রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 12

ধানের শীষকে বিজয়ী করতে মিরসরাইয়ের রহমতাবাদে আলোচনা সভা

https://www.facebook.com/share/19rxhMC9KA/?mibextid=wwXIfr
https://www.facebook.com/profile.php?id=61584729110319

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিনের ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড রহমতাবাদে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা মোঃ শরফু উদ্দীন।ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ হানিফ,ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি তারেক হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আলা উদ্দীন,৪ নং ওয়ার্ড বিএপির সভাপতি আবু সুফিয়ান সাধারণ সম্পাদক হারুন মেম্বার, সাবেক সভাপতি মিজানুল হক বাচ্চু, কবি মহিউদ্দীন,আবু নাছের,যুবদলের সদস্য মোঃ নাছির উদ্দীন, শেখ ফরিদ, ছাত্রদলের নেতা জিয়া উদ্দিন, সোহরাব হোসেন সহ ইউনিয়নের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুরে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে আলোচনা সভা

 

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিনের ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, সাবেক চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সেলিম।

৪ নং ওয়ার্ড বিএপির আহবায়ক জাকারিয়া মেম্বার এবং সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান রুমেলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জাসাস সভাপতি ইকবাল হোসেনের সঞ্চালনায়, ইউনিয়ন কৃষকদল সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ইমাম হোসেন বাবলু।

সভায় ইউনিয়নের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের সুরতহাল

ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান

 

 

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বীরত্বগাথা ও রাজনীতিবিদ হিসাবে চরিত্র বিনির্মাণ করতে হলে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও থিয়েটার রোডের মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ ও স্বরূপ, পঁচাত্তরের পরের দিশেহারা রাজনীতির প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান ও এর সঠিক উপলব্ধি ও সবিচার বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

পেশাদারত্ব তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম প্রধান একটি দিক। সৈনিক জিয়া ১৯৬৫ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে পোস্টিং পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়। তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘আলফা কোম্পানির’ কমান্ডার হিসাবে ‘খেমকারান’ রণাঙ্গনের বেদিয়ান-এ যুদ্ধে সাহসিকতা প্রদর্শন ও পেশাদারত্বের কৃতিত্ব হিসাবে তার কোম্পানির সর্বাধিক বীরত্বসূচক পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৯ সালে মেজর জিয়া ঢাকায় পোস্টিংয়ের সুবাদে দেশে ফিরে আসেন। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের দ্বিতীয় প্রধান হিসাবে চট্টগ্রামে দায়িত্ব গ্রহণের এক বছর পার না হতেই পরিস্থিতি বিস্ফোরোণ্মুখ হয়ে উঠতে থাকে। শুরু হয় ২৫ মার্চের কালরাত। বেগম খালেদা জিয়া ও দুই শিশু সন্তানকে চট্টগ্রামে অরক্ষিত অবস্থায় রেখেই মেজর জিয়া স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর এ অবস্থার অবসান হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে।

পরাজিত হলে নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যা তাকে অসীম সাহসী দেশপ্রেমিক হিসাবে অসামান্য উচ্চতা দান করেছে। জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উজ্জীবিত ও উদ্দীপ্ত হয়ে তাদের লেখায় তার প্রশংসা করেছেন। জিয়াই হলেন বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা, রণাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে যার ছবি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম মিউজিয়ামে অমর কীর্তি হিসাবে সংরক্ষণ করে রাখা আছে। রণাঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ১৯৭২ সালে তাকে যুদ্ধফেরত মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। এটি সন্দেহাতীতভাবেই তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে গৃহীত একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

১৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পেছনে জিয়াউর রহমানকে অনেকেই অনুমাননির্ভর মূল্যায়ন করে থাকেন। দুটি ঘটনা উল্লেখ করে বলা যায়, যেখানে পটপরিবর্তনের কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা ছিল না মর্মে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। প্রথম ঘটনাটি হলো, ঢাকার ৪৬ ব্রিগেড কমান্ডার কর্নেল সাফায়াত জামিল ১৫ আগস্টের ট্র্যাজেডির পর ওই বিষয়ে অবহিত করার পরও জিয়ার মধ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করার কোনো ধরনের লক্ষণ কিংবা আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়নি বরং অতি সংক্ষেপে বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার পক্ষেই তিনি মতপ্রকাশ করেন। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হওয়ার পর। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫, সাফায়াত জামিল জিয়ার কক্ষে বসে আছেন। এমন সময় সদ্য পদোন্নতি পাওয়া এবং সরকারি আদেশে দিল্লিতে অবস্থানরত মেজর জেনারেল এরশাদ সেনাবাহিনী প্রধান জিয়াউর রহমানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এরশাদকে দেখে জিয়াউর রহমান রেগে গিয়ে উচ্চৈঃস্বরে বলেন, ‘আপনি অনুমতি ছাড়া কেন দেশে ফিরে এসেছেন?’ জবাবে এরশাদ বলেন, ‘আমার স্ত্রীর জন্য গৃহভৃত্য নিতে এসেছি।’ ততোধিক রেগে গিয়ে জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আপনার মতো সিনিয়র অফিসারদের এ ধরনের লাগামহীন আচরণের জন্যই জুনিয়র অফিসাররা রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করে দেশের ক্ষমতা দখলের মতো কাজ করতে পেরেছে।’ একই সঙ্গে তিনি এরশাদকে বঙ্গভবনে যেতে নিষেধ করেন এবং পরের ফ্লাইটেই দিল্লি যেতে নির্দেশ প্রদান করেন।

৭৫-এর নভেম্বরে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণ ছিল সময়ের দাবি। সংকট, সন্দেহ, পারস্পরিক দোষারোপ, ক্যু ও পালটা ক্যুর অগ্নিঝরা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সিপাহি-জনতা অবরুদ্ধ জিয়াকে মুক্ত করে কীভাবে দেশ পরিচালনার গুরুদায়িত্ব প্রদান করেছেন, সে সম্পর্কে ইতিহাস সচেতন দেশবাসী অবগত আছেন। জিয়ার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে শুধু শাসক পরিবর্তন হয়েছে তা নয়, বরং বাংলাদেশ রাষ্ট্র কেমন হবে; এর দার্শনিক ভিত্তি কী হবে, এর একটি সুনির্দিষ্ট ও প্রায়োগিক রূপরেখা পাওয়া গেছে। জিয়া প্রতিশোধপরায়ণ ছিলেন না। বহুবার বৈষম্য ও অবজ্ঞার শিকার হয়েও শত্রু চিহ্নিত করে নির্মূল করার পথে না হেঁটে বাংলাদেশকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসাবে গঠন করার নিমিত্তে জিয়া সর্বস্তরের জ্ঞানীগুণী মানুষের সম্মিলন ঘটিয়েছেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দার্শনিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেছেন, যা পর্যায়ক্রমে ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

১৯৭৮ সালের ৩১ আগস্ট এই দল গঠন করা হয়। সাধারণত ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে থেকে, রাজপথে কিংবা আলোচনার টেবিলে এ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে। সে বিবেচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ব্যতিক্রম। কারণ এটি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জিয়াউর রহমানের মস্তিষ্কজাত রাজনৈতিক মতাদর্শ। সংগত কারণে অনেকের মধ্যে সংশয় ছিল, এটি কি রাজনৈতিক দল নাকি একটি ‘প্রবণতা’। কিন্তু সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করে এ দলটি শুধু জনগণের সমর্থন আদায় করে প্রভাবশালী দল হিসাবেই স্থায়িত্ব অর্জন করেনি বরং জিয়া পরবর্তী সময়ে তিনবার গ্রহণযোগ্য অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে দেশ শাসন করেছে। জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন দেশব্যাপী বুদ্ধিজীবী সমাজে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। অধ্যাপক আহমদ শরীফ এ রাষ্ট্র দর্শনের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় জাতীয়তাবাদে প্রান্তিক আদিবাসীরাও গোত্র, ভাষা, সংস্কৃতি নির্বিশেষে সবাই সমমর্যাদা ও সমঅধিকারের স্বীকৃতি পায়, জিম্মি থাকে না।

জিয়াউর রহমান সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযুক্ত করার মাধ্যমে মূলত রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি একদিকে যেমন অমুসলিম নাগরিকদের জাতীয় পরিচয় সমুন্নত রেখেছেন, অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের মানসিক অধিকার ও স্বাধীনতা চর্চার প্রতি আন্তরিক সমর্থনের নিদর্শন হিসাবে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ যুক্ত করেছেন।

তার এ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বিচক্ষণতার পরিচয় বহন করে। বাংলাদেশে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা ও নির্মোহ অকপট ভাবনার অতুলনীয় পণ্ডিত আহমদ ছফার একটি উক্তিতে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ছফা বলেন ‘ইসলামের সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যোগহীন রাজনীতির কোনো ভবিষ্যৎ এ দেশে নেই।’

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয়তাবাদী দলের জনপ্রিয়তার পেছনে অন্য কারণ হলো-জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি। এ ভাবমূর্তি তৈরির পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত জীবনে ব্যতিক্রমহীনভাবে সদগুণাবলীর চর্চা। এ বিষয়ে অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে। একটি উদাহরণ দিয়ে আলোচনাটি শেষ করতে চাই। কাফি খান ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রেস সচিব। যিনি এক সময় ভয়েস অব আমেরিকার সংবাদ পাঠক ছিলেন। খুব কাছ থেকে তিনি জিয়াউর রহমানকে দেখেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আত্মীয়স্বজনদের কেউ কোনো তদবিরের জন্য বঙ্গভবনে বা তার বাসায় আসার সাহস পায়নি। তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে একমাত্র দেখা যেত রাষ্ট্রপতি জিয়া কোনো রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশে গেলে সফরসঙ্গী হিসাবে। তা-ও সব সফরে নয়।… তিন-চার হাজার টাকার মতো বেতন পেতেন। সেখান থেকে ১৫০ টাকা রাষ্ট্রপতির রিলিফ ফান্ডে জমা দিতেন। বাকি টাকা দিয়ে সংসার চালাতেন।

একই ধরনের মূল্যায়ন করেছেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত এত কঠোর রাষ্ট্রনায়ক আমি আগে কখনো দেখিনি (ভাসানীমঞ্চ, একটি অরাজনৈতিক সংগঠন)।’

এ দলের গ্রহণযোগ্যতার পেছনে আরেকটি কারণ হলো-কার্যকর সাংগঠনিক পদক্ষেপ এবং উন্নয়নমূলক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ। বিষয়টি যথাযথভাবে ব্যাখ্যার জন্য বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। যা একটি স্বতন্ত্র প্রবন্ধ রচনার দাবি রাখে।

যে কথা বলে শেষ করতে চাই-জিয়ার জাতীয়তাবাদী দর্শনের মর্মকথা হলো, শুধু ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমেই স্বাধীনতা অর্জনের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের ওপর প্রতিষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী দলের মতাদর্শের সঠিক উপলব্ধি ও এর বাস্তবায়ন। এ লক্ষ্য অর্জনে জিয়ার উজ্জ্বল ভাবমূর্তি ভূমিকা রাখবে, তাতে সন্দেহ নেই।

গ্রিক দার্শনিক ও মানবজাতির অন্যতম শিক্ষক হিসাবে খ্যাত মনীষী অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, নৈতিকভাবে আলোকিত সমাজ কিংবা রাষ্ট্রীয় জীবনের জন্য প্রয়োজন সদগুণচর্চা, যা নৈতিকভাবে অনুকরণযোগ্য নেতৃস্থানীয় পূর্বসূরিদের অনুসরণ করে করতে হয়। যেমন-সততা, মহত্ব, সাহস, বন্ধুত্ব ইত্যাদি। সদগুণচর্চার ক্ষেত্রে সেসব আলোকিত পূর্বসূরিদের অনুসরণ করতে হবে, যারা শত বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শচর্চায় অটল ছিলেন। ব্যক্তি পর্যায়ে কিংবা সামগ্রিকভাবে সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে চাইলে সবাইকে এ আত্মজিজ্ঞাসার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেই হবে এবং এক্ষেত্রে উত্তীর্ণ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এখন প্রয়োজন জিয়ার গুণাবলীতে অনুপ্রাণিত ও আলোকিত নেতাকর্মী ও সমর্থক। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শন উপলব্ধি, চর্চা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যেসব নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়িত, তাদের জন্য আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব কিছু নয়, কারণ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রবক্তা জিয়াউর রহমান স্বয়ং এক্ষেত্রে অনুকরণযোগ্য ব্যক্তিত্ব।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান : উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

মিরসরাইয়ে মাইজগাঁও ডে-নাইট শট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন দুর্বার ক্রীড়া সংঘ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি ::

মিরসরাইয়ে মাইজগাঁও ক্রীড়া সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ডে-নাইট শট পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ও ফাইনাল খেলাসহ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন সেলিম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ওলামা দলের যুগ্ম সম্পাদক খায়ের উদ্দিন মাসেক, সমাজ সেবক ফখরুল ইসলাম, ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইলিয়াস উদ্দিন মাসুদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন এবং যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আরিফ হোসেন।

টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল এম এইচ ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের কর্ণধার সালাউদ্দিন চেয়ারম্যান এবং তাঁর ছোট ভাই আমেরিকান প্রবাসী সমাজসেবক সাইফুদ্দিন ভূঁইয়া এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমরান কবির শুভ, রায়হান উদ্দিনসহ অন্যান্যরা। পুরো টুর্নামেন্টের সুষ্ঠু আয়োজন ও পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেন মাইজগাঁও ক্রীড়া সংঘের সদস্যবৃন্দ।

ফাইনাল খেলায় ব্রাদার্স স্কোয়াডকে ২০ রানে পরাজিত করে দুর্বার ক্রীড়া সংঘ চ্যাম্পিয়নের গৌরব অর্জন করে। ফাইনাল ম্যাচে দুর্বার ক্রীড়া সংঘের অধিনায়ক মো. নাজিম ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন এবং ইমাম সেরা ব্যাটসম্যানের পুরস্কার অর্জন করেন।

খেলা শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও প্রাইজমানি এবং পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় ফাউন্ডেশনের কর্ণধারদের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন এম এইচ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

উল্লেখ্য, এম এইচ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছে।

মিরসরাইয়ে স্বেচ্ছায় সড়ক সংস্কার করলো কৃষকদল

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের মনু ভূঁইয়াপাড়া সড়কের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বেচ্ছায় সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করেছেন উপজেলা কৃষকদল। শুক্রবার বিকালে সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন মিরসরাই উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মো. আশরাফ উদ্দিন।

স্থানীয়রা জানান, সড়কটি বেশ কয়েক বছর ধরেই খানাখন্দে ভরা ছিল। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ায় হাঁটাচলা থেকে শুরু করে যানবাহন চলাচল সবকিছুতেই দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে স্কুলকলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কষ্ট ছিল সীমাহীন।

স্থানীয় ভুক্তভোগী শোয়েব হাসান বলেন বলেন, অনেকদিন ধরে আমরা এই সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। অবশেষে কাজ শুরু হয়েছে দেখে আমরা খুবই খুশি। কাজটি দ্রুত শেষ হলে আমাদের দৈনন্দিন জীবন অনেক সহজ হবে।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, মিরসরাইবাসীর কল্যাণে ও এলাকার উন্নয়নে আমি সবসময় কাজ করে যেতে চাই। মায়ানী ইউনিয়নের মনু ভূঁইয়াপাড়া সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়েছিল। সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি দেখে আমার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় সড়কটির ব্রিক সলিংয়ের কাজ শুরু করেছি। দুয়েকদিনের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

 

মিরসরাইয়ে তারুণ্যের নির্বাচনী ভাবনা ও প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে “ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী তারুণ্যের নির্বাচনী ভাবনা ও প্রত্যাশা” শীর্ষক একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা, নৈসর্গিক মহামায়া লেকের মনোরম পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিন মনোনীত সংসদ পদপ্রার্থী নুরুল আমিন।

মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের আশাকাঙ্খা ও প্রত্যাশার একটি বাস্তব প্রতিফলনে পরিণত হয়।

 

মুক্তমঞ্চে শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথির নিকট নিজেদের আশা ভরসা, প্রত্যাশা, প্রশ্ন ও ভবিষ্যৎ ভাবনা অকপটে উপস্থাপন করেন। সমসাময়িক সামাজিক, শিক্ষাগত ও নাগরিক নানা সমস্যা আলোচনায় উঠে আসে এবং একটি শিক্ষাবান্ধব, বৈষম্যহীন ও নিরাপদ সমাজ গঠনের দাবি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল আমিন বলেন, ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান তরুণ সমাজের শক্তি, সচেতনতা ও ন্যায়ের আকাঙ্খার প্রতীক। তিনি এই গণ অভ্যুত্থানের শক্তিকে সমুন্নত রেখে বৈষম্যহীন ও নিরাপদ সমাজ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়েই একটি সমৃদ্ধ, দক্ষ ও উন্নত মিরসরাই গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানটি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও উপস্থিত সুধীজনদের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী ও জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এ ধরনের গঠনম‚লক সংলাপ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

 

ভলিবল ও ক্রিকেটে চট্টগ্রাম জেলায় চ্যাম্পিয়ন মিরসরাইয়ের করেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাই উপজেলার করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয় ক্রিকেট ও ভলিবলে চট্টগ্রাম জেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ৫৪ তম জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উভয় বিভাগে বাজিমাত করেছে ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর কলিজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বিদ্যালয়টি। কলিজিয়েট স্কুল শুরুতে ব্যাটিং করে ৪৪ রানে অলআউট হয়। ৪৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১ উইকেটে হারিয়ে ৯ উইকেটে জয়ী হয় করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়। এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ে ভলিবল খেলায় চ্যাম্পিয়ন মিরসরাই উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করা করেরহাট কামিনী মজুমদার উচ্চ বিদ্যালয়। তারা চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন ভ‚ঁইয়া জানান, উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জেলা পর্যায়েও মিরসরাইয়ের নাম উজ্জ্বল করেছে আমাদের বিদ্যালয়ের ছেলেরা। গতবছর গুলোতেও এমন অর্জন ছিল। আশা করি আমাদের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এমরান হোসেন শামীম বলেন, ভলিবল ও ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন আমাদের প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি উপজেলায় অনেক বৈষম্যের শিকার হয়??। তারপরও আমরা আমাদের ছেলেদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে চেষ্টা করেছি। আমাদের ক্রীড়া শিক্ষক পলাশ মল্লিক স্যারের তত্ত্বাবধানে ও সবার আন্তরিকতায় আমরা আজ এতো টুকু। আশা করি আগামীতে আরও ভালো অবস্থানে যাবে আমাদের টিম।

 

মিরসরাইয়ে নীরিহ মানুষকে গ্রেফতার না করার অনুরোধ বিএনপি প্রার্থীর

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন বলেন, আমি একটি বিষয়ে খুবই শঙ্কিত। ইতোমধ্যে দেখতে পাচ্ছি ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগের মনোভাব কমে যাচ্ছে দিন দিন। সেটার কারণ হিসেবে দেখছে ভোটাররা শঙ্কিত ওরা ভোট দিতে পারবে কিনা। ইতোমধ্যে অনেক ভোটার যাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই, যাদের বিরুদ্ধে কোন গ্রেফতারি পরোয়ানা নেই, এমনকি সাধারণ মানুষদের গ্রেফতার করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে আমরা মনে করি। বিষয়টি আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যদি ভোট প্রদানে ভোটারের সংখ্যা কমে যায় ভোট তাহলে একটি গুষ্টি দেশে-বিদেশে থেকে আমাদের নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করবে। তিনি মিরসরাই উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সহ আচরণবিধির সার্বিক বিষয় নিয়ে অবহিতকরণ সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ভোটারদের মনে যেন কোন রকম ভয় ভীতি না আসে, শুধু আমাদের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে ভোটারদের ভয় ভীতি দেখানো হচ্ছে বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বর্তমানে ভোটাররা অনেক শঙ্কিত। তারা ভোট দিতে পারবে না। ভোটারদের ভোট প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। ভোটাররা যাতে কোন রাজনৈতিক দলের কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্বারা হয়রানি না হয় সে ব্যপারে দৃষ্টি রাখা উচিৎ।

নুরুল আমিন উপজেলায় ১০৬ টি ভোটকেন্দ্রে কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানেিয় বলেন, রাজনৈতিক অপর পক্ষ নতুন জালিয়াতির মাধ্যমে সিসিটিভি ক্যামেরা ফাঁকি দিয়ে ভিন্ন পন্থায় ভোট প্রয়োগের চেষ্টা চালাবে বলে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। সে ব্যাপারে প্রশাসন সজাগ দৃষ্টি রাখবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। তিনি প্রত্যেকটি কেন্দ্রের বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।

মিরসরাই উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নির্বাহী অফিসার সোমাইয়া আক্তারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) আলাউদ্দিন কাদের, মিরসরাই ও জোরারগঞ্জ থানার ওসি, সেনাবাহিনী, বিজিবির প্রতিনিধি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এডভোকেট ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব এর প্রার্থী রেজাউল করিম, জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ জুলফিকুল বুলবুল ও জাসদ (আসম আব্দুর রব) মনোনীত প্রার্থী একেএম আবু ইউসুফ।

 

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিএনপির দোয়া মাহফিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মিরসরাইয়ে দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সোনালী কমিউনিটি সেন্টারে জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য বেলাল হোসেনের উপস্থাপনায় সাবেক আহবায়ক সাইদুর রহমান নশুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাসুকুল আলম সোহান, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক গোলাম জাকারিয়া, জোরারগঞ্জ থানা যুবদলের আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, আহবায়ক মাঈন উদ্দিন লিটন, বিএনপি নেতা লায়ন তাহের আহম্মদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ফখরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা দাউদুল ইসলাম মিশন, মেজবাউল হক মানিক, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শওকত আকবর সোহাগ, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ জিপসন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাহিদুল আফসার জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন রুবেল প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির নাম দিয়ে কেউ অন্যায় করতে পারবেনা। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মাদকের সাথে জড়িতদের ধানের শীষের নির্বাচন থেকে দুরে থাকার নির্দেশ দিচ্ছি। ভোট করতে হলে মাদক ব্যবসা ও সেবন ছাড়তে হবে। নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য সকল মতভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা মিথ্যা অভিযোগে তাঁকে কারাগারে আটকে রেখে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে গণতন্ত্রের অপ‚রণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি ছিলেন আপোষহীন নেত্রী। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের অধিবাসী করেন।

 

মিরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়নের ৯ ওয়ার্ডে খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মিরসরাইয়ের ধুম ইউনিয়নের নয় ওয়ার্ডে
    খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

মিরসরাই প্রতিনিধি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে মিরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ৯টি ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ( ১২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মেজবা উল হক মানিকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী, আহবায়ক মাঈন উদ্দিন লিটন, বিএনপি নেতা লায়ন তাহের আহম্মদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ফখরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জাহিদুল আফছার জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন রুবেল প্রমুখ।