বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 50

জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় বারইয়ারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ দক্ষিণ গেইট থেকে মিছিলটি শুরু হয়।

থানা জামায়তের বায়তুলমাল সম্পাদক আবদুল গফুর এর পরিচালনায় মিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী জোরারগঞ্জ থানার আমীর ও সাবেক কাউন্সিলর মাওলানা নুরুল হুদা হামিদী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. মাইন উদ্দিন, থানা প্রশিক্ষণ সম্পাদক আনোয়ার হোসাইন, শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মো. ফারুক,আবুু তাহের, জসিম উদ্দিন, জোরারগঞ্জ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সেক্রেটারি রেদুয়ানুল হক, জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস সরকার ১৭ বছরে এত বেশী অপরাধ করেছে যে তারা এদেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে। এদেশের মানুষ তাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাক্ষাণ করছে। তবুও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানী দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিন পাঁয়তারা করছে। দেশ বিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। জামায়াত শিবিরের কর্মীরা বেঁচে থাকতে আওয়ামী লীগকে রাজপথে উঠতে দেয়া হবে না।

মিরসরাইয়ে ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আদিল মাহমুদের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

 

মিরসরাই প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক আদিল মাহমুদ চৌধুরীর ১০ম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সাহেরখালী ভোরের বাজারে শহীদ আদিল মাহমুদ চৌধুরী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে স্মরণ সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। আদিল মাহমুদ স্মৃতি সংসদের সভাপতি সালা উদ্দিন আরিফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান খোকনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিরসরাই পৌর বিএনপির সদস্য সচিব জাহিদ হুসাইন, সাহেরখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব দিদারুল আলম মিলন, সাহেরখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামাল পাশা, নবী মেম্বার, হাইতকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইমাম উদ্দিন, সদস্য আলা উদ্দিন মাস্টার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহ মো. ফোরকান উদ্দিন চৌধুরী, মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হেলাল উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শোয়েব হাসান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আরিফ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকল সদস্য ও আদিল মাহমুদ চৌধুরী ছোট ভাই আদনান মাহমুদ চৌধুরী, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাহফুজ উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদল যুগ সম্পাদক সালমান, সাহেরখালী ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মুছা, যুবদল নেতা মনির, কামাল, সালা উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহাজান।

স্মরণ সভায় প্রধান বক্তা নুরুল আমিন চেয়ারম্যান বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ সরকার বিগত ১৭ বছর বিচার বিভাগ কুক্ষিগত করে রাখায় হত্যার ১০ বছর পরও ছাত্রদল নেতা আদিল মাহমুদের খুনীদের বিচার হয়নি। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করলে সঠিক বিচার করা হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিপ্লবের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর কেউ আবার ক্ষমতায় এসেছে এমন নজির নেই। অতত্রব আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সুযোগ পাবেনা। আবার তারা বাংলাদেশের মসনদে আসবেন, তা সম্ভব হবেনা। আমাদের নেত্রীকে যেভাবে কস্ট দিয়েছেন, সেভাবে আপনাকে দেশে এনে জেলে রাখা হবে।’ তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠি বিএনপিকে এখনো জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা করেছে। বরং বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে। দলের একজন কর্মী বেঁচে থাকতে তা দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী ভোরের বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে কুপিয়ে উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন আহবায়ক আদিল মাহমুদ চৌধুরীকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এরপর পুত্র হারানোর শোকে এক বছরের মধ্যে তার বাবা-মা দুজন মারা যান।

 

মিরসরাইয়ে শিক্ষক সমাবেশে বক্তারা-বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু সময়ের দাবি

 

মিরসরাই প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ আর্দশ শিক্ষক ফেডারেশনেরর উদ্যোগে শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ( ৯ নভেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকায় মিরসরাই বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ হল রুমে আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মিরসরাই উপজেলা সভাপতি শিহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে কলেজ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ফেরদৌস হোসেনের সঞ্চালনায় শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুর নবী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষক পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান, কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক পরিষদের সভাপতি খায়রুদ্দিন সোহেল, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া সিরাজ, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন মিরসরাইয়ের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা নুরুল কবির।

সমােবেেশ বক্তারা বলেন, বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। শর্টকাট শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের মেধাশূন্য করে তুলছে। অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে বিগত দিনগুলোতে নীতি বর্জিত সমাজ ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। আগামীতে জাতি গঠনে শিক্ষকরাই এগিয়ে আসতে হবে। দলীয় লেজুড়বৃত্তির বাহিরে গিয়ে জাতী গঠনে সকল শিক্ষকদের এগিয়ে আসতে হবে।
বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন ও অন্তর্ভুক্ত ৯ টি শিক্ষক পরিষদের ৫ দফা দাবী উন্থাপিত হয়েছে।

 

মিরসরাইয়ের ইছাখালীতে বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মিরসরাইয়ের ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড শাখার উদ্যোগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ৮ নভেম্বর) ওয়ার্ড বিএনপির প্রস্তাবিত সভাপতি আনোয়ার মাস্টার সভাপতিত্বে এবং ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রস্তাবিত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্যাহ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মন্জুরুল হক মনজু।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক, ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ ফরিদ গাজি, যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মাওলা বাবলু,যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির হোসেন,দিদারুল আলম,শাহাদাত হোসেন,,সুলতান আহমদ খন্দকার সোহেল, বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন, সবুজ,সাইফুল ।


এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিন,নিজামপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজিম উদ্দীন সিদ্দিকী,ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আসলাম পারভেজ,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন,যুবদলের আহ্বায়ক এরাদুল হক ভূইয়া,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রোম্মান ভূঁইয়া,মাঈনুল হাসান,সদস্য শেখ সাদি,শেখ বাহার, মামুন,কামরুল ইসলাম,সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল করিম, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম,আরিফুল ইসলাম,সোহাগ বাদশা,শাহজাহান,উপজেলা জাসাসের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক টিপু সুলতান রনি।
এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল হক ভুঁইয়া,সাবেক ছাত্রনেতা রায়হান মাষ্টার,সাবেক ছাত্রনেতা রিয়াদ হোসেন।
ছাত্রনেতা ,ইমাম হোসেন ভুঁইয়া, ফোরকান উদ্দিন, এহসান মাহবুব জুবায়ের,মুস্তাফিজুর রহমান পিন্টু,সাকিব আল হাসান,নাজমুল হোসেন,এনায়েত উল্ল্যাহ,সাহাব উদ্দিন, সহ বিএনপি, যুবদল-ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের শতশত কর্মী-সমর্থক মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

‘শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর’

মিরসরাই প্রতিনিধি:::
ইসলাম ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ ও ইসলামী শ্রমনীতি গঠনের লক্ষে মিরসরাই শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) মিরসরাই সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি মো. লুৎফুর রহমান।
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মিরসরাই উপজেলা শাখার সভাপতি নুরুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ারুল্লাহ আল মামুন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমানের বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি নুরুন্নবী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি মো. জসিম উদ্দিন আজাদ, সহ সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহের, জামায়াতে ইসলামী মিরসরাই উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা নুরুল কবির, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জোরারগঞ্জ থানার সভাপতি আবু তাহের, মিরসরাই পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা শিহাব উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মিরসরাই শহর সাথী শাখার সভাপতি মো. সাকিব, ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ব্যবসা ও শিক্ষা সম্পাদক আফনান উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিভিন্ন মিল ফ্যাক্টরিতে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে নিজের দেশের লোকদের বেকারত্বের এক বিরাট বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিলো গত ফ্যাসিবাদী সরকার। একটি নির্দিষ্ট দেশের মন ভরাতে গিয়ে তারা গত ১৭টি বছর এদেশের শ্রমিক সহ আপামর জনসাধারণের উপর নির্যাতন, নিপিড়ন, নিষ্পেষণের যে স্ট্রিম রোলার চালিয়েছে তা বলে শেষ করার নয়। তারা বিভিন্ন স্থানে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে গায়ের জোরে শ্রমিকদের শ্রম নিয়ে সময়মত ও উপযুক্ত কোনো পারিশ্রমিক পর্যন্ত দেয়নি এমন রয়েছে। গত ৫আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে এখন যে পরিবেশ আসছে, আমাদের শ্রমিক ভাইদের নিজেদের অধিকার ফিরে পাওয়ার সময়। আপনারা সকলেই যার যার জায়গা থেকে দেশ ও জাতির উন্নয়নে নিজ কর্মস্থলে সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে কাজ করে যাবেন। দেশে শ্রমিক সহ যে কারো অধিকার পূর্ণাঙ্গ আদায়ে একমাত্র বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আপনারা আপনাদের কাজের ফাঁকে ফাঁকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াতি কাজে অংশ নিয়ে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে কাজ করে যাবেন। সব সময় প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে অন্যায়ের প্রতিবাদ ও প্রতিবিধান করার চেষ্টা করবেন।

 

মিরসরাইয়ে কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ৪ হাজার কৃষক

মিরসরাই  প্রতিনিধি:
মিরসরাইয়ে চলতি অর্থ বছরে কৃষি পণোদনা পাচ্ছেন ৪ হাজার ১১০জন কৃষক। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে পূর্ণবাসন ও প্রণোদনার কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে শীতকালীন সবজি বীজ ও নগদ অর্থ সহায়তা, চাষযোগ্য হাইব্রীড সবজি বীজ, সার অর্থ সহায়তা রবি মৌসুমের বিভিন্ন ফসলের বীজ বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় মিরসরাই উপজেলা কনফারেন্স হলে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজা জেরিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত চক্রবর্তি প্রাণিসম্পদদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হক, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কেএম সাইদ মাহমুদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জোবায়দুর রহমান ভাসানী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন, সহকারি প্রোগ্রামার আই সি টি মহিউদ্দিন জিলানী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় জানান, পুনর্বাসন কমর্সূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ৩০০০ কৃষকদের মাঝে বসতবাড়িতে বিভিন্ন জাতের শীতকালীন শাক সবজি বীজ ও অর্থ সহায়তা এবং
রবি প্রনোদনার আওতায় ১০১০ জন কৃষকদের সরিষা, গম, চীনাবাদাম, সূযর্মুখী, পেঁয়াজ, মুগ, ফেলন, খেসারি বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদান করা হবে।

 

বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ, বিএনপির কর্মসূচি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ৭ নভেম্বর। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের এদিনে সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে দিয়ে দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সেনাপ্রধানের দায়িত্বে আসেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এরপর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে একটি অভ্যুত্থানে গৃহবন্দি হন জিয়া। পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তিনি। এরপরই চলে আসেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রভাবমুক্ত হয়ে শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায়, এই দিন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে।

আওয়ামী শাসনামলে দিবসটি স্বাচ্ছন্দ্যে উদযাপন করতে পারেনি বিএনপি। স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সমাদৃত জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে বরং ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার নানা চেষ্টা হয়েছে। এবার দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে এদিন বেলা ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। এছাড়া গতকাল রাজধানীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার রাজধানীতে বিশাল র‌্যালি করার প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। বিএনপি নেতারা বলছেন, এটি হবে দেশের ইতিহাসে স্মরণকালের সেরা র‌্যালি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনার ধারাবাহিকতায় ওইদিনই সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করেন। স্বঘোষিত পদোন্নতি নিয়ে খালেদ মোশাররফ মেজর জেনারেলের ব্যাজ ধারণ এবং সেনাপ্রধানের পদ দখল করেন।

৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেফতার করে মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন। একই দিনে তিনি প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের পদে বসান। একপর্যায়ে ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে।

সিপাহী-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ ও তার কিছু অনুসারী। পরদিন ৭ নভেম্বর সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে নেমে আসে ঢাকার রাস্তায়, ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের রাজনীতিতে। তারপর থেকেই ৭ নভেম্বর পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে। বিএনপি সরকারের আমলে এ দিনটিতে ছিল সরকারি ছুটি।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এদিনে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিলো জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অভূতপূর্ব অঙ্গীকার নিয়ে। তাই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের পথচলাকে অবারিত এবং জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।

পৃথক বাণীতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকের এই মহান দিনে আমি দেশবাসী সবাইকে আহ্বিান জানাই- এখনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার চূড়ান্ত উত্তরণ হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন, নাগরিক স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ সাধন করতে হবে। ৫ আগস্টের পরে দেশবাসী কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এখনো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে পদানত করার জন্য কুচক্রীমহল সদা তৎপর। সুতরাং যে চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে আমরা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম, সেই একই চেতনা বুকে ধারণ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র নিশ্চিত করা, স্বাধীনতার সুফল তথা অর্থনৈতিক মুক্তি, শান্তি-শৃঙ্খলা, সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মিরসরাইয়ে আবুল বশর মেম্বার স্মৃতি সংসদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে সামাজিক সংগঠন আবুল বশর মেম্বার স্মৃতি  সংসদ ও পাঠাগারের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্হানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক এ এস এম সাহাব উদ্দীন, কাজী একরামুল হক, এডভোকেট আলা উদ্দীন, শাহনাজ সুলতানা সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

মিরসরাইয়ে তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

 

মিরসরাই প্রতিনিধি::
মিরসরাইয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা, বানোয়াট ও গায়েবি মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন মিরসরাই পৌর ছাত্রদল ও মিরসরাই কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের মিরসরাই পৌরসদরে পৌরসভা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইনজামামুল হক ইমনের নেতৃত্ব এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ছাত্রনেতা রিয়াদ হোসেন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, সাহাদাত হোসেন, ৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি সাইদুল ইসলাম, ছাত্রনেতা ইব্রাহিম, কলেজ ছাত্রদল নেতা জহির রিয়াজ, মোরশেদ আলম, মাঈনুল হাসান সম্রাট, নুর ইসলাম, নয়ন, পৌর ছাত্রদল নেতা সাইদুল ইসলাম সিয়াম, মাহিন, সোহেলসহ মিরসরাই পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইনজামামুল হক ইমন বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জুলাই হত্যাকান্ডের মূল মাষ্টারমাইন্ড শেখ হাসিনার বিচার দাবি দ্রুত করতে হবে। এসময় তিনি নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

শপথ নিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র শাহাদাত

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে কাউন্সিলর না থাকায় ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, সরকার শুধুই কেয়ারটেকার সরকার না, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী নিহত-আহতদের আমানত। এই সরকার রুটিন কেয়ারটেকার সরকার নয়, আন্দোলনের পর বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে এই সরকার। তাই সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশাও বেশি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে কাউন্সিলর না থাকায় ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে যারা মেয়রের নেতৃত্বে কাজ করবেন। সিটি করপোরেশনগুলোতে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। বর্তমান চট্টগ্রামের মেয়রের মেয়াদ আইন অনুযায়ী যেটা হবে, ততদিন তিনি দায়িত্বে থাকবেন।

এসময় মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে। চট্টগ্রাম শহরের অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করবো। যত দ্রুত সম্ভব জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকল্প হাতে নেওয়ার চেষ্টা করবো। ইশতেহার পূরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো। গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি এবং হেলদি সিটি হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তোলা হবে।