক জনপদ মিরসরাই। এখানকার মুহুরি প্রকল্প দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এর অবদান বিশাল।

পাশাপাশি মুহুরি সেচ প্রকল্প হতে পারে একটি অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র। প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ এবং এর পারিপার্শ্বিক প্রাকৃতিক অনাবিল নৈসর্গিক শোভা যে কোন পর্যটককে আকর্ষিত করতে পারে। পর্যটন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে গৃহীত যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে এটিকে গড়ে তোলা যায় একটি অনন্য আধুনিক পর্যটন কেন্দ্ররুপে। যা থেকে দেশের পর্যটন খাতে আয় বাড়তে পারে অনেকখানি।

এক সময় ছিল মুহুরি প্রকল্পের স্থানে ছিল দেড় দুই মাইল প্রশস্ত নদী। এপার ওপার ছিল বিচ্ছিন্ন। ফেনী নদী এবং মুহুরি নদীর দু’তীরকে সেচ সুবিধার আওতায় আনার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত পরিকল্পনা মোতাবেক ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছরে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলার সীমান্ত বরাবর বয়ে যাওয়া ফেনী নদী এবং মুহুরি নদীর মোহনার কিছুটা ভাটিতে নির্মিত মুহুরি সেচ প্রকল্প। প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন ফেনী উন্নয়ন বোর্ড। মুহুরি প্রকল্পের অধীনে রয়েছে ফেনী সদর, সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম থানার আংশিক এবং মিরসরাই উপজেলার উত্তরাঞ্চলের বিরাট এলাকা। প্রকল্পাধীন এলাকার আয়তন ৪০,০৮০.৯২ হেক্টর। দেশের যে কোন স্থান থেকে মুহুরি প্রজেক্টের সড়ক যোগাযোগ তথা যাতায়াত ব্যবস্থা যথেষ্ট সুবিধাজনক। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই এলাকার জোরারগঞ্জ বাজারের উত্তর পাশ দিয়ে যে রাস্তাটি পশ্চিম দিকে চলে গেছে, সেটিই একমাত্র রাস্তা। জোরারগঞ্জ থেকে প্রজেক্ট পর্যন্ত আট কিলোমিটার রাস্তাতেই রয়েছে নিয়মিত বাস, জীপ, সিএনজি সার্ভিস।

একাকী কিংবা দলবদ্ধভাবে মুহুরি প্রজেক্টে ভ্রমণের পরিকল্পনা নেয়া যেতে পারে। জোরারগঞ্জ থেকে প্রজেক্ট রোডে ৮ কিলোমিটার চলার পর প্রকল্পের দীর্ঘ ড্যামের (বাঁধের) পূর্ব পর্যন্ত পৌঁছা যাবে। এখান থেকে পায়ে হেঁটে কিংবা গাড়িতে অথবা রিক্সা করে ড্যামের পশ্চিম প্রান্তে দর্শনীয় স্থান রেগুলেটর পর্যন্ত যাওয়া যাবে। বাঁধের উত্তরের নীল জলরাশি আর দক্ষিণের দিগন্ত বিস্তৃত চর এবং প্রকৃতির নৈসর্গিক শোভামণ্ডিত পরিবেশ, পাইন গাছের সারি, ঝাউ বন, প্রাকৃতিক ছনফুলে ভরা ঘাস প্রকৃতির নৈসর্গিক শোভামণ্ডিত পরিবেশ যে কোন পর্যটককেই আকর্ষণ করতে পারে।

দর্শনার্থীদের জন্য অন্যতম প্রধান আকর্ষণ চল্লিশ দরজা বিশিষ্ট সারিবদ্ধ রেগুলেটর। এছাড়া বাঁধের মূলগোড়া থেকে প্রকল্পে প্রবেশ না করে বেড়িবাঁধ দিয়ে সোজা দক্ষিণে এলেই রয়েছে উপকূলীয় বনবিভাগ কর্তৃক সৃজন করা কৃত্রিম বন। এখানে বনের ফাঁকে ফাঁকে সর্পিল আকারে বয়ে গেছে নদী, বনে রয়েছে কৃত্রিম উপায়ে ছাড়া হরিণ, বানরসহ অনেক বন্য পশুপাখি।

এখানে পর্যটকদের জন্য উন্নত সহজ কোন হোটেল বা রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা নেই। তাই নিজ দায়িত্বে খাবারের আয়োজনের জন্যে রেগুলেটরের উত্তর পশ্চিমের ছোট বনে রান্না বান্না ও ভোজের আয়োজন করা যেতে পারে। একটি মাত্র ক্যান্টিন রয়েছে তাও আবার পর্যটক অপ্রতুলতার জন্য অনিয়মিত। দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে ২/১টি অস্থায়ী ভাসমান চা দোকান বসে। তবে এখানে রাত কাটানোর কোন সুব্যবস্থা নেই। পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে মুহুরি সেচ প্রকল্প একটি অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। পর্যটন কর্পোরেশন এ যাবৎ কোন বৃহত্তর পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি। এখনো প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী দূর দূরান্ত হতে এসে প্রজেক্টের আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর দৃশ্যাবলী দেখে রোমাঞ্চিত হয়। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় এখানে সম্প্রতি স্থাপন করা হয়েছে পুলিশ ও আনসার ক্যাম্প। উন্নত এবং আধুনিক ব্যবস্থায় রাত্রিযাপন, খাবারের আয়োজন থাকলে এ স্থানটি আরো আকর্ষণীয় হতে পারে।

মিরসরাইয়ে নয়ন চেয়ারম্যানের আয়োজনে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা


মিরসরাই প্রতিনিধি
‘চল যায় যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে’ এই স্লোগান নিয়ে মিরসরাইয়ে মাদক বিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নকে মাদক মুক্ত করতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়নের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় ১৮টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি, সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (৪সেপ্টেম্বর) করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন। সভায় বক্তব্য মিরসরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি শারফুদ্দীন কাশ্মীর, কমফোর্ট হাসপাতালে চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, সাংবাদিক বিপুল দাশ, এম মাঈন উদ্দিন,

উপজেলা সম্মিলীত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেল, অভিযান ক্লাবের সভাপতি সোলেমান বাদশা ও প্রজম্মের ভাবনা’র মাকসুদ আলম শাহীন। এসময় সাংবাদিক আবু সাঈদ ভূঁইয়া,

রাজু কুমার দে, বাবলু দে, ছাত্রনেতা ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 


মতবিনিময় সভায় বক্তারা মাদক নির্মুলে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।

মিরসরাইয়ের করেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন


মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনায়েত হোসেন নয়ন। এসময় অন্যান্যর মধ্যে দিলীপ বণিক, আমিনুল হক আমিন, রেজাউল করিম নোমান, নিজাম উদ্দিন, ইকবাল মাকসুদ আলম শাহীন, ইকবাল ভূঁইয়াসহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের আহবায়ক, সাংবাদিক শারফুদ্দীন কাশ্মীরের সভাপতিত্বে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরুর পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা পরিচালনা করেন শিক্ষার্থী পরিষদের সচিব আনোয়ারুল আজিম মিল্টন। সাংবাদিক শারফুদ্দীন কাশ্মীর আলোচনায় বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার পূর্ব শর্ত হচ্ছে সংগঠনের ভোটার লিস্ট তৈরী করা। পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী যারা রেজিস্ট্রেশন করবেন তারাই ভোটার হবেন এ সংগঠনের। এই ভোটাররাই ভবিষ্যত নেতৃত্ব সৃষ্টি করবেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কেও সাংবাদিক শারফুদ্দীন কাশ্মীর আলোচনা করেন। তিনি সকলের সহযোগীতাও কামনা করেন।


চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, করেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে। ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা এখন প্রায় দেড়হাজারেরও বেশি। এই প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদকে আরো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারবে।