সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 23

বিপিএল নিলাম: কোন দলে কারা খেলবেন, কোন দল কত টাকা খরচ করল।

 

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর শুরু হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। তার আগে আজ হয়ে গেল নিলাম। যেখানে সর্বোচ্চ দাম পেয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম। ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তাকে কিনেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
চলুন দেখা যাক, নিলামে কোন দল কত টাকা খরচ করল। নিলাম শেষে কোন দল কেমন হলো…

কোন দল কত টাকা খরচ করল

বিপিএল নিলামে স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা খরচ করতে পারত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। কিন্তু কেউই তা করেনি। ১২ ক্রিকেটার নিতে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছে রংপুর রাইডার্স।

নিলামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টাকা খরচ করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। ৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা খরচ করেছে তাঁরা। এর মধ্যে প্রথম ডাকে মোহাম্মদ নাঈমকে কিনতেই ১ কোটি ১০ লাখ টাকা খরচ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সবচেয়ে বেশি ১৩ ক্রিকেটার নেওয়া রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

নিলামে সবচেয়ে কম টাকা খরচ করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। ২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা খরচ করে স্থানীয় ১২ ক্রিকেটারকে কিনেছে তারা। ২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা খরচ করেছে সিলেট টাইটানস। ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা খরচ করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

বিদেশি ক্রিকেটার কিনতে দলগুলো খরচ করতে পারত ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত। কিন্তু নোয়াখালী এক্সপ্রেস, রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ৫০ হাজার ডলারও খরচ করেনি। সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ডলার খরচ করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস, নিলাম থেকে একমাত্র তাঁরাই তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার কিনেছে।

কোন দল কেমন হলো

বিপিএলের ১২তম আসরের নিলাম শেষ হয়েছে। দেশি ও বিদেশি ক্রিকেটার মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় চট্টগ্রাম রয়্যালস দলে নিয়েছে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমকে। তাওহিদ হৃদয় ৯২ লাখ ও লিটন দাস ৭০ লাখে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ দামি ক্রিকেটার হিসেবে গেছেন রংপুর রাইডার্সে। এক নজরে দেখে নিন নিলাম শেষে কেমন হলো দলগুলো।

 

ঢাকা ক্যাপিটালস

সরাসরি চুক্তি: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, উসমান খান, অ্যালেক্স হেলস
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় বিদেশি ক্রিকেটার: শামীম হোসেন (৫৬ লাখ), সাইফউদ্দিন (৬৮ লাখ), মোহাম্মদ মিঠুন (৫২ লাখ), তাইজুল ইসলাম (৩০ লাখ), সাব্বির রহমান (২৮ লাখ) , নাসির হোসেন (১৮ লাখ), তোফায়েল আহমেদ (১৮ লাখ), ইরফান শুক্কুর (১৮ লাখ), আবদুল্লাহ আল মামুন (১৪ লাখ), মারুফ মৃধা (১৪ লাখ), জায়েদ উল্লাহ (১১ লাখ), দাসুন শানাকা (৫৫ হাজার ডলার), জুবাইরউল্লাহ আকবর (২০ হাজার)

 

 

চট্টগ্রাম রয়্যালস

সরাসরি চুক্তি: মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম, আবরার আহমেদ
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় বিদেশি ক্রিকেটার: মোহাম্মদ নাঈম (১ কোটি ১০ লাখ), শরীফুল ইসলাম (৪৪ লাখ), আবু হায়দার (২২ লাখ), মাহমুদুল হাসান (৩৭ লাখ), সুমন খান (৩২ লাখ), জিয়াউর রহমান (৩০ লাখ), আরাফাত সানি (১৮ লাখ), মুকিদুল ইসলাম (৩৩ লাখ), সালমান হোসেন (১৪ লাখ), শুভাগত হোম (১৪ লাখ), জাহিদুজ্জামান (১১ লাখ), নিরোশান ডিকভেলা (৩৫ হাজার ডলার), অ্যাঞ্জেলো পেরেরা (২০ হাজার ডলার)

 

রংপুর রাইডার্স

সরাসরি চুক্তি: নুরুল হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, খাজা নাফি, সুফিয়ান মুকিম
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় বিদেশি ক্রিকেটার: লিটন দাস (৭০ লাখ), তাওহিদ হৃদয় (৯২ লাখ), নাহিদ রানা (৫৬ লাখ), রাকিবুল হাসান (৪২ লাখ), আলিস আল ইসলাম (২৮ লাখ), মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী (১৮ লাখ), নাঈম হাসান (১৮ লাখ), মেহেদী হাসান সোহাগ (১১ লাখ), মাহমুদউল্লাহ (৩৫ লাখ), আব্দুল হালিম (১১ লাখ), এমিলিও গে (১০ হাজার ডলার), মোহাম্মদ আখলাক (১০ হাজার ডলার)

 

সিলেট টাইটানস

সরাসরি চুক্তি: নাসুম আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ আমির
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় বিদেশি ক্রিকেটার: পারভেজ হোসেন (৩৫ লাখ), খালেদ আহমেদ (৪৭ লাখ), আফিফ হোসেন (২২ লাখ), রনি তালুকদার (২২ লাখ), জাকির হাসান (২২ লাখ), রুয়েল মিয়া (২৩ লাখ), আরিফুল ইসলাম (২৬ লাখ), ইবাদত হোসেন (২২ লাখ), শহীদুল ইসলাম (১৪ লাখ), রাহাতুল ফেরদৌস (১৪ লাখ), তৌফিক খান (১৪ লাখ), মুমিনুল হক (২২ লাখ), রবিউল ইসলাম (১১ লাখ), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস (৩৫ হাজার ডলার), অ্যারন জোন্স (২০ হাজার ডলার)

 

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

সরাসরি চুক্তি: নাজমুল হোসেন, তানজিদ হাসান, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নেওয়াজ
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় বিদেশি ক্রিকেটার: তানজিম হাসান (৬৮ লাখ), ইয়াসির আলী (৪৪ লাখ), আকবর আলী (৩৪ লাখ), রিপন মণ্ডল (২৫ লাখ), জিসান আলম (১৮ লাখ), হাসান মুরাদ (১৮ লাখ), আবদুল গাফফার (৪৪ লাখ), এসএম মেহেরব হাসান (৩৯ লাখ), ওয়াসী সিদ্দিকী (১৯ লাখ), মোহাম্মদ রুবেল (১১ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৩৫ লাখ), দুশান হেমান্ত (২৫ হাজার ডলার), জাহানদাদ খান (২০ হাজার ডলার)

 

নোয়াখালী এক্সপ্রেস

সরাসরি চুক্তি: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, জনসন চার্লস, কুশল মেন্ডিস
নিলাম থেকে নেওয়া স্থানীয় বিদেশি ক্রিকেটার: জাকের আলী (৩৫ লাখ), মাহিদুল ইসলাম (৩৫ লাখ), হাবিবুর রহমান (৫০ লাখ), নাজমুল ইসলাম (১৮ লাখ), আবু হাশিম (১৮ লাখ), মুশফিক হাসান (১৮ লাখ), শাহাদাত হোসেন (১৮ লাখ), রেজাউর রহমান (১৮ লাখ), মেহেদী হাসান (১৪ লাখ), সৈকত আলী (১৪ লাখ), সাব্বির হোসেন (১৪ লাখ), ইহসানউল্লাহ (২৮ হাজার ডলার), হায়দার আলী (২৫ হাজার ডলার)

 

বেগম জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও নুরুল আমিনের নির্বাচনী প্রচারণা

১০ নং মিঠানালা ইউনিয়ন কৃষকদল
১০ নং মিঠানালা ইউনিয়ন কৃষকদল
৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন
৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন
৬নং ইছাখালী ইউনিয়ন

 

৬নং ইছাখালী ইউনিয়ন
৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন
৮নং দুর্গাপুর ইউনিয়ন
মিরসরাই উপজেলা ওলামা দল
১৩নং মায়ানী ইউনিয়ন
৬নং ইছাখালী ইউনিয়ন

 

bmnews24 whats app number

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস: তদন্ত কমিশন

বিডিআর বিদ্রোহে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্ত কমিশন বলেছে, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে দলগতভাবে জড়িত আওয়ামী লীগ। আর মূল সমন্বয়কারী ছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস।

কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছে।

কমিশনের প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কাজ শুরু করি, তখন ১৬ বছর আগের এই ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন। আমরা দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারও কারও আট ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য শুনেছি। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যাঁরা তদন্তে জড়িত ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের তদন্তের রিপোর্ট সংগ্রহ করেছি, অন্যান্য উপাদান সংগ্রহ করেছি।’

ফজলুর রহমান বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে, উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে থাকল, অ্যাকশন নিল না?

কমিশন প্রধান বলেন, তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ সময় তদন্তে কী পাওয়া গেছে, তা নিয়ে কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনার কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ বের করেছে কমিশন। এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের রক্ষা করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে এবং বের হওয়ার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিলেন।

জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল। তিনি এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও। এ ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও র‍্যাব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা।

জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, ওই ঘটনার সময় কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং কয়েকজন সাংবাদিকের ভূমিকা ছিল অপেশাদার। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেন, তাঁদের সঠিক নাম–পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।

কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোয় এ ধরনের ঘটনা এড়ানো যায় এবং এ ঘটনার ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পান।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে ছিল। আপনারা সত্য উদ্‌ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন, জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয় বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।

মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বাধীন এ কমিশনের সদস্যরা হলেন মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, এম আকবর আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি।

খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিএনপির চেয়াপারর্সন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় মিরসরাই উপজেলা, মিরসরাই পৌরসভা, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্দ্যেগে দোয়া মাহফিল (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম- ১ মিরসরাই আসনের ধানের শীষের নির্বাচনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাইয়ের ধানের শীষের প্রার্থীজনাব নুরুল আমিন চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পৌরসভার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবূন্দ।

মিরসরাইয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলো ২ হাজার মানুষ



মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আদর্শ গ্রাম শেখটোলা সমাজকল্যাণ সংস্থার ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠন ও লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং মিরসরাই’র যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) উত্তর মঘাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিনামূল্যে এই চক্ষু শিবির ও মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান চৌধুরীর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জামশেদ আলম চৌধুরী তপুর সঞ্চালনায় আলোচনা পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপসচিব জাহিদ ইকবাল, মিরসরাই উপজেলা বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, উপদেষ্টা সাবেক অধ্যক্ষ হাসান খান চৌধুরী, ড. কামাল উদ্দিন, লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি ৪ এর রিজিওনাল চেয়ারপার্সন লায়ন মাঈন উদ্দিন মনি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি একরামুল হক, সহ-সভাপতি খোন্দকার মিলাদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক তানভীর করিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম, শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক জোবায়ের আলম চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাঈদ হোসেন রিপন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মাওলা উদ্দিন চৌধুরীসহ সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, লিও ক্লাব চিটাগং মিরসরাই’র সদস্যরা।
দিনব্যাপী সেবার মধ্যে ছিল বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, চশমা প্রদান, অপারেশনের মাধ্যমে লেন্স প্রতিস্থাপন, স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ বিতরণ, ডায়াবেটিক টেস্ট ও বøাড গ্রæপিং। চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন লায়ন্স হাসপাতালের চিকিৎসকবৃন্দ। স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন আদর্শ গ্রাম শেখটোলার উপদেষ্টা ও অর্থোপেডিক সার্জন ড. ইকবাল হোসেন চৌধুরী, মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমুল হাসান রিয়াদ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. চৌধুরী আদনান সামি, মেডিসিন ও বাত ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডা. নাসিম রেজা চৌধুরী, গাইনী বিশেষজ্ঞ ডা. জোনাকি দেবী ও ডা. আগ্রশী দেবী।

মিরসরাইয়ে যুবদল নেতা আবু ছায়েদের উপর হামলা

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে আবু ছায়েদ নামে এক যুবদল নেতার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাবির দোকান এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হলে চমেকে প্রেরণ করা হয়। আহত আবু ছায়েদ মিঠানালা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সালা উদ্দিনের ছেলে ও একই ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি।

মিঠানালা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মোহম্মদ হানিফ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় ইকোনমিক জোন এলাকায় মান্নান, রাজু, সাদু মোল্লা, শহিদ, আলমগীর এর নেতৃত্বে ছায়েদ এর উপর অতর্কিত হামলা করে। তার বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ভালো না।

১০ নং মিঠানালা ইউনিয়ন ৪নং ওয়াড যুবদলের কর্মী ছায়েদ এর উপর হামলা। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ।

এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম জানান, হামলার ঘটনায় আমি অবগত নই। কেউ থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হব

নির্বাচনকে ঘিরে মিরসরাইয়ে বিএনপির উঠান বৈঠক

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মিরসরাইয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার ৭নং কাটাছরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান।

৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নাসির মেম্বারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৭নং কাটাছরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক নুরুল আলম মেম্বার, যুগ্ম আহবায়ক ওমর ফারুক, জসিম, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু দাউদ, তারেক জিয়া যুব পরিষদের চট্টগ্রাম উত্তরজেলার সভাপতি সাইফুল ইসলাম, যুবদল নেতা শোভন, দিদার, ৭নং কাটাছরা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব কামরুল সহ- ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বলেন, ১৭ বছর মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারেনি। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছে। কিন্তু একটি অদৃশ্য শক্তি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসতে হলে ঐক্যবদ্ধের বিকল্প নেই।

 

মিরসরাইয়ের হিঙ্গুলীতে বিএনপি নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

মিরসরাই প্রতিনিধি:
মিরসরাই উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হিঙ্গুলী ইউনিয়নের শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সামনে থেকে শুরু করে বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি সড়কে গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হিঙ্গুলী জিয়া সংসদের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এনামুল হকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক সোহাগ, সাবেক সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া. চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ জিপসন, পৌরসভা যুবদলের আহবায়ক নুরুল আবছার মিয়াজী, সদস্য সচিব ফয়েজ উদ্দিন, বিএনপি নেতা মীর হোসেন মীরালী, ও বারইয়ারহাট পৌরসভা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহন দে, সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম সহ হিঙ্গুলী ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মিরসরাইয়ে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত শীর্ষক ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামত’ শীর্ষক ৩১ দফা কর্মস‚চি নিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১১ অক্টোবর) উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নে মিঠানালা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. হানিফের নেতৃত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মো. শরফুদ্দিনের সার্বিক তত্ত¡াবধানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মস‚চিতে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ, মো. রিয়াদ, বিএনপি নেতা ডা. নুর উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আজিম উদ্দিন রুবেল, কৃষকদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. নুর আলম ও সাদেক হোসেন, যুবদল নেতা মাঈন উদ্দিন, শেখ ফরিদ, জানে আলম, মাসুদ, বাহার, নয়নসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘জনগণের মুক্তি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা হলো একটি যুগান্তকারী রূপরেখা। এই দফাগুলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে মাঠ পর্যায়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

এসময় স্থানীয় জনগণের মধ্যে লিফলেট বিতরণ ও কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয়।

 

মিরসরাইয়ে খাল পরিস্কার করে পানি প্রবাহ সচল করলো যুবদল নেতা

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের করেরহাট বাজারের উত্তর পাশে খালের উপর ময়লা আবর্জনা স্তূপের কারণে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সড়কের পূর্ব পাশের ছত্তরুয়া গ্রামের একাংশে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া ফসলি জমিতে পানি জমে থাকায় ফসল হানির আশঙ্কা ছিল।

রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে যুবদল নেতা রেজাউল করিম হক সাব এর উদ্যোগে ব্রীজের নিচ থেকে স্কেভেটর দিয়ে ময়লা অপসারণ করা হয়। এতে পানির প্রবাহ সচল হয়।

যুবদল নেতা রেজাউল করিম হক সাব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজের নিচে ময়লা আর্বজনায় পানি যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। এতে বাজার কেন্দ্রীক গ্রাম গুলোর রাস্তা পানিতে প্লাবিত হয়ে মানুষের চলাচল অনেকটা কষ্টকর হয়ে যায় এবং ফসলি জমি গুলোর অনেকটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায় এমন অবস্থায় জনতার নেতা জনাব নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এর নির্দেশনায় পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করেছি।