বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Home Blog Page 51

মিরসরাইয়ে কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ৪ হাজার কৃষক

মিরসরাই  প্রতিনিধি:
মিরসরাইয়ে চলতি অর্থ বছরে কৃষি পণোদনা পাচ্ছেন ৪ হাজার ১১০জন কৃষক। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে পূর্ণবাসন ও প্রণোদনার কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে শীতকালীন সবজি বীজ ও নগদ অর্থ সহায়তা, চাষযোগ্য হাইব্রীড সবজি বীজ, সার অর্থ সহায়তা রবি মৌসুমের বিভিন্ন ফসলের বীজ বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় মিরসরাই উপজেলা কনফারেন্স হলে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজা জেরিন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত চক্রবর্তি প্রাণিসম্পদদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হক, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কেএম সাইদ মাহমুদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জোবায়দুর রহমান ভাসানী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন, সহকারি প্রোগ্রামার আই সি টি মহিউদ্দিন জিলানী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় জানান, পুনর্বাসন কমর্সূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ৩০০০ কৃষকদের মাঝে বসতবাড়িতে বিভিন্ন জাতের শীতকালীন শাক সবজি বীজ ও অর্থ সহায়তা এবং
রবি প্রনোদনার আওতায় ১০১০ জন কৃষকদের সরিষা, গম, চীনাবাদাম, সূযর্মুখী, পেঁয়াজ, মুগ, ফেলন, খেসারি বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদান করা হবে।

 

বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ, বিএনপির কর্মসূচি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ৭ নভেম্বর। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের এদিনে সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে দিয়ে দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সেনাপ্রধানের দায়িত্বে আসেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। এরপর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীতে একটি অভ্যুত্থানে গৃহবন্দি হন জিয়া। পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তিনি। এরপরই চলে আসেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রভাবমুক্ত হয়ে শক্তিশালী সত্তা লাভ করে। গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যায়, এই দিন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়। মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে আসে।

আওয়ামী শাসনামলে দিবসটি স্বাচ্ছন্দ্যে উদযাপন করতে পারেনি বিএনপি। স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সমাদৃত জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে বরং ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার নানা চেষ্টা হয়েছে। এবার দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে এদিন বেলা ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। এছাড়া গতকাল রাজধানীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার রাজধানীতে বিশাল র‌্যালি করার প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। বিএনপি নেতারা বলছেন, এটি হবে দেশের ইতিহাসে স্মরণকালের সেরা র‌্যালি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনার ধারাবাহিকতায় ওইদিনই সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করেন। স্বঘোষিত পদোন্নতি নিয়ে খালেদ মোশাররফ মেজর জেনারেলের ব্যাজ ধারণ এবং সেনাপ্রধানের পদ দখল করেন।

৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেফতার করে মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন। একই দিনে তিনি প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের পদে বসান। একপর্যায়ে ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে।

সিপাহী-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ ও তার কিছু অনুসারী। পরদিন ৭ নভেম্বর সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে নেমে আসে ঢাকার রাস্তায়, ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের রাজনীতিতে। তারপর থেকেই ৭ নভেম্বর পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে। বিএনপি সরকারের আমলে এ দিনটিতে ছিল সরকারি ছুটি।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এদিনে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিলো জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের অভূতপূর্ব অঙ্গীকার নিয়ে। তাই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব অত্যন্ত তাৎপর্যমণ্ডিত।

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের পথচলাকে অবারিত এবং জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।

পৃথক বাণীতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকের এই মহান দিনে আমি দেশবাসী সবাইকে আহ্বিান জানাই- এখনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার চূড়ান্ত উত্তরণ হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন, নাগরিক স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে গণতান্ত্রিক চেতনার বিকাশ সাধন করতে হবে। ৫ আগস্টের পরে দেশবাসী কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এখনো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র থেমে নেই। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে পদানত করার জন্য কুচক্রীমহল সদা তৎপর। সুতরাং যে চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরে আমরা স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম, সেই একই চেতনা বুকে ধারণ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র নিশ্চিত করা, স্বাধীনতার সুফল তথা অর্থনৈতিক মুক্তি, শান্তি-শৃঙ্খলা, সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

মিরসরাইয়ে আবুল বশর মেম্বার স্মৃতি সংসদের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে সামাজিক সংগঠন আবুল বশর মেম্বার স্মৃতি  সংসদ ও পাঠাগারের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্হানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়। শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক এ এস এম সাহাব উদ্দীন, কাজী একরামুল হক, এডভোকেট আলা উদ্দীন, শাহনাজ সুলতানা সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

মিরসরাইয়ে তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

 

মিরসরাই প্রতিনিধি::
মিরসরাইয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা, বানোয়াট ও গায়েবি মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন মিরসরাই পৌর ছাত্রদল ও মিরসরাই কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (৩ নভেম্বর) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাড়কের মিরসরাই পৌরসদরে পৌরসভা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইনজামামুল হক ইমনের নেতৃত্ব এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ছাত্রনেতা রিয়াদ হোসেন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, সাহাদাত হোসেন, ৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি সাইদুল ইসলাম, ছাত্রনেতা ইব্রাহিম, কলেজ ছাত্রদল নেতা জহির রিয়াজ, মোরশেদ আলম, মাঈনুল হাসান সম্রাট, নুর ইসলাম, নয়ন, পৌর ছাত্রদল নেতা সাইদুল ইসলাম সিয়াম, মাহিন, সোহেলসহ মিরসরাই পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইনজামামুল হক ইমন বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জুলাই হত্যাকান্ডের মূল মাষ্টারমাইন্ড শেখ হাসিনার বিচার দাবি দ্রুত করতে হবে। এসময় তিনি নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

শপথ নিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র শাহাদাত

 

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে কাউন্সিলর না থাকায় ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, সরকার শুধুই কেয়ারটেকার সরকার না, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী নিহত-আহতদের আমানত। এই সরকার রুটিন কেয়ারটেকার সরকার নয়, আন্দোলনের পর বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে এই সরকার। তাই সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশাও বেশি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে কাউন্সিলর না থাকায় ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে যারা মেয়রের নেতৃত্বে কাজ করবেন। সিটি করপোরেশনগুলোতে শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। বর্তমান চট্টগ্রামের মেয়রের মেয়াদ আইন অনুযায়ী যেটা হবে, ততদিন তিনি দায়িত্বে থাকবেন।

এসময় মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে। চট্টগ্রাম শহরের অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করবো। যত দ্রুত সম্ভব জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকল্প হাতে নেওয়ার চেষ্টা করবো। ইশতেহার পূরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো। গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি এবং হেলদি সিটি হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তোলা হবে।

মিরসরাইয়ে কবি কুটির সুরভীকুঞ্জে ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন

মিরসরাই প্রতিনিধি ::
মিরসরাই পৌরসভার পূর্বগোভানিয়া গ্রামের কবি কুটির সুরভীকুঞ্জে ‘রোকেয়া সাত্তার স্মৃতি পাঠাগার’ এর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন ও সহকারি কমিশনার ভূমি প্রশান্ত চক্রবর্তী। রবিবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উক্ত পাঠাগারের ভিত্তিপ্রস্থর ফলক উম্মোচন পরবর্তি দোয়া মোনাজাত এবং ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের পর পাঠাগারের উদ্যোক্তা কবি ও সাংবাদিক মাহবুব পলাশ এর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত পরিসরে এক হৈমন্তি সাহিত্য আসর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অপকার নির্বাহী পরিচালক মো: আলমগীর, নাট্যকার মঈন উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সেলিম, মিরসরাই কলেজের বাংলার প্রভাষক নজরুল ইসলাম, আক্তার হোসেন চৌধুরী, আবুল খায়ের বাদশা মিয়া, মাষ্টার সুবর্ণা জেসমিন চৌধুরী, নাজমুন নাহার জলি প্রমুখ। ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনকালে দোয়া মোনাজাত করেন মাওলানা আলাউদ্দিন।
জীবনানন্দ দাস এর ‘আবার আসিব ফিরে এই ধান সিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’ আবৃত্তি দিয়ে শুরু হওয়া হৈমন্তি সাহিত্য সভায় বনলতা সেন আবৃত্তি করেন প্রতাপ বণিক রানা, স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন কবি সুবর্ণা চক্রবর্তি, কবি চন্দনা চক্রবর্তি, ‘ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা’ গান পরিবেশন করে নিপা মজুমদার।
কবি তাছলিমা চৌধুরী সুরভী আবৃত্তি করে মাহবুব পলাশের কবিতা ‘হেমন্তের বিকেলে’। ছোট্ট বন্ধু অথৈ ও সারা আবৃত্তি করে জীবনানন্দ দাস ও সুকান্তের কবিতা। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ যথাক্রমে রাজীব মজুমদার, নাছির উদ্দিন, কামরুল ইসলাম, জাবেদ হোসাইন, সানোয়ার ইসলাম রনি, ইব্রাহিম মাহমুদ, তাকিবুর রহমান, ইফসরা নাবিদ প্রমুখ। স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিগনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে নুরুননবী ভাষানী, নিজাম উদ্দিন মানিক, অজিত কুমার, লিটন দাস প্রমুখ। কবিতা আবৃত্তি শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন গ্রামীন জনপদে এই সৃজনশীল উদ্যোগ সফল করতে তাঁর পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা এবং এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নে ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, পাঠাগার নির্মাণ একটি মহৎ কাজ। পড়ার উপরে কোন জ্ঞান নেই। সঠিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে প্রচুর পড়া দরকার। একদিন এই পাঠাগার থেকে অনেক জ্ঞানে মানুষ তৈরী হবে বলে মনে করেন তিনি।

 

 

মিরসরাইয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানা শাখা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশ সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকালে বারইয়ারহাট খান সিটি সেন্টারে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশ জোরারগঞ্জ থানা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মাওলানা খায়রুল আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মুহাম্মদ তসলিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর অধ্যাপক নুরুল আমিন  চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি এসএম লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহ-সেক্রেটারী অধ্যাপক ফজলুল করিম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মুহাম্মদ ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন আজাদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা নির্মাণ শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি আজিজ আহম্মদ, জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর নুরুল হুদা হামিদী, জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদক আব্দুল গফুর, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা নুর নবী, জোরারগঞ্জ থানা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহকারী সেক্রেটারী রেদোয়ানুল হক, জোরারগঞ্জ থানা পেশাজীবি সেক্রেটারী নুরুল আলম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জোরারগঞ্জ থানা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বায়তুল মাল সম্পাদক মাসুদ করিম, হিঙ্গুলী ইউনিয়ন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোশাররফ হোসেন,  করেরহাট ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তফা জিহাদী, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি জাফর উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারী মনজুরুল আলম সুমন, বায়তুল মাল সম্পাদক মাঈন উদ্দিন রুবেল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের মুক্তির জন্য ইসলামী শ্রমনীতির বাস্তবায়ন প্রয়োজন। ইসলামী শ্রমনীতির এই স্বতন্ত্রধারা বাংলাদেশে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের হাত ধরে সূচনা ঘটে। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এদেশে একদল আদর্শ মানুষ তৈরি করা চায়। যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করবে, সত্যের পক্ষে থাকবে আপোষহীন। আমরা আর কোনো চোরদের জন্য এই দেশের ভূমি ছেড়ে দিবো না। আর কোনো চোরদের হাতে এদেশ ছেড়ে দেওয়া হবে না।

সামাজিক সংগঠন ‘ইগনাইট মিরসরাই’র যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

যাত্রা শুরু করেছে সামাজিক সংগঠন ‘ইগনাইট মিরসরাই’। নবগঠিত কমিটি ২১ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছে। সংগঠনটিতে প্রথম সভাপতি হিসেবে মো. মেহেদী হাসান জাবেদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আগামি এক বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটিতে সহ-সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম, মো. সাজ্জাদ হোসেন, শহীদ উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ নিজাম অনিক, আরশেদ আহমেদ, মোহাম্মদ সোহেল, অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান আলভী, দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নুর নবী সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শেখ ফরিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, সাইফ উদ্দিন সোহাগ, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. আকবর হোসেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম শাওন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক জাবেদ ভুঁইয়া, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইদুল ওয়াহিদ চয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহেরিন সোলতানা চৌধুরী এবং নির্বাহী সদস্য হিসেবে আরিফুর রহমান কায়েদ, মোঃ নাঈম উদ্দিন হৃদয়, রাব্বিত হাসান মেহেদী নাম ঘোষণা করা হয়।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান জাবেদ বলেন, মিরসরাই একটি অপার সম্ভাবনাময় উপজেলা। এখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্র রয়েছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী মিরসরাইতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনগোষ্ঠি তৈরী করা গেলে একটি সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে উঠবে। আমরা গতানুগতিকের বাইরে গিয়ে ভীন্নধর্মী কাজ করার প্রত্যয়ে ‘ইগনাইট মিরসরাই’র যাত্রা শুরু করেছি। আমাদের সংগঠন প্রিয় মিরসরাইয়ের জন্য ধারাবাহিক জনবান্ধব সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত থাকবে।

 

মিঠানালায় নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী ক্রয়মূল্যে বিক্রয় কার্য্যক্রমের আয়োজন

 

মিরসরাই প্রতিনিধি

ঐক্য, শক্তি, সেবা, শান্তি এই মূলনীতি ধারন করে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত সম্প্রীতি আদর্শ সমাজের উদ্যোগে মিঠানালা ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী ক্রয়মূল্যে বিক্রয়ের জন্য ‘আনন্দের বাজার’ চালু করেন।
আজ শুক্রবার মিঠানালা ইউনিয়নের রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে স্থানীয় তরুনদের সহযোগিতায় নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পন্য সামগ্রী ক্রয় মূল্যে বিক্রয় কার্যক্রম আয়োজন করেন। বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি ও জনগনের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যাওয়ায় পরীক্ষামূলকভাবে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য সামগ্রী দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়। এতে জনগনের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করতে পেরে তারা আনন্দিত। এই কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করার জন্যও পরামর্শ প্রদান করেন।
এসময় আয়োজন পরিদর্শন করেন সমাজসেবক তপন ও শিক্ষাবিদ মাওলানা আলা উদ্দিন।
আনন্দের বাজার কার্যক্রমের উদ্যোক্তা ও সম্প্রীতি আদর্শ সমাজের সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন জানান, সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা তৈরীতে এবং নিয়মিত এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহন করে সকলের মধ্যে ভাতৃত্ব ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করাই এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য। সামাজিক কাজের মধ্যদিয়ে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সমাজ থেকে অপরাধমূলক কার্যক্রম দূর করে একটি সুন্দর আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা তৈরী করার জন্য সকলে কাজ করবো।
আরেক উদ্যোক্তা মোহাম্মদ হাসান জানান, সমাজের উপকারে এই ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি দুলাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি নূর নবী, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম, সদস্য রাসেদ খান, সজিব, মেজবা, সোহেল, লাবু, শাওন, সজল, অভি, রায়হান প্রমুখ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল নক্ষত্র।

 

তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মিরসরাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

মিরসরাই প্রতিনিধি
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে দায়েরকৃত ঘড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও জুলাই হত্যাকান্ড এবং শেখ হাসিনার বিচারের দাবীতে মিরসরাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই পৌরসদরে মিরসরাই পৌরসভা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে কর্মসূচী পালিত হয়।
মিরসরাই পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামশেদ আলমের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান লিটনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষকদলের কেন্দ্রীয় নেতা ও মিরসরাই কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ আতিকুল ইসলাম লতিফী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই পৌর বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম পারভেজ, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুর মোহাম্মদ, খায়ের উল্ল্যাহ, ইকবাল হোসেন, শেখ আহম্মদ, হারুন উর রশিদ, আকবর বাদশা, শাহ আলম, পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব বোরহান উদ্দিন সবুজ, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন, সফিউল আলম লাতু, ফখরুল ইসলাম, রাজীব কুমার সিংহ, এএইচএম শাহরিয়ার, জেবল হক কেরানী, আবু তাহের, নিজাম উদ্দিন বেন্টু, ইমরান হোসেন ইরান, মহিলা দল নেত্রী মৌসুমী, আবেদা সুলতানা প্রমুখ।