মিরসরাই প্রতিনিধি
মিরসরাইয়ের দক্ষিণ মোবারকঘোণায় ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দক্ষিন মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্পের নবনির্মিত ৭৫টি ঘর পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান। এসময় আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ত্রান বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান।
মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল্লাহ মজুমদার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর ভ্ূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাহাব উদ্দিন আক্রমী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান।
ত্রাণ বিতরণ শেষে ভূমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দক্ষিন মোবারকঘোনা আবাসন প্রকল্পের নবনির্মিত ৭৫টি ঘর পরিদর্শন করেন। এসময় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রীর উপহার গৃহহীনদের জন্য এক খন্ড জমি ও ঘর উপহার সে প্রকল্পের বাস্তবায়ন হয়েছে দক্ষিণ মোবারকঘোনা গ্রামে। এখানে যোগাযোগ সুবিধা থেকে শুরু করে নাগরিক হিসেবে সকল সুবিধা প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা যেমন আড়ং, ব্রাক এসবের তত্ত্বাবধানে এখানকার লোকজনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয় সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী যেটি চেয়েছেন গরিব মানুষ যাদের ঘর নেই, যাদের জমি নেই তাদেরকে একখন্ড জমিসহ ঘর দেয়া হবে। তাদেরকে সব ধরণের নাগরিক সুবিধা দেয়া হবে সেই নিরিখে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট পৌরসভা থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার পশ্চিমে ফেনী নদীর তীরে উর্বর জায়গায় তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। এখানে প্রচুর মাছের ঘের রয়েছে এখানকার লোকজনের কুটির শিল্পে এবং মৎস্য খাতে কর্মসংস্থান হয় সে বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে সামাজিকভাবে পরিবেশ যেন উন্নত হয় স্কুল, মসজিদ ও কবরস্থান করে দেয়া হয়েছে।
সবশেষে অতিথিরা অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ত্রান সামগ্রী তুলে দেন।



